somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিশকংলঙ্খ প্রেমের সমাধী

০১ লা জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৪তে পদার্পন, যৌবনের মানে বুঝিনা
প্রেম মানে বুঝি, কারো জন্য হৃদয়ের মনি কুঠায়
বসত তৈরী করা। কান্না, হাসি, সুখ-দুঃখে নিজেক জরিয়ে নেয়া।
সুন্দরী ললনা, বদরুন নেসা খাঁনম
ক্লাসরুমে চেয়ে থাকি তার দিকে, অপলক দৃষ্টিতে
কোন্ মায়া জ্বালে, কিসের বন্ধনে তাতো জানিনা।
পরিশেষে দারিদ্রতার বেরাজ্বালে নিজেক সামলিয়ে
কষ্টের প্রথম পাহাড় তৈরী, অপরাজিত সৈনিক
অতপরঃ প্রথম প্রেমের সমাধি।

১৬তে কিশোর মন, জিবনের নতুন পদার্পন
কাশেম বিনের প্রেমের গণ্প পড়া, প্রেমর ছবি দেখা
এসব যথন নেশা, অতপরঃ পল্পের বই নিয়ে বসে থাকা রাত বিরাতে।
সুন্দরী শারমিন সুলতনার উপহার দেয়া সেই উপন্যাস
ভেতরে পেলাপের পাপড়ীর মিশ্রিত কাগজের চিরিকুট যেখানে লিথা ছিল
বিখ্যাত সেই দুটি লাইন “একাকি নিরালায় ভাবি শুধু তোমায়
কত যে ভালোবাসি কি করে বলি তোমায়” অতপর প্রেমে পড়া
কিন্তু আমিত প্রতিষ্টিত নই, নিজের পায়ে দাড়াতে শিখিনি
পারিবারিক দেয়ালে স্পষ্ঠ করে লেখা ছিল - প্রেম করা অপরাধ
অতপরঃ প্রেমিকার চলে যাওয়া, কাঁদিতে কাঁদিতে পেছন দিকে ছেয়ে থাকা
কষ্টের দ্বিতীয় পাহাড় তৈরী, দ্বিতীয় প্রেমের সমাধি।

১৭তে প্রতিবেশীর শাহজাহান চাচার বাড়ীতে বেড়াতে আসা হোসনা আক্তার (মলি)
সেও নাকী করবে আমায় বলি, বলল ভাই আপনি একদিন অনেক বড় হবেন
দেশে ফিরে প্রায় চিঠি লিখতো, চিঠির ভাষায় বুঝা গেল ভাল বাসে সে আমায়
আর কত দাগ কাটবো মনে?. এ যে মাঠির তৈরী
তবে কেন জানি না পরিশেষে তাকেও ভালো লাগলো
কিন্তু সে ময়মনসিংহ শেরপুর, আমি থাকি শ্রীমঙ্গল,
দুরত্বটা এমনই ছিল যে চিঠির সাথে প্রেম ছাড়া কোন উপায় ছিলনা
বার বার ”তুমি একদিন অনেক বড় হবে” এই কথাটি মনে পড়তো
বলতাম আমিতো এখন অনেক বড় হয়েছি, আর কত বড় হলে তুমাকে পাবো?
নদীর শ্রোতের মত ভাসিয়ে নিয়ে গেল মলিকে, আমার জীবন থেকে অনেক দুড়েে,
আজ সে কোথায় আছে, কেমন আছে জানি না।
আমি আজও তাকে খুজি, এই ডিজিটাল জগতে
সে কোথায় আছে, আমায় কি তার মনে পড়ে.....।

