জাহাঙ্গীরনগর যেভাবে মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে তা এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের জন্য। সারা বছর জাহাঙ্গীরনগরের মুক্তমঞ্চে নাটক, কবিতা আর গানে দর্শকরা বিনোদন পায়। একসাথে এতগুলো দর্শক বোধ করি বাংলাদেশের আর কোন মঞ্চে দেখা যায়না। সারাবছর সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যমী কর্মীরা যে পরিশ্রম করে নাটক, কবিতা আর গানের আয়োজন করে তাতে তাদের কোন আয় হয়না। বরং প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমান চাঁদা প্রদান করতে হয় সংগঠনকে। এত ত্যাগ এত আয়োজন সব দর্শকদের আনন্দ দেবার জন্য। আর ছাত্রলীগ নামের কুলাঙ্গাররা এই নিষ্ঠাবান সাংস্কৃতিক কর্মীদের নির্মমভাবে পেটালো স্বৈরাচার ভিসির ইশারায়। জাহাঙ্গীরনগরে শিবির বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে যাবতীয় অসঙ্গতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর শক্তিশালী সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটকে বানচাল করার যে পায়তারা করছে ভিসি ও তার পোষা কুত্তারা, তার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান। রুখে দাড়ান ক্যাম্পাসের দাবী আদায়ের জন্য।
আগামীকাল মঙ্গলবার(১লা মে) বিকাল তিনটায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করা হবে। জাহাঙ্গীরনগরের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী সহ সকল বন্ধুদের আহ্বান জানাচ্ছি আমাদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধনে অংশ নেবার জন্য। যে করেই হোক আমাদের আন্দোলন সফল করতে হবে। বন্ধুরা গর্জে ওঠো আরেকবার, যে গর্জন তাড়িয়েছিল শিবিরকে, মানিককে, মোস্তফাকে, সানিকে আর সব অনিয়মকে। আমাদের ক্যাম্পাস আমরাই থাকব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



