বাবা দিবসে বাবাকে নিয়ে কিছু একটা লিখতে গিয়ে মনে অনেকগুলো স্মৃতি এসে জড়ো হল।
বাবাকে দেখেছি ছোটবেলা থেকে একজন বন্ধু হিসেবে।বাবাকে আমরা এমন একজন হিসেবে পেয়েছি যার কাছে ছোট বড় যে কোন বিষয় শেয়ার করা যায়।ক্লাসে কোন ফ্রেন্ডের সাথে ঝগড়া হলে তাও আব্বুকে বলেছি আবার ব্লগে কোন মজার লেখা পড়লে তাও আব্বুকে বলেছি।
আমার এস এস সি পরীক্ষার সময় স্কুলের সামনে একটা ফার্স্টফুডের দোকানে দাড়িয়ে পড়তাম,প্রচন্ড রোদ আসত সেদিক দিয়ে ;আব্বু তখন আমার সামনে দিয়ে দাড়িয়ে থাকতেন।
বলতাম,"সামনে দারিয়ে আছেন কেন"?
আব্বু বলত,"তোর গায়ে রোদ লাগবে যে।"
বাবারা হয়তো সন্তানদের এভাবেই ছায়া দিয়ে রাখে।
দু'সপ্তাহ আগে আম্মু খালার বাড়িতে গিয়েছিল।যা রেঁধে দিয়েছিল তা তিনদিনেই শেষ।নিরুপায় হয়ে নিজেরাই রাঁধতে গেলাম।ব্লগার রাশেদের ডাল রেসিপিটা আগে পড়ে ছিলাম ,ভাবলাম ট্রাই করি।তারপর যা রাধলাম তাকে অখাদ্য ছাড়া বোধ হয় অন্যকিছু বলা যায় না।কিন্তু আব্বু শুধু তারিফই করলনা বরং সেটা প্রমানের জন্য শুধু ডাল দিয়েই ভাত খাওয়া শেষ করল।
আমাকে আব্বু একবারই চড় মেরেছিল তাও খাওয়ার জন্য।
প্রতি ঈদে আব্বু নতুন ড্রেস কিনে আমাদের জন্য কিন্তু কখনও আগ্রহ নিয়ে নিজের জন্যে নতুন জামা কিনতে দেখিনি তাকে।
বাবাকে নিয়ে আমাদের আরও অনেক স্মৃতি আছে,যা বলে হয়ত শেষ করা যাবে না...
আসলে আব্বুরা সবসময়ই এমন হয়.........
(বাবা দিবসে আমাদের প্রিয় আব্বুকে উৎসর্গ করে)
আলোচিত ব্লগ
ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাতার পাখা
পাতার পাখা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ
নারকেল গাছের পাতা ছিঁড়ে
পাতার শলা আলাদা করে
দুই পাতা সমান করে কেটে
বানাতাম চার ডানার একটি পাখা
খেজুর গাছের কাঁটা ছিঁড়ে
সে কাঁটা পাখার মাঝখান বরাবর গেঁথে
দখিনা বাতাসের মুখামুখি ধরলেই
শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে মিছিল কেন?

ঢাকার রাজপথে আজ এক নতুন কুশীলবের আবির্ভাব ঘটলো। নাম তার ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’। এই নামের কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্বের কথা দেশের আমজনতা না জানলেও, হঠাৎ এক রাতে তারা ‘অবৈধ... ...বাকিটুকু পড়ুন
যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...
এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।