পি এইচ সি একটি সাধারণ থিম। সমস্যা সমাধানে খুব জটিল কোন পদ্ধতির কথা বলবো না। একদম সিম্পলি চিন্তা করছি। এবং যারা সমস্যার সমাধান চান তারাও যদি সাধারণ ভাবে ভাবেন এর সমাধান সহজ। কাজ অনেক। শুধুমাত্র সিস্টেম স্বচ্ছ হলেই ভাল মানসিকতা সম্পন্ন লোকদেরকে একত্রিত করা যায়। একটা এলাকায় কয়েকহাজার মানুষকে পাওয়া সম্ভব যদি তারা নিশ্চিত হয় যে তাদের টাকা আত্মসাত হবে না এবং মানবতার সেবায় ব্যয় করা হবে, যথাযথভাবে এবং কার্যকরভাবে। তবে এই কয়েকহাজার ব্যক্তি কিছু অর্থ কিছু সময় কিছু শ্রম অবশ্যই দিবে। তাদের এই সামান্য অবদান সম্মিলিত হয়ে বৃহত্তম মানবকল্যাণে অবদান রাখবে। যা আমরা এখন কল্পনাও করতে পারছিনা।
হয়তো বিদেশ নির্ভর হওয়াও প্রয়োজন হবে না। যদি তারা কোন ডোনেট করে স্বচ্ছ ভাবে ভাল কথা। কিন্তু এনজিও গুলো তাদের যেমন ফর্মালিটি নিয়ে বিদেশী ফান্ড নিচ্ছে তা করতে আমরা যাব না। আই এম এফ আর বিশ্ব ব্যাংকের অনেক টাকা আছে। তাদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তার ওদের শর্ত পুরণ করতে করতে আজও বাংলাদেশ ঋন মুক্ত হতে পারেনি।
একজন লোক ১ লক্ষ টাকা স্যালারি পায়। তার ওয়াইফ সিংগাপুর ছাড়া মার্কেটিং করেনা। শেরাটনে ছাড়া লাঞ্চ করেনা। তার টাকা পয়সার আরো অভাব তাই সে ১২ লক্ষ টাকা ঘুষ খেতে হয়। তবুও তার আরো অভাব। আরেকজন ১০ হাজার দিয়েই পরিবার চালায় আর্ত মানবতার সেবায় দান করে। আমরা এই দ্বিতীয় প্রকার লোকই হতে হবে।
পরের ভরসা করবো কেন। এই ঢাকার কথাই বলি , হয়তো অনেক সিনেমা হল আছে। যদি ২০টা হয়। প্রতিটাতে অন্তত ২০০ জন দর্শক প্রতিদিন। ৫০ টাকা করে টিকেট। তাবে ২০ * ৫০০ * ৬০ * ৩০ = ৯০,০০০০০ লক্ষ টাকা। এটা দিয়ে ঐরকম ছবির কটা মেয়েকে পুনর্বাসন করা সম্ভব? কেউ বলবে আরে এই পুনর্বাসনের জন্য শিল্প কি বাদ যাবে। ব্যাপারটাতো এরকম যে চুরি ডাকাতি না থাকলে জজ ও হাকিমদের যে চাকুরী থাকবে না। সে জন্য চুরি ডাকাতি জিইয়ে রাখা হোক। তবে ৯০লক্ষ টাকা কেন। যিনি ছবি ৯টা দেখতেন তিনি ৪টা দেখুন। অথবা সিম্পল টিভি নাটক দেখুন। তাহলে আমাদের আরো ৫লক্ষ টাকা থেকে যাচ্ছে। বিনোদন আর শিল্পটাও বাদ গেল না।
এটা একটা খাত। সব খাত থেকে একজন চাকুরীজীবি যিনি ১০০০০ টাকা পাচ্ছেন। তিনি ১০০টাকা দিলেন, ৫০টাক দিলেন বা ২০০ বা ৫০০ দিলেন। এতে কি তার কমে গেল। যদি এটাকায় রাস্তার হিরোইন খোরদের পুনর্বাসন করা যায় তারা আপনার মেয়ের চেইন ধরে টান দিবেনা অথবা মোবাইলটা হাইজাক করবে না। চরম অর্থ কষ্টে ওরা সিরিয়াস হয়।। অর্থাৎ এখন অনেক ক্ষতিই একসাথে হচ্ছে, জীবনও দিতে হচ্ছে। অথচ এই ভুখা নাংগা মানুষ কিংবা চোর বদমাশরা অর্থ নীতিতে অবদান রাখতে পারে। (কিছু ব্যতিক্রম থাকবেন) ওরা কেন শীতে বর্ষায় এর ভিজবে। স্থানের তো আসলেই অভাব নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


