তোর সাথে আমার পরিচয়ের শুরু অনলাইনের মাধ্যমে। সেই পরিচয়ের সম্বোধনের মাধ্যম ছিলো আপনি। তারপর একসময় তুই-ই আমাকে আরো কাছের সম্বোধনে টেনে তুমি বলে বরণ করে নিলি। নিয়মিত চলতে থাকলো ইমেইল আদান প্রদান। অতঃপর নদীর স্রোত বুঝি আরো বয়ে যাই। সম্বোধনের স্রোত উপচে পড়ে আরো নিবিড়তার অনুকুল নীড়ে। সম্বোধন হলো তুই। কতো বিষয় নিয়েই যে চলতো ইমেইলের আদান প্রদান। একবার ঈদের আগে তুই জানালি আমাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানাবি। ঈদের সময়টাতেই তুই অসুস্থ হয়ে পড়লি। এর কারনে ফোন করতে পারিস নি। কিন্তু তুই কি জানিস আমি এখনো অপেক্ষা করে থাকি তোর ফোনের জন্য। আমর মোবাইলে আননোন নাম্বারগুলোর জন্য একটা আলাদা রিংটোন আছে। যখনই সেই রিংটোনটা বাজে তখনই মনে হয় তুই ফোন করেছিস। কিন্তু প্রতিবারই নির্জরের স্বপ্নভঙ্গ হয়। তোর ফোন আমি এখনো পাইনি। অনেক দিন হলো তুই মেইল করাও বন্ধ করে দিয়েছিস। আমি তোকে বেশ কয়েকটি মেইল করার পরও তুই মেইল করেছিস না। জানিনা তোর কি হয়েছে। তবে আমার জন্য এটি খুবই কষ্টকর।
রেতুরে ,জানি তুই সেই সুদুরের আমেরিকাতে থেকে উজ্জ্বল স্বপ্নের প্রতিধধনি শুনছিস। আমার কথা কি তোর মনে পড়ে ? মনে পড়লে মেইল করছিস না কেন ? আমি তো প্রতিবার মেইল চেক করার সময় তোর মেইল পাবার প্রত্যাশা করি।
কিন্তসেই মেইল আর পাইনা ।
রেতু তোকে মাঝেমধ্যে আমার বিভিন্ন লেখা পাঠাতাম। লেখা পড়ে তুই নান ধরনের মন্তব্য করতি। একবার এক লেখা পড়ে তুই মেইল করলি আমি নাকি অনেক কঠিন শব্দে লেখা সাজাই । এজন্য নাকি তোর বাংলা ডিকশনারি নিয়ে বসতে হয়। তোর কি মনে পড়ে সেই মেইল গুলোর কথা ?
নাকি ভুলেই গিয়েছিস ?
আমারতো সব মনে পড়েরে রেতু,সব মনে পড়ে.....।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০