somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আড়ংরা আমাদের নিয়ে এভাবেই খেলছে এবং খেলবে

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আড়ং এর ছবি নিয়ে দেখছি ফেসবুক ও ব্লগ সরগরম। তবে আমি খুব একটা আশ্চর্য হয়নি আড়ং এর এ ধরণের মার্কেটিং দেখে। সারা দেশ যখন বন্যায় ভেসে যাচ্ছে, বন্যার্তরা দিনে হয়ত একটি রুটিও পাচ্ছে না, তখন আড়ং এর পোশাক পড়ে বন্যার পানিতে দাঁড়িয়ে পোজ দিচ্ছে কিছু মডেল।

কিন্তু বন্যার সময় এ ধরণের ছবি দেয়ার কি কারণ থাকতে পারে তা কি আমরা কেও ভেবে চেখেছি? মনে হয় না।
আমি মার্কেটিংর ছাত্র না। প্রথাগত ভাবে আমার মার্কেটিং র কোন নলেজ নেই। তারপরও খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে মার্কেটিং দু ধরণের।
Positive marketing
Negative marketing.


পজিটিভ মার্কেটিং কে প্রচলিত ধারার মার্কেটিং বলা যেতে পারে। আমরা চার পাশে যে ধরণের মার্কেটিং দেখি তাই মূলত পজিটিভ মার্কেটিং। এতে খুব একটা বিতর্ক সৃষ্টি হয় না।

আর অপরটি নেগেটিভ মার্কেটিং।
সহজ কথায় এটি হচ্ছে বিতর্ক সৃষ্টি করার মাধ্যমে মার্কেটে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করা। বিতর্ক যত বেশি হতে তাতে তাদের তত লাভ। কারণ যে ছবি হয়ত কেও লক্ষও করত না, তা এখন সবাই দেখবে। এ নিয়ে স্ট্যাটাস দিবে, স্ট্যাটাস ভাল হলে তা অনেক শেয়ার হবে, ব্লগে হিটের ঝড় উঠবে। সবাই একে নেতিবাচক হিসেবেই লিখবে।কিন্তু আখেরে গোছাবে সেই আড়ং কোম্পানি।



আপনি কি মনে করেন যে আড়ং জানত না যে এটি সমালোচনার ঝড় তুলবে। তারা খুব ভাল করেই জানত। এবং জেনে শুনে বুঝেই তারা এক কাজ টি করেছে। কারণ যত বিতর্ক তত প্রফিট। কারণ কে না জানে মানুষের বিতর্কিত বিষয় নিয়ে আমরা বেশি আগ্রহী।


অথচ এ কাজ টি যদি কোন ছোট কোম্পানি করত তাহলে তার লালবাতিই জ্বলত। কারণ তারা এ ধরণের সমালোচনা উতরে উঠার মত পুঁজি কিংবা মেধা কোনটিই তাদের থাকে না।
আমি বাজি ধরে বলতে পারি যে এবার ঈদে আড়ং এর বাণিজ্য আরও ভাল হবে। যারা আড়ং কে গালি দিচ্ছেন তারাই যাবেন উত্তরা কিংবা আসাদগেটের সুবিশাল পরিসরে। গার্লফ্রেন্ড কিংবা স্ত্রীর হাত ধরে সেজেগুজে এক্স পারফিউম দিয়ে।

একবারও মনে থাকবে না বন্যার্তরা যখন না খেয়ে কোন স্কুলে দুর্বিষহ জীবন অতিবাহিত করছিল তখন তাদের সাথে কি মস্করা করেছিল এই আড়ং



জয়তু মার্কেটিং...............
জয়তু পুঁজিবাদ............
জয়তু আড়ং..................


Note: এ ধরণের বিতর্ক কিন্তু আগেও হয়েছে আড়ং কে নিয়ে। সৈনিক ক্লাবের সামনে উন্মুক্ত পিঠের ললনাকে দেখে কে না একবার ইসস বলে উঠেছেন। তাই ত বলি আড়ং রা এভাবেই বিজনেস করে। আমরা লাফিয়ে লাফিয়ে তাদের পয়সার থলি আরও ভরে দেই।

আড়ংরা আমাদের নিয়ে এভাবেই খেলছে এবং খেলবে


সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১৯
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৭


পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪



কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০



আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×