somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বসানো হয়েছে প্রযুক্তি নির্ভর সরঞ্জাম

০৮ ই জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সম্প্রতি চোরাচালানসহ সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ কমিয়ে আনতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বসানো হয়েছে প্রযুক্তি নির্ভর সরঞ্জাম। এসব সরঞ্জামের মাধ্যমে সীমান্তের অনেক কিছুই ঢাকায় বসে মনিটরিং করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যেই যেসব স্পটে চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ সংঘটিত হয়, সেসব জায়গায় বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। পাশাপাশি চলছে বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের যৌথ টহল। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ মে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি প্রযুক্তি নির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা চালু করেছে। সীমান্তের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বিজিবি সদর দফতরে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বড় পর্দার মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এমন সিস্টেম চালুর ফলে সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের কার্যক্রম মনিটরিং ও তদারকি করা সহজ হবে। এই সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে প্রত্যেক বিজিবি সদস্যকে। সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা যেকোন ধরনের অসুবিধার কথা তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবি সদর দফতরকে অবহিত করতে পারবেন। পাশাপাশি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বা ভিডিও কলের মাধ্যমে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টগুলো দেখা যাবে। যেকোন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া সম্ভব হবে। যা সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। প্রযুক্তির কারণে সীমান্তের যেসব পয়েন্ট দিয়ে অস্ত্র, মাদক ও নারী শিশু পাচার হয়, সেসব পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করা আরও সহজ হবে। পয়েন্টগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বা ভিডিও দেখে সহজেই এ ধরনের অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনা সহজ হবে। সীমান্তের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিজিবি সদস্যের সংখ্যা আট হাজার থেকে বাড়িয়ে পনেরো হাজার করার পরিকল্পনা চলছে। মিয়ানমার সীমান্ত আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করতে রামু রিজিওন গঠনের কাজ চলছে। সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষা করা সম্ভব হলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও এগিয়ে যাবে। যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও গতিশীল হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৩২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×