প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,
বাংলাদেশ একটি নয়া উপনিবেশিক রাষ্ট্র হওয়ায় এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় যারা আসীন হন তারা সাম্রজ্যবাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাম্রাজ্যবাদী সংগঠন বিশ্বব্যাংকের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন প্রণয়ন করে বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষার কৌশলপত্র। এই কৌশলপত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকারি ভর্তুকি তুলে নেয়া এবং আভ্যন্তরীণ আয়ের খাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় ব্যয় বহনের প্রস্তাব করা হয়েছে। আভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধির অংশ হিসেবে প্রতি সেশনে ২৫%-৩০% হারে বেতন ফি বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান শিক্ষানীতির মাধ্যমেও এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে সাম্রাজ্যবাদের দালাল গোষ্ঠী। শিক্ষা ব্যবস্থা রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। শিক্ষা ব্যবস্থার এই সংকট নিরসনের জন্য প্রয়োজন জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে অগ্রসর করা।
আলোচনা সভার পর কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে রিয়াজ মোহাম্মদ খানকে সভাপতি ও যোগেশ দাসকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি রেজাউর রহমান রানা ও প্রদীপ দত্ত, সহ-সাধারণ সম্পাদক মিঠুন গোস্বামী ও সৈকত শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক অনিক দাস, অর্থ সম্পাদক কংকন দাশ, প্রচার সম্পাদক এস. আর. সজীব, দপ্তর সম্পাদক আক্তার হোসেন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব দাশ, পাঠচক্র সম্পাদক জাহিদ হাসান, সম্মানিত সদস্য অঞ্জন সিনহা, সদস্যবৃন্দ হলেন রায়হান আমিন, দেবাশীষ লস্কর, উজ্জ্বল রবি দাস, মাইকেল দান্দালী, এখলাস মিয়া, মাজহারুল হক এবং মুরাদ প্রমুখ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


