somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২০ উইকেট দেব না তাই ডিক্লেয়ার!

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টেস্ট-যুদ্ধে জেতা যাবে কি না, তা জানার জন্য আরেকটু অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে বীরেন্দর শেবাগের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে বিজয়ীর নাম এখন সবার জানা। যদিও সে লড়াইটা শেষ হয়নি।

হবে কিভাবে? X(

ময়দান থেকে এক পক্ষের প্রস্থান (!) যে লড়াইটিকে অমীমাংসিত করে রাখল!

টেস্ট শুরুর আগের দিন বীরেন্দর শেবাগ সংবাদ সম্মেলনে দম্ভ ভরে ঘোষণা দিয়েছিলেন, 'ভারতের এ ব্যাটিং লাইনকে ম্যাচে দুই বার অলআউট করার সামর্থ্য বাংলাদেশের বোলারদের নেই।' সেই দম্ভ চূর্ণ হয়েছে প্রথম ইনিংসেই। ভারতকে ২৪৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে প্রথমার্ধের কাজ সেরে রাখে বাংলাদেশের বোলাররা। দ্বিতীয়ার্ধেও তারা তুলে নিয়েছিল আট উইকেট। ভারতের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের মাথায় তখন নিশ্চয়ই ঘুরপাক খাচ্ছিল সেই কথাগুলো। সত্যিই সত্যি 'অর্ডিনারি' বাংলাদেশ তাদের 'একস্ট্রা অর্ডিনারি' ব্যাটিং লাইনকে দুই বার অলআউট করে, তাহলে কী হবে? তাই তো কোনো ঝুঁকিতে যাননি শেবাগ। ড্রেসিংরুমে অস্থির পায়চারির পর হাত তুলে তিনি ডেকে পাঠালেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষ্মণ ও ইশান্ত শর্মাকে। 'অলআউট করার সুযোগটাই তো ওরা আমাদের দিল না'_দিন শেষে টিম বাসে উঠতে উঠতে এমনটাই বলে গেলেন বোলিং কোচ চম্পাকা রামানায়েকে। হাসিতেই অবশ্য বোঝা যাচ্ছিল, কতটা তৃপ্ত তিনি।
চম্পাকা সন্তুষ্ট হতেই পারেন। তাঁর শিষ্যরা যে এভাবে আলো ছড়াবেন, সমর্থকরা অন্তত এতটা ভাবেননি। তার পরও বোলারদের এমন পারফরম্যান্সের পেছনে 'শেবাগ-ফ্যাক্টর'কে প্রভাবক বলে মানছেন তাঁরা। স্কুল ছুটির পর সেই ড্রেস পরেই খেলা দেখতে আসা রায়হান-শফিক-বাবুলরা তেমনটাই বলে উঠলেন সমস্বরে, 'ও (শেবাগ) আমাদের অপমান করেছে। সেই শোধ নেওয়ার জন্যই আমরা জানপ্রাণ দিয়ে খেলছি। বুঝিয়েছি, আমরা কারো চেয়ে কম নই।' অন্তত এ টেস্টের পারফরম্যান্স বিবেচনায় এমন দাবি করতেই পারেন সমর্থকরা।
আসলে শুধু স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা দর্শকরাই নন, পুরো বাংলাদেশের সমর্থকরাই চেয়ে ছিলেন এ টেস্টের পারফরম্যান্সের দিকে। চূড়ান্ত জয় না হোক, অন্তত ছোট লড়াইগুলোতে জিতলেও খুশি তারা। 'এ কারণেই চেয়েছিলাম, বাংলাদেশ যেন ওদের দুই বার অলআউট করতে পারে। এখন হয়তো আর টেস্ট জেতা সম্ভব নয়। ম্যাচে ২০ উইকেট তুলে নেওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু শেবাগ এভাবে ভয় পেলে কিভাবে তা হবে'_তৃপ্তি মেশানো আফসোস নিয়ে বলছিলেন শিবু কুমার। স্টেডিয়ামের পাশে আয়োজিত পূজার আনন্দযজ্ঞ থেকেও সময় বের করে এসে এ তরুণ উঁকি মারছিলেন মাঠে। তখনই তাঁর এ তৃপ্তি মেশানো হাহাকার।
চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ জিতুক আর না জিতুক, অর্জনের খেরোখাতাটি নেহায়েত অল্প নয়। বীরেন্দর শেবাগ, গৌতম গম্ভীর, রাহুল দ্রাবিড়, শচীন টেন্ডুলকার, ভিভিএস লক্ষ্মণ, যুবরাজ সিং, দীনেশ কার্তিক সমৃদ্ধ ব্যাটিংকে এভাবে ভড়কে দেওয়া গেছে; দুই ইনিংস মিলিয়ে প্রাপ্তি ১৮ উইকেট_এও কম কি? তার পরও একটি আফসোস কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে_ইস, আর দুটি উইকেট...!

১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×