লিখলাম একখান জিনিস…..?
যদি ভাল লাগে তাহলে পইড়েন..R যদি ভাল না লাগে তাহলেও বইলেন…
কারন….>
বিষয়টা একদম পার্সনালি
*“অস্পষ্ট ভাবে দুরে ’কি” তা, দেখার চাইতে কাছের জিনিস দেখাই আমাদের প্রয়োজন ।
*আমরা গতকালের গুড়ের কথা ভেবে অস্তির হই, আগামীকালের গুড়ের জন্য দুর্ভাবনায় কষ্ট পাই, কিন্তু আজকের গুড় নিয়ে মোটা করে রুটিতে মাখাবার কথা ভুলে যাই।
*পাহাড়ের জন্তিরা রাত্রি , ঝড় এবং ক্ষুধাকে শান্ত ভাবেই গ্রহন করে , তাই তাদের মন চিন্তায় ভেঙ্গে পড়ে না এবং পেটে আলসার হয় না।
*“কাল কি হবে” সে চিন্তা ছেড়ে দাও কালকের উপর, আজকের অনেক কাজ করার আছে ।
* কালকের জন্য পরিকল্পনা করবেন “দুশ্চিন্তা নয়।
* ভবিষৎ বা আগামীকালের বোঝা অতীতের বোঝার সঙ্গে মিলে আজকের বোঝা সবচেয়ে বড় হয়ে দাড়ায়।
*“ফুল চিরদিন ফুটন্ত থাকেনা একদিন ঝরে পড়বেই” সুতরাং মেয়েদের রুপ নিয়ে এবং ছেলেদের বিত্ত নিয়ে অহংকার করতে নেই।
*ভবিষৎতের জন্য প্রস্তুত হবার একমাত্র উপায় হলো -শক্তি,বুদ্ধি,আগ্রহ নিয়ে আজকের কাজ করা।
* আমরা ইচ্ছে করলেও যেমন একিই সঙ্গে দু’ঠি স্বপ্ন দেখতে পারিনা তেমনি একটির বেশী কাজ একসঙ্গে করা উচিত নয়। যদি একসঙ্গে বেশী কাজ করি তাহলে শরীর,মন ভেঙ্গে পড়ে।
* সুখী লোক তাকেই বলে , যে বলতে পারে “ আজ বেচেছি এটাই যথেষ্ট”। কাল আমার ভাগ্যে দুর্যোগের ঘন অন্ধকার আসে আসুক, আজ সে জন্য ভয় পাব না।
*আমরা সর্বদাই দিগন্তের ওপারে এক মায়া- গোলাপ বাগানের স্বপ্ন দেখি, কিন্তু আমাদের জানালার পাশেই যে অজস্র গোলাপ ফুঠে রয়েছে তা, দেখতে ভুলে যাই।
* গতকাল তো স্বপ্ন, , আগামীকাল তো অনাগত, কিন্তু আজ যদি ভাল ভাবে বাচা যায় তাহলে গতকালগুলো সুখের স্বপ্ন হয়ে দেখা দেয় এবং আগামীকালগুলো আশার হয়ে উঠে।
* আল্লাহ আজকের দিন তৈরি করেছেন এজন্য আনন্দোৎসব করি।
* চরম সংকটকে গ্রহন করতে পারলে সত্যিকারের মানষিক শান্তি আসে।
* গতকাল অনেক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। আগামীকাল এরচেয়ে চরম কিছু ঘটতে পারে কিন্তু আজকের দিনতো নিরাপদ, সুতরাং আগামীর চিন্তা না করে আজকের কাজগুলো নিশ্চিন্তে করে যাই।
* ঘটনা যখন নিশ্চিতভাবে ঘটবেই তাহলে এটাকে স্বাভাবিক ভাবেই গ্রহন করুন। তারপর শান্ত ভাবে চিন্তা করুন, সবচেয়ে খারাপ অবস্থা থেকে কিভাবে উন্নতি করা সম্ভব।
*জীবনকে সহজ করে তুলে ৪টি জিনিস। ধর্ম , ঘুম , সংগীত এবং হাসি।
*দু:শ্চিন্তা ফোটা ফোটা পানির মত, ক্রমাগত দুশ্চিন্তা করলে লোকেরা পাগল হয়ে যায়।
*একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চিন্তা করা ভাল কিন্তু এরচেয়ে বেশী যদি চিন্তা করা হয় তাহলে গোলযোগ শুরু হয়। এই অবন্থায় নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর লিখুন কলম দিয়ে।
(১) ঠিক কেন আমি দুশ্চিন্তা করছি (২) আমি এ ব্যাপারে কি করতে পারি (৩) আমি যা, করতে যাচ্ছি (৪) কখন এ ব্যাপারে কাজ শুরু করবো।
*পরিকল্পনার সঙ্গে কাজ শুরু করলে দুশ্চিন্তা দুর হয়ে যায়।
*দুঃখ পাবার আসল রহস্য হলো আমি “ দুঃখী না সুখী” এই কথাটা ভাববার মত সময় থাকাটা।
* দুশ্চিন্তা দুর করার এক নম্বর উপায় হলো “ ব্যস্ত থাকুন ”।
* তোমার চারিদিকের মানুষ যখন মাথা খারাপ করে , তোমাকে তার জন্য দোষারোপ করে , তখন তোমার মাথা ঠিক রাখবার ক্ষমতা থাকাই চাই।
*যে কোন দুর্দশার পর সেটাকে মেনে নেয়াটাই দুর্দশা এড়াবার প্রথম কাজ।
*অতীত কখনোই ফিরে আসবে না, তাই অতীত সম্পর্কে শোক করার কোন মানে হয় না।
* কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায় যদি সেটা শান্ত ভাবে গ্রহন করা যায়।
* আমার যদি সমস্ত টাকাই ক্ষতি হয় তাহলেও আমি দুশ্চিন্তা করবো না কারন তাতে কোন লাভ নেই । দুশ্চিন্তা আমার টাকা ফেরত দেবে না। ভাল ভাবে কাজ করে যাব, বাকীটা ছেড়ে দেব আল্লাহর উপর।
* বিশজন লোককে শিখানো সম্ভব কিন্তু বিশজনের একজন হয়ে সেটা পালন করা খুবই কঠিন।
*“গতস্য শোচনা নাস্তি”। সেতু যতক্ষণ না আসে ততক্ষণ সেটা পার হওয়ার চিন্তা করা বোকামী।
* রাজার সমস্ত ঘোড়া এবং সৈন্য অতীতকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না এবং আগামী দিনেও যেতে পারবে না। তাহলে অতীত এবং আগামীর কথা চিন্তা করে আজকের দিনকে নষ্ট করছি কেন।
* দুশ্চিন্তার মানে হলো, পাগল হওয়া এবং অর্থহীন ঘুরপাক খাওয়া।
* সবার সম্বিলিত কান্নাতেও হারিয়ে যাওয়া দিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
*আশ্রয় দিতে না পারলে কাউকে অহেতুক স্বপ্ন দেখিয়ে প্রশ্রয় দেয়া উচিত না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


