এক খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী আছেন বাংলাদেশের যিনি বিদেশে গিয়েও তার প্রতিভার জন্য সুনাম কুড়িয়েছেন । অথচ তিনিও একদিন গ্রাম্যজীবনে এক সাধারণ নারীকে বিয়ে করে সন্তানসহ ফেলে বিদেশ চলেগিয়েছিলেন,কোনদিন নাকি তাঁর খোঁজ করার প্রয়োজন মনে করেননি।তাঁর কান্না আজও থেমেছে কিনা জানিনা।এরকমতো হতে পারত দুজনের অমিলের কারণে ডির্ভোস হতে পারত।ডির্ভোস তো হতেই পারে।কিন্তু এটা কিরকম মানবতা।আপনি কোন দায়িত্ব নিবেন না অথচ পালিয়ে থাকলেন কেননা উনি তাঁকে ডির্ভোস দিয়ে দায়দেনা মুক্ত করবেন এই আশায়!! তা না হলে বিদেশে গিয়ে ঠিকই তো বিয়ে করেছেন,নাইট ক্লাবে গিয়ে প্রমত্ত হচ্ছেন,যাক ভাবলাম সেটাও তিনি করতে পারেন!কিন্তু যাকে এভাবে পথে ফেলে দুইটাজীবনকে যে ছন্নছাড়া করেছেন কি প্রতিভার কারণে,শিল্পের কারণে নাকি অন্যকিছূ?? এখন উনাকে কি বলবেন- শিল্পী ? না একজন ভালমানুষ?? এ প্রসঙ্গটা টেনে আনার কারণ একটাই ।যারা নিজেরা শিল্পী হিসেবে যখন দাবি করবেন তাহলে নূন্যতম মানবিকবোধ যদি না থাকে,না দেখাতে পারেন তাহলে কিসের শিল্পী! এই বাংলায় মানিক বন্দোপাধ্যায় প্রথম সাহিত্যে একজন চোরের ও যে একটা শিল্প মন থাকতে পারে সেটা দেখিয়েছেন এছাড়া পেশাদারী চোর,ছিনতাইকারী, ডাকাতের ও কবি হওয়ার উদাহরণ আছে!এটা তার প্রতিভা ।ওটাকে সম্মান করাই যায়।কিন্তু যখন মানবিক বোধ সম্পন্ন মানুষ ও শিল্পীর কথা যখন আসে তখন চোর মানে চোর,ছিনতাইকারী মানে ছিনতাইকারী, ডাকাত মানে ডাকাতই বটে।হোক সেটা অন্যের চুরি করা জিনিস অকাতরে মানুষকে দান যতই করুক!ঢাকায় বাস করা অনেক কবি,থিয়েটার ব্যবসায়ী,অভিনেতা, সাহিত্যিক যারা ব্যক্তিজীবনে দূনীর্তি থেকে শুরু করে নানা কারণে বিতর্কিত তারা যদি আজ আমাকে আপনাকে জাতিকে পথ দেখানোর জন্য ভাষণ মারে তখন হিতাদের ভাষণের গোয়া মেরে দিতে ইচ্ছে করবে না কার??তখন আপনারা কতিপয় যারা ক্রসফায়ার,মৃত্যুদন্ড বা সামাজিক নানা সমস্যার ভেতর যখন প্রকৃত কথাটা বলতে পারবেন না তখন শুধুমাত্র ওই প্রতিভার অনুশলীনই করুন,ওই পর্যন্ত শুদ্ধাচারী হোন।যদি সামাজিক সমস্যার ভেতর যখন একবার নিজেকে জড়াবেন তাহলে নিজেকে আগে কুসংস্কার মুক্ত করুন।নিজেকে মুক্ত করে অন্যের মুক্তির কথা বলূন।প্রতিবাদ করুন দ্রোহ দেখান।আসলে সাহিত্যটাহিত্য অনেক সহজ সমাজ বদলানো ততটাই কঠিন।। তাই আগে উন্নত মানবিকতাবোধের অনুশীলন করে তারপর সাহিত্য চর্চ্চা হোক ।।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

