সচেতস হওয়ার মত সময় দেশের সাধারন মানুষের কাছে কোথায়? ঘুম থেকে উঠেই.. কোনোরকমে নাস্তা খেয়ে অফিসের জন্য বাসের অপেক্ষায় রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতে হয়। অধিকাংস লোকাল বাসই এখন 'সিটিং' করে ফেলার ফাজলামিতে ব্যস্ত (দেখার কেউ নেই)। বাসের বদলে সিএনজি টঅক্সতে উঠবেন? সে আশায় গুড়েবালি, আপনি 'বাবা' বলে ডাকলেও তাদের দয়া হবে নাঅ ফিরেও তাকাবেনা, এই অধমদের দিকে কেন? তাও দেখার কেউ নেই। অনেক কষ্টে, আশ পাশের লোককে ধাক্কা দিয়ে কোনো রকমে একটি বাসে উঠে পরতে হয়। তারপর শুরু হয়, ভাড়া নিয়ে বিবাদ। প্রতিদিনই কোনো না কোনো অজুহাতে বাস ভাড়া বেড়েই চলেছে। ২/৩ টাকার ভাড়া ১০ টাকাও হয়ে গেছে (দেখার কেউ নেই)। একটা সহজ কথা কেউ বলে না, তেল বা গ্যাসের দাম বাড়লেও দুরত্ব কিন্তু একই আছে। সেটা কিন্তু বাড়েনি। ৩০-৪০ মিনিটের পথ পার হতে লাগে ১-২ ঘণ্টা। কেন? তাও দেখার কেউ নেই। অফিস থেকে ফেরার পথে বাজারে ঢুকলেও সেই একই অবস্থা। প্রতিদিনই কোনো না কোনো বায়বীয় কারণে বেড়েই চলেছে শাক-সবজি থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। দেখার কেউ নেই। এমন হাজারো সমসস্যার মধ্য দিয়ে চলছে সাধারন মানুষ। সচেতন হওয়ার সময় কই??
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।