আজ সকালে অফিসে আসার পরেই একজন বললেন, ড. ইউনুস-এর পরিণতি কি হবে জানেন?
কি হবে?
ড. ইউনুস হবেন দেশের পরবতর্ী জিয়াউর রহমান।
কেমন করে?
জেনারেল জিয়াউর রহমানও রাজনীতিবিদদের গালাগাল দিয়ে শেষ পর্যনত্দ নিজেই রাজনীতির দোকান খুলেছিলেন। ড. ইউনুসও তাই। জিয়াউর রহমানও সামরিক আইন জারী করে অন্যান্য দলের জন্য রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ করে নিজে রাজনীতি করেছিলেন। জেনারেল জিয়ার দলও তার মৃতু্যর পর রে রে করে ফুলে-ফেঁপে ওঠে। ড. ইউনুসেরও তাই হবে।
তার মানে ড. ইউনুসকেও মেরে ফেলা হবে জিয়াউর রহমানের মতো?
আরে বাবা এমনিতেই তো অর্ধমৃত, 67 বছর বয়েস। ধরেন বড় জোর আর দশ বছর তিনি চলতে-ফিরতে পারবেন। তারপর? তারপরেই শুরম্ন হবে তার নোবেল মাহাত্ম। এবং তার পরেই তাকে নিয়ে জিয়াউর রহমানের ঘোষক-মিথ -এর মতো নোবেল-মিথ নিয়ে কেউ জাতির মাথায় কাঁঠাল ভাঙবে। আর তখন কি হবে জানেন?
কি?
তখন ড. ইউনুসের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সমস্বরে বলবে, এই দলটিও সামরিক ছাউনীতে না হলেও সামরিক পিতার ঔরশে জন্ম নেওয়া। এবং আজকে যেমন জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দলের টপ-টু-বটম দুনর্ীতি আর বেশরা কাজে ডুবে আছে, ড. ইউনুসের দল তখন দরকার হলে নাম পরিবর্তন করে রাখবে জাতীয় দুনর্ীতিবাজ ফোরাম কিংবা ওইরকম কিছু একটা। কারণ তখন আর এটা কোনও লজ্জা শরম কিংবা শাসত্দিমূলক বিষয় থাকবে না। ওটাই হয়ে উঠবে নর্ম। কারণ জিয়াউর রহমানও যেমন দুনর্ীতির বিরম্নদ্ধে কথা বলে তার দল সৃষ্টি করেছিলেন দুনর্ীতিবাজ আর অ-রাজনীতিবিদদের নিয়ে ড. ইউনুসও ঠিক একই পথে হাঁটছেন।
এই কলিগ ভদ্রলোক এমনিতে চুপচাপ কিন্তু রাজনীতির কথা হলে তার মুখ বন্ধ করার সাহস কারো নেই। তাই আমি নিশ্চুপ থাকি, প্রশ্নও করি না। কারণ প্রশ্নের পর প্রশ্ন তার আলোচনার বসত্দা খুলে দেবে। আমার নতুন চাকরি, যদি কিছু হয়?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


