somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশের বিজয় খুশিতে নেই বিএনপি, তবে কী পাকি বিজয়ের পথ চেয়ে?

১১ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এবার বিজয় মিছিলেও রাজপথে নামেননি বিএনপির সিনিয়র নেতারা। গত দুমাস ধরে চলা কর্মসূচিতে তাদের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। অনেকের প্রত্যাশা ছিল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে না নামলেও, মঙ্গলবার বিশ্বকাপ ক্রিকেট জয়ে কেন্দ্রের ঘোষিত বিজয় মিছিলে রাজপথে নামবেন সিনিয়র নেতারা। কিন্তু তারা সবাইকে হতাশ করেছেন। হরতাল-অবরোধের কর্মসূচির মতো বিজয় মিছিলেও ছিলেন অনুপস্থিত। এতে দলের হাইকমান্ড সিনিয়র নেতাদের ওপর চরম ক্ষুব্ধ।
মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, হরতাল-অবরোধের সিনিয়র নেতারা রাজপথে না থাকায় কর্মীরা সাহস হারিয়ে ফেলছেন। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে দলের চেয়ারপারসন তাদের রাজপথে নামাতে চলমান কর্মসূচির সঙ্গে নানা বিষয় যোগ করেন। এরই অংশ হিসেবে হরতাল-অবরোধের সঙ্গে বিক্ষোভ বা গণমিছিলের মতো কর্মসূচি নেয়া হয়। যাতে সিনিয়র নেতারা রাজপথে সক্রিয় হন। কিন্তু গত দুই সপ্তাহে চারটির বেশি মিছিল কর্মসূচি পালিত হলেও এগুলোতে কেন্দ্রীয় ও মহানগরের সিনিয়র কোনো নেতাকে দেখা যায়নি।
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের বিজয়ে পূর্বনির্ধারিত হরতাল কর্মসূচি শিথিল করা হয়। নেতাকর্মীরা যাতে রাজপথে নামতে পারেন সে কৌশলের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয় বিজয় মিছিল। ঢাকার বাইরে প্রায় সব জেলা/উপজেলা শহরে বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওইসব মিছিলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকাতেও বিজয় মিছিল বের করা হয়। তবে ওইসব মিছিলে স্থানীয় নেতাকর্মীই অংশ নেন। কেন্দ্রীয় বা মহানগর আহ্বায়ক কমিটির কোনো সদস্যকেও মিছিলে দেখা যায়নি।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দলের হাইকমান্ডের নেয়া এই কৌশলকেও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হল সিনিয়র নেতারা। বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তাদের সরব উপস্থিতি পরবর্তী সময় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে সহায়ক হতো। মিছিলে অংশ নেয়ার পর আইনশৃংখলা বাহিনী ইচ্ছা করলেও তাদের আটক করতে পারত না। যদিও আটকও করা হতো তা দলের পক্ষেই যেত। সিনিয়র নেতারা বিজয় মিছিলে অংশ না নেয়ায় মাঠপর্যায়ের সক্রিয় নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করেন অনেকে।
জানতে চাইলে বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কেন্দ্রীয় ও মহানগরের কয়েকজন নেতা আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে সরকার মরিয়া। প্রকাশ্যে মিছিল করা বা চলাফেরা না করতে দলের হাইকমান্ড থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এদের বাইরে যেসব কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতা রয়েছেন তাদের মিছিলে অংশ নেয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
সুত্র
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?

চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×