১৮ তে ব্যবসায়ী, হাতে টাকা, পকেট ভারী
ছলনাময়ীদের আনাঘোনা
জালালিয়া রোডের মনি, আমি নাকি দেখতে খুবই সম্পার্ট, সুন্দর
অতপঃ প্রেমের প্রস্তাব, শ্রীমঙ্গলের শ্যামলি নামক স্খানে
প্রেম আমি কবর নাকো, থাওয়াব কি? পড়াব কি?
আমার বলতে আমি আছি, আর কিছুতো নাইকো আমার
মনির সেই ডায়লগটা আমার আজও মরে পড়ে
বাংলা সিনেমার নায়িকাদের ভুমিকায় বলল-
“আমি এ পৃথীবিতে কিছু ছাইনা, তুমি ছাড়া, ভালবেসে তোমায় নিয়ে গাছের নিছে করব বসবাস” অথচঃ আবার স্বপ্ন দেখা, প্রেমের বাজারে সদাই শুরু
প্রেমিকা মনির চাওয়া পাওয়া বিশাল, চাহিদা অপরিসীম
যুবতি মনি ডুব দিতে চায় যৌবন সাগরে,
কিন্তু আমি যে অবুঝ,
চাওয়া পাওয়া ভিন্ন মতবাদী, প্রেমিকাকে চুম দিতে লজ্জায় লাল আমি!
সাহস ছিলনা ওর যৌবন সাগরে ডুব দেওয়ার,
প্রেমিকা মনি আমার ভালবাসায় মুগ্ধ হয়ে নীতিবান হয়ে উঠে।
প্রান প্রিয় বন্ধু সায়েদ, মিশন রোডের সেই বাসায়
আমার সোনা মনিকে নিয়ে, নিশকলংখ, অবুঝ ভালবাসার সময় পার
বন্ধুর সায়েদের প্রতি সহানোভুতি দেখিয়ে মনি ধর্মের ভাই বলে সম্মোধন করল।
একদিন আমার বাড়ি যেতে চায়, আমার মা-বাবাকে দেখতে চায় মনি
বাবা-মা ছেলের প্রানের মনিকাকে পেয়ে মহা খুশি!
খুশি হলনা মনি! গ্রামের বাড়ির সাধারন ঘর-বাড়ি মনির ভাল লাগেনি
মনির ভালবাসার দেয়ালে তীর ছুড়ল সায়েদ, তুমিতো শহরের মেয়েগো
এই পরিবেশে তুমি কি ভাবে থাকবে ? অতপরঃ মনির নাকোচতা
বান্দবীর বরাত দিয়ে জানিয়ে দিল, সে আমার সাথে আর.....
কি করব আমি ভেবে পাইনি, মদ গাঁজা খাওয়া শিখিন তখনও
আত্না হত্যা করব কি? বন্দু থয়রুল সারাক্ষর সান্তনা দিয়ে বাছিয়ে রেখেছে
চোখের সামনে দিয়ে বন্ধু সায়েদ/বেইমান সায়েদের মনিকে নিয়ে প্রেম খেলা
এ দৃ্শ্ব দেখার কষ্টের মাত্রা কি, শুধুমাত্র তারাই জানে যাদের জীবনে এসছিল এ ঝ্বর
আমি নিজেকে কি ভাবে সামলিয়ে নিয়েছিলাম জানিনা।
একদিন শুনলাম মনি আর সায়েদ পালিয়ে বিয়ে করেছে, আসমানটা যেন ভেঙ্গে আমার মাথায় পড়ল
কিন্তু আমি কেন জানি এত অসহায় ছিলাম।
সায়েদের উপর চড়াও না হয়ে মনির উপর অনেক অভিমান হল আমার,
আরে আমার যে সে যদি ছলে যায়, আমি অন্যকে কেন টানবো
আবরও কান্না, নিরব কান্না, নৈপথ্যের কালো ঝর আমাকে ভেঙ্গে ছারকার করে দিচ্ছে
আজ সায়েদ মনির ধর্মের ভাই থেকে মানির ছেলে মেয়ের বাবা,
ছি, ছি এই দুনিয়ার বন্ধুত্বের বন্ধনাকে, ভা্বতেও বুক ফেটে যায়, কিন্তু এ্টাই যে বাস্তব।


চলবে.......
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সবাই জামাতের পক্ষে জিকির ধরুন, জামাত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে!

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩১



চলছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা, তুমুল লড়াই হচ্ছে জামাত ও বিএনপির মধ্যে কোথাও জামাত এগিয়ে আবার কোথাও বিএনপি এগিয়ে। কে হতে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ সরকার- জামাত না... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচন তাহলে হয়েই গেল

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:১৬


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ২৯৯টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত বেসরকারি ফলাফলে ১৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে দলটির প্রার্থীরা।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ৫৬টি আসনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেটিকুলাস ডিজাইনের নির্বাচন কেমন হলো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৪


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ২১৩ আসনে জয়ী হয়েছে। তবে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ভালো ফলাফল করেছে জামায়াত ! এগারো দলীয় জোট প্রায় ৭৬ টি আসনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ চুরান্ত লজ্জার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



অনেক জল্পনা কল্পনার পর শেষ পর্যন্ত বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় হয়েছে- এ যাত্রায় দেশ চুরান্ত লজ্জার হাত থেকে বেঁচে গেলো। চারিদিকে যা শুরু হয়েছিলো (জামাতের তাণ্ডব) তা দেখে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০ বছর সামহোয়্যারইন ব্লগে: লেখক না হয়েও টিকে থাকা এক ব্লগারের কাহিনি B-)

লিখেছেন নতুন, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪২



২০২৬ সালে আরেকটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেগেছে একটু আগে।

ব্লগার হিসেবে ২০ বছর পূর্ন হয়ে গেছে। :-B

পোস্ট করেছি: ৩৫০টি
মন্তব্য করেছি: ২৭০৭২টি
মন্তব্য পেয়েছি: ৮৬৬৭টি
ব্লগ লিখেছি: ২০ বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×