ইন্জিনিয়ার রাজীব হাসান:: মিথ্যা ও হয়রানিমূলক একটি হত্যা মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের ছেলে সাফিয়াত সোবহান সানবীরসহ ৫ আসামি।
বসুন্ধরা গ্রুপের টেলিকমিউনিকেশন ইউনিটের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বিরকে হত্যা করেছে কে তাহলে?
সাব্বির খুন হওয়ার কিছুদিন পর সানবীর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। তৎকালীন বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর তাকে দেশত্যাগে সহায়তা করেছিলেন বলে অভিযোগ আছে।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পর বাবর জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন যে তিনি সানবীরকে খুনের মামলা থেকে বাঁচাতে বসুন্ধরা গ্র“পের মালিকের কাছ থেকে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলা বিচারাধীন। বিচারক কীভাবে ২ জন তরুণীকে ভাসমান পতিতা আখ্যা দেন, কিসের ভিত্তিতে? এ মামলা তো সাব্বির হত্যাকারীদের বিচারের জন্য, পতিতা আখ্যা দেওয়া জন্য নয়।
"প্রত্যক্ষদর্শী দুই সাক্ষী পাপিয়া এবং রাত্রি ভ্রাম্যমান অথবা ভাসমান পতিতা হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ তাঁদেরকে খুজে আদালতে হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছেন।" সুতরাং ব্যর্থতাটা পুরোপুরি রাষ্ট্রের। রায়ে যদি এমন হত " যেহেতু সাক্ষী অনুপস্থিত সেহেতু সাব্বিরকে হত্যা করা হয়নি, তিনি জীবিত আছেন "।
আর "অথবা এই দুই সাক্ষী দরিদ্র বা আত্মম্মানের ভয়ে আদালতে হাজির হননি।" এখানে কারণ আরও থাকতে পারে তাহলো মোটা অংকের অর্থের লেনদেন অথবা প্রাননাশের হুমকি। আদালতের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, মনে হয় বিষয়টি আরেকটু খতিয়ে দেখা যেত।
শকুনে চোখ যদি আর কোন মেয়ের দিকে পরে তাহলে কি আরো কোন সাব্বিরের হত্যার বিচার হবে না ?
ভাবিয়ে তুলে স্বাধীন দেশের বিচার ব্যবস্থা আধও কি থাকবে দু:খে ক্লান্ত মানুষের পাশে।হয়ত কাল বসুন্ধরা গ্রুপে চাকরির অফার পেয়ে ভুলে যাব ন্যায় বিচারের কথা।টাকা তুই পারিস দেখাতে তুর এলপি গ্যাস ও টিসুর থেলা।
হতভাগ্য কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির সাব্বির ,বসুন্ধরা গ্রুপের বাকি সাব্বিরদের কথা হয়ত ২০১১ এর পরে আসবে।বসুন্ধরা গ্রুপের সকল কর্মকর্তাদের জানাই সমবেদনা ।তোমাদের বন্ধু ইহকালে পাবে ন্যায় বিচার।
২০০৬ সালের ৪টা জুলাই রাতে গুলশানের একটি বাড়িতে খুন হন বসুন্ধরা টেলিকমিউনিকেশসন্স নেটওয়ার্ক লিমিটেডের পরিচালক সাব্বির। এর তিন দিন পর নিহতের ভগ্নিপতি এএফএম আসিফ এই হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি)সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট মো. আরমান আলী ২০০৮ সালের ১২ই মে এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগে বলা হয়, গুলশানের ১০৪ নম্বর সড়কে বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন ৩/জি নম্বর বাসার ছাদ থেকে সাব্বিরকে ফেলে দেয়া হয়। গত জানুয়ারিতে সানবীরসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


