মানিব্যাগের স্বাস্থ্য খুবই খারাপ। এতে া ডাক্তার দেখালাম কোন ফল হচ্ছে না। কয়েকদিন ভালো থাকার পর আবার আগের অবস্থা। আমার মানিব্যাগের পারিবারিক ডাক্তার আব্বা হুজুর। তিনি চিকিৎসা দিিেছলেন এ মাসের শুরুতে। 10 দিন স্বাস্থ্যটা একটু ভালো ছিলো। তারপর আবার অসুস্থ্য মানিব্যাগ। ওরে নিয়ে আবার আমি চিন্তিত। এরই মধ্যে 2 দিন আগে এক বড় ভাই বললেন, চিন্তা করিস না। 21 তারিখে বিল পেয়ে যাবো। আবার এক ছোট বোনটিও বললো, ভাইয়া নো টেনশন। 21 তারিখের মধ্যে বাড়ি েথেকে টাকা আসবে। ওদের ভরসায় এ কদিন বেশ নিশ্চিন্তই ছিলাম। কিন্তু গতকাল রাত েথেকে আবার ডাইরিয়া শুরু হয়েছে আমার মানিব্যাগের। 20 তারিখ অবরোধ আর পরদিন হরতাল ডেকেছেন আমাদের 14 দল।সুতরাং 24 তারিখের আগে টাকা পাচ্ছেন না সেই ভাই আর বোনটি। ওরা তো বটেই আমি নিজেও মানিব্যাগসহ আবার পড়লাম বিপদে। বাকী কদিন কি করে চলবো বুঝতে পারছিনা।
এতো আমাদের কজনের খাওয়া না খাওয়ার প্রশ্ন। এরকম আরো কোটি কোটি মানুষ আবার পড়লেন হরতালের গ্যাঁড়াকলে। বিশেষ করে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষগুলো। আমাদের রক্ত শোষন করে খাওয়া এই রাজনীতিবিদদের কারণে আর কতোবার আমরা না খেয়ে থাকবো?
কি হলো আপনাদের এতো হরতাল করে? লাভ অবশ্য আপনাদেরই। বিরোধীদলের লাভ পুলিশের মার খেয়ে মন্ত্রী-এমপি হবার টিকিট পাবার ক্ষেত্রে কয়েক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। আর সরকারী দলের লাভ বিরোধী দলে থাকার সময় খাওয়া পুলিশের মারগুলো ফিরিয়ে দেওয়া। রাজনীতির অঙ্ক তো আপনাদের ভাল্লোই জানা আছে। 5 বছর পর পর হাত বদল, চেয়ার বদল, ক্ষমতা বদল। সেই সঙ্গে লুটেপুটে খাবার কৌশল বদল। সবই তো আপনাদের। আমরা তো ছাগলের তৃতীয় বাচ্চা। ক্ষমতা তো আপনারা পাচ্ছেনই নির্দিষ্ট সময় পর পরই। দয়া করে 5 বছর করে অভুক্ত থেকে পরের 5 বছর খেয়ে নেন পেট পুরে। তবু আমাদের আর প্রতিনিয়ত অভুক্ত রাইখেন না। প্লিজ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


