বৃটিশ মূলধারার রাজনীতিতে বৃটেনের প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত রুশনারা আলীকে ভবিষতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দাবীদার বলে মনে করছে বৃটেনের প্রভাবশালী রাজনৈতিক পত্রিকা নিউ স্টেটসম্যান। গত সপ্তাহে ম্যাগাজিনটি বৃটেনের ভবিষত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে বেশী সম্ভাবনাময় যে ২০ জন এমপির নাম প্রকাশ করেছে তার মধ্যে বাংলাদেশী অধ্যষিত বো-বেথনাল গ্রীন এলাকার এমপি রুশনারা আলীর স্থান সবার উপরে। রুশনারা আলী এমপি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই স্বীকৃতি আমার নির্বাচনী এলাকা বো-বেথনালগ্রীন বাসীর অর্জন।
“পার্লামেন্টের উদীয়মান তারকা” শীর্ষক প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে অনুর্ধ ৪০ বয়সের ২০ জন এমপির তালিকা দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের উজ্জ্বল রাজনৈতিক ভবিষত রয়েছে। তাদের মধ্য থেকে অনেকেই আগামীতে বৃটেনের মন্ত্রীসভায় স্থান করে নিবেন। এমনকি এদের মধ্য থেকেই বেড়িয়ে আসবেন ভবিষত এর প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, তালিকায় স্থান পাওয়া রুশনারা ছাড়া আরও ৩ জন এশিয়ান এমপি রয়েছেন। গত নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এমপি হয়েছেন ২২৭ জন। নিউ স্টেটসম্যন পত্রিকা এদের সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্য করতে গিয়ে বলা হয়েছে, ২০১০ এর এই নতুন এমপি প্রজন্ম ইতিমধ্যেই প্রমান করেছেন তারা স্বাধীন চেতা এবং রাজনৈতিকভাবে সতর্ক। পাশাপাশি পার্লামেন্টে হুইপকে অগ্রাহ্য করার প্রবনতাও তাদের মাঝে রয়েছে।
প্রতিবেদনে ২০ এমপির পৃথক পৃথক সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরতে গিয়ে ৩৬ বছরা বয়স্ক রুশনারা সম্পর্কে বলা হয়, ২০১০ সালে জর্জ গ্যালওয়ের রেসপেক্টের সমর্থনে ধ্বস নামিয়ে দিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বেথনাল গ্রীন – বো আসন লেবার পার্টির জন্য তিনি পুনরুদ্ধার করেন। বৃটেনের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশী এবং ৩ মুসলিম এমপির একজন রুশনারা আলীর বর্নাঢ্য কর্ম অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।
উল্লেখ্য, টাওয়ার হ্যামলেটের মালবারী স্কুলে লেখাপড়া শেষে অক্সফোর্ড থেকে গ্রাজুয়েশন করা রুশনারা বৃটিশ হোম অফিস, ফরেন অফিস ও আইপিপিআর এ কাজ করেন। এমপি হওয়ার পাচ মাসের মাথায় গত অক্টোবরে তিনি শ্যাডো ডিএফআইডি মিনিষ্টার হিসাবে নিয়োগ পান। এমপি হোয়ার পরও তিনি তার পুরোনো কর্মস্থল “ইয়াং ফাউন্ডেশন” এর ডিরেক্টর হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
Click here

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


