রঙ তারপিনে মিশলেই লোপ হয় যে ঘনত্বের
সেই গুণ হারালেই রঙ পায় ঘর চমকের কাজ
অশ্রুর পতনের পর – কষ্টের অবিরাম হাত
নিশ্চুপ করে প্রস্থান, বুক ভার নেমে উদ্ভাস
পর্যাপ্ত সুখের ক্ষণ...
বন্যার্ত জমিনের উর্বর যেই মৃত্তিকা দলদল-
কর্দম হয়ে হাসফাঁস খুব করছিল শুষ্কের
দর্শন পেতে বারবার। রোদ মিশ্রণে কর্দম
সুখ হয় কৃষকের যেই, হুটহাট পৃথিবীর বুক
স্বস্তির ফেলে নিঃশ্বাস।
দিন রাত হলে করবেই উৎসব জোনাকির দল
আলপথ আলোময় আহ্! রাত্রির চোখে আফতাব
নক্ষত্র অবুঝ হয় – যেই, ফুল ফোটে রাত্রির
রাত নামলে মিনার হয় দর্শক নিশাচর চুপ
ঘুমহীন সাধকের চোখ বন্ধন খুলে ইশকের
সাক্ষাত খুঁজে নিশ্চল ধুকপুক করে অন্তর
মৌ-ময় পৃথিবীর সব।
বীজ মিশলে মাটির হয় সৃষ্টির নেশা সম্ভব
জন্মের ক্ষুধা পায় ক্ষেত মুক্তির আশা খাদ্যের
প্রেমহীন কোন সৃষ্টির প্রাণ নেই বলে প্রেম হয়-
তাই সব প্রেমিকের ঘর – বৃক্ষের কিবা চিত্তের
সত্তার মিলনেই হয় – সৃষ্টির যত উল্লাস
আত্মার বিলিনেই সব ইশকের মায়া সংসার
আর নয় কিছু চিন্তার...
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




