আজ আমাকে বলতেই হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার প্রতিটি পয়সার হিসাব কড়ায় গন্ডায় বাংলাদেশের জনগনের কাছে দিতে হবে। এই টাকা কোন এমপি, মন্ত্রী, ব্যাংক কর্মকর্তার বাপের কামানো টাকা নয়। এই টাকার সাথে লেগে আছে আমাদের প্রায় ১কোটি প্রবাসী ভাইয়ের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রমের ঘামের গন্ধ!
শেয়ার বাজার লুটপাট হয়েছে বাংলার জনগণ বিচার পায়নি।
বেসিক ব্যাংকের টাকা লুটপাট হয়েছে জনগণ বিচার পাইনি।
ব্যাংকগুলো প্রায় দেউলিয়ার পথে। কেন তা কেউ জানে না।
হলমার্ক কেলেংকারীর কি হলো জাতি জানেনা।
ডেসটিনির সাথে জড়িত প্রায় ৪৫লাখ লোক নিঃস্ব। ডেসটিনির টাকা কোথায় জাতি জানতে চায়।
যেই প্রবাসী ভাইদের অক্লান্ত পরিশ্রমের টাকায় বাংলাদেশ চলে। এমপি, মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন এক লাফে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয় সেই টাকা নিয়ে নয়ছয় কেন? জবাব আজ দিতেই হবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা দূর্ণীতি ছাড়া এতো বিশাল অংকের টাকা কিছুতেই সরে জেতে পারে না। অনলাইন ও আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এসে একাউন্ট থেকে এতো বিশাল পরিমাণ টাকা চলে যায় অথচো কেউ কিচ্ছু জানে না এটা হতে পারে না। ফিলিপাইনের মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গে! তাহলে লাখ লাখ টাকা বেতন দিয়ে এদের রাখা হয়েছে কেন??
কয়েকদিন আগে খবর বেড়িয়েছিলো যে, দুই লাখ টাকার বেতনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাকুরিতে আবেদনকারী ছিলো মাত্র ১জন! জানা যায়, চাকুরির বিজ্ঞপ্তিতে এমন কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছিলো জাতে অন্য কেউ আবেদন করতে না পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই চাকুরি করে এমন এক দূর্নীতিবাজ কর্তা ঐ পদে চাকুরি পেতে এমন প্রতারণার আশ্রয় নেয়!
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব আতিউর রাহমান একজন ভদ্রলোক হিসেবেই পরিচিত। উনার ছোট বেলার এক গল্প দিয়ে দেশের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন! কিন্তু উনার সময়েই দেশের স্বায়ত্তশাসিত ও বানিজ্যক ব্যাংকগুলোতে সবচেয়ে বেশি দূর্নীতি হচ্ছে বলে শুনা যাচ্ছে!
আমি কাউকে দোষ দিতে চাচ্ছি না। আজকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থের যে নয়ছয় হয়েছে তা একদিনের ফল নয়। দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে (শেয়ার বাজার, বেসিক, সোনালি ইত্যাদি) যেসকল দূর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে আজ পর্যন্ত সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক একটির সঠিক বিