somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাল মন্দ নিয়ে আলোচনা

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শিক্ষাদান কখনো পাবলিক বা প্রাইভেট হতে পারে পারে কি? না। কারণ বিজ্ঞানের যেই সূত্র গুলো পড়ানো হয় তা কি আর পাবলিক আর প্রাইভেট পার্থক্য হয়।
তাহলে সমস্যা টা কোথায়? বা তার পিছনে কে বা কারা দায়ি?
১। বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন প্রসঙ্গঃ
কে বা কারা অনুমোদন পাচ্ছে বা কেন পাচ্ছে?। তা আমাদের জানা। যদিও এখানে কিছু কথা রয়ে যায়। তাঁরা ছাড়া অন্যরা কি বিশ্ববিদ্যযালয় স্থাপন করার মত অর্থনৈতিক সামর্থ্য বা শক্তি রাখে?

২। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন প্রসঙ্গঃ
একটি বেসরকারি বিশ্ববিদযালয় অনুমোদনের আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পরিদর্শন করে। তারপর তা অনুমোদন পায়। প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন দায়িত্ব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠান তদারকি করা। কিন্তু তা কতটুকু হচ্ছে?

৩। শিক্ষক নিয়োগ/শিক্ষক প্রসঙ্গ।
বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ পদ্ধতির কিছুটা ভাল দিক আছে।
প্রথমে লিখিত, তারপর Class performance, তারপর ভাইভা। তারপরও কিছুটা সমস্যা আছে। আর তা তাদের দ্বারা হচ্ছে যাদের জন্য পাবলিকে বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয় তাদের সুনাম হারাচ্ছে।

আরেকটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিক্ষকতাটাকে যদিও শুধু ভাল শিক্ষার দান এর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয় তাহলে সমস্যা। কারণ শিক্ষকের অনেক দায়িত্ব। কারণ উনার দ্বারা জাতি তৈরি হবে। জাতিকে বিশ্বপরিচালনা করার মত দক্ষতায় তৈরি করেতে হবে।

অরেকটা সমস্যা হল কেউ হয়তো বা শিক্ষকতা করে সাময়িক এর জন্য। আর এর জন্য শিক্ষার্থীদের খুব ক্ষতি হয়। শুধু সিলেবাস শেষ করা শিক্ষকতার দায়িত্ব না তার সাথে শিক্ষার্থীদের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগ্রতো করা শিক্ষেকের প্রধান দায়িত্ব।

আরেকটা বিষয় হল শিক্ষকদের ঘন ঘন পরিবর্তন।যাতে শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষতি হয়। যদিও শিক্ষকদের চলে যাওয়ার পিছনে অনেক কারণ আছে। তার জন্য কর্তৃপক্ষ অনেকাংশে দায়ি বা নিজে শিক্ষক্তা কে ভালবাসে না।


৪। শিক্ষাব্যবস্থা
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাব্যবস্থা কিছুটা ভাল। কারণ চার মাসে সেমিস্টার। এর মধ্যে

ক)চার মাসের মধ্যে কমপক্ষে চারটি বিষয় পড়তে হয়। এর জন্য 8 Class Tests এবং 8 assignments/Presentations.
খ)চারমাসের মধ্যে একটি Mid Term এবং Final Term Exam ।
সুতরাং ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা করোক বা না করো্ক, প্রতিদিন পড়ার টেবিলে বসতে হয়।

গ)আর একটা ভাল দিক কোন সেশনজট নেই। পর্যাপ্ত ক্লাস হয়। ছুটি কম।

খারাপ দিক বলতে হলে আমার যেটা শুনি তা বেশি বেশি মার্ক দেওয়া এবং পাস করনো হয়। এখানে কিছু কারণ রয়েছে
এক. অল্প অপ্ল করে পড়াশুনা হয় বা অল্প বিষয়ের উপর প্রশ্ন করা হয়। তাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনায় একটু কষ্ট কম।পরীক্ষায় খাতায় লিখতে পারে।
দুই. প্রশ্নপত্রে মান ভাল না।
তিন. শিক্ষার্থীদের পাস করার কারণ হলো system টায় এমন পাস করার মত। Class attendance= 10, Assignment = 10, Class test=10, ………………..

সবচেয়ে পিছিয়ে আছে Engineering বা Science বিষয়গুলো কারণ এখানে ল্যাব বা গবেষণার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এর জন্য কতৃপক্ষ এবং প্রকৃত শিক্ষক নয় তাদেরকে দায়ভার নিতে হবে।

খারাপের মধ্যে সবচেয়ে ভাল দিক হলঃ অনেকে পাবলিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে মনের মত Subject এ ভর্তি হতে পারে না কিন্তু এখানে তার ভাললাগার বিষয়ে পড়তে পারে।তাছাড়া অনেকে তার carrier পরিবর্তন করতে পারে । নতুন subject পড়ে।

শিক্ষার্থী প্রসঙ্গেঃ
যাদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় তারাই বা কতটা সচেতন?
তাদের মাথায় শুধু চিন্তা কিভাবে পড়াশুনা শেষ করে। চাকরিতে ঢুকবে। আমাদের দেশে পড়াশুনার মূল্য উদ্দেশ্য শুধু চাকরি আর চাকরি করা। তাই শিক্ষার মান কবে ভাল হবে তা বলা খুব কঠিন। এর পিছনে আমরা সবাই দায়ি যেমন সরকার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্তৃপক্ষ। সত্যি কথা বলতে গুণগত শিক্ষার সংজ্ঞাই বা আমরা কত জন্ জানি।

শুধু শুধু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠান বিরুদ্ধী না হয়ে। কারা চালায় তাদের দিকে আমাদের প্রতিবাদ করতে হবে।
১। সরকার
২। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক
৩। কর্তৃপক্ষ
৪। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি/উপদেষ্টা যারা কোনা কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়য়ের শিক্ষক । যাদিও তাদের সুচিন্তিত ভাবনায় একটি প্রইভেট বিশ্ববিদ্যালয় উপরে যায়।
৫। শিক্ষার্থীদের পরিবার এবং নিজেরা।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:০৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মানুষের মধ্যে এমন কেউ কী আছেন, যাঁরা AI-এর কাছে নিজেদের জ্ঞান, লেখার দক্ষতা কিংবা সৃজনশীলতার শ্রেষ্ঠত্ব হারানোর ভয় পাচ্ছেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৪




এআইকে বলে ছিলাম- তুমি বলতে গেলে একটা গেদা বাচ্চার মত। এর মধ্যে অনেক মানুষ তোমাকে হিংসা করে। বিষয়টা কি?

উত্তরে এআই বলল- হা হা! আপনার কথাটা শুনে হাসি... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুজুরের কি শরিয়াহ আইনে বিচার হবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১২


মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমীর জন্য খারাপ লাগছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে প্রকাশ এবং এ নিয়ে লাইভ করার অভিযোগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×