somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সামাজিক অবক্ষয় রোধে সুদৃঢ় পারিবারিক বন্ধনের বিকল্প নেই

০৭ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পারিবারিক বন্ধন শিথিল হওয়ার কারনে আমাদের সন্তানেরা বিপথগামী হচ্ছে। আমাদের সামাজিক অবক্ষয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বাসের ভিত বড় দুর্বল হয়ে পড়েছে এখন। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনে আস্থা পাচ্ছে না। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার আস্থা দুর্বল ও সন্দেহজনক হচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আমরা সামাজিক অবস্থান থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। অথচ এই ভিত যদি মজবুত না হয়, আমরা ধসে পড়ব, আমরা অস্তিত্ব হারাবো। আমাদের রাজনীতি হিংসাত্মক হচ্ছে। দলে দলে কোন্দল বাড়ছে। একই দলে প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিহিংসার বলি হচ্ছে অসংখ্য প্রাণ। অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে কিছু বিবেকবান মানুষ। সহানুভূতির জায়গা দখল করে নিচ্ছে অত্যাচার ও নিষ্ঠুর আচরণ। এসবের মূলে কেউ না কেউ ইন্ধন জোগাচ্ছে। দেশি-বিদেশি এই কতিপয় গুপ্তচর যে অশনিসংকেত দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে এখন রুখে দাঁড়ানোর সময়। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবল ঝড়ে সবকিছু লণ্ডভণ্ড হওয়ার আগেই রুখতে হবে। এই বিরোধের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হলে প্রয়োজন সম্মিলিত শক্তি। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির স্বপক্ষে দীক্ষিত অনেকগুলো শক্তির যোগফল একটি মাইলফলক স্থাপন করতে পারে। এই শক্তি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে সঞ্চারিত হতে পারে, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন থেকে ধার করা যেতে পারে, ছেষট্টির ছয় দফা থেকে আহরণ করা যেতে পারে, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান থেকে আন্দোলিত হতে পারে, একাত্তরের সাতই মার্চ বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ভাষণ থেকে আহরিত হতে পারে—সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধ থেকে সংগৃহীত হতে পারে। সংসারে বন্ধন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই বন্ধন শুধু নিজেদের মধ্যেই আন্তরিকতা সৃষ্টি করবে না বরং সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। বিশ্বাসের জায়গাটি দৃঢ় করতে হবে। সবার প্রতি সবার অটুট বিশ্বাস যেমন প্রয়োজন তেমনি খুঁজে বের করাও প্রয়োজন কে কোথায় কী অঘটন ঘটাচ্ছে। আমাদের অস্তিত্ব সুদৃঢ় করতে হলে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে হবে, এর বিকল্প নেই।

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×