সত্যি এই বস্নগে এসে প্রবাদটার সত্যতা পেলাম। এই ঘোর কলিতে মানুষ যে তার যোগ্যতার মূল্য পাবে না সেকথাতো বলাই বাহুল্য। এখন হচ্ছে ভাঁড়ামির যুগ, যারা ভাঁড়ামিতে হেগে-মুতে খাবর করতে পারবে তারাই বাহাবা পাবে, তারাই পুরষ্কৃত হবে সাংবাদিক হিসেবে, ইসলামিক রিপাবলিকের উচ্ছিস্ট ভোগ করতে পারবে।
আপনারা নিশ্চয়ই লৰ্য করেছেন, এই বস্নগে একজন ইসলামিক রিপাবলিকের ভাড়াটে সাংবাদিক আছেন। তিনি বাঙালি মণীষিদের মুরতাদ বানানোর জন্য কলম ধরেছেন। তার গুরম্নরা তাকে খেটেখুটে তৈরি করে দিচ্ছে লেখা, সে এইখানে সব বমি করে দিচ্ছে। নইলে ড. আহমদ শরীফের মতো একজন আপাদমসত্দক বাঙালি বুদ্ধিজীবীর বিরম্নদ্ধে বিষোদগার করার সাহস সে পেলো কি করে? যার নোখের যুগ্যি হওয়ার যোগ্যতা নেই, যার গবেষণা ও মৌলিকত্বের কাছে যাওয়ার ৰমতা নেই, নেই ড. আহমদ শরীফের এক দাঁতের বুদ্ধি ধারণ করার মতো মুরোদ, সেই ভাড়াটে সাংবাদিকই ড. আহমদ শরীফকে নিয়ে লিখেছেন এক কসিদা, এ যেনো হেগো রোগি, পেটে কিছু নেই কিন্তু দুর্গন্ধে টেকা দায়।
কেউ কেউ হয়তো বলবেন যে, দুর্জন উবাচ, তারা বললেই কি আর আহমদ শরীফ মুরতাদ হয়ে গেলেন? তার প্রতি সম্মানবোধ কমে যাবে? এদের সঙ্গে একমত হয়েও বলি, এই দুর্জনদের এরকম সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলেই আজ বাঙালির এই দুরবস্থা, আজ চারদিকে ধর্ম বিক্রির পতিত-বাজার বসেছে, মধ্যযুগে যেমন বেশ্যারা দেহ উন্মুক্ত করে দাঁড়িয়ে থাকতো খোলা বাজারে আজকে তেমন ধর্ম নিয়ে ওরা দাঁড়িয়ে আছে রাসত্দায়, বাজারে, সংসদে এমনকি এই বস্নগেও। মধ্যযুগের সেই বেশ্যাদের তবু সম্মান করি, তাদের সততা, সাহসিকতা ও উপায়হীনতার জন্য। কিন্তু কলির এই ধর্ম-বেশ্যাদের কার্যকারণে পেট উল্টে বমিই আসে শুধু।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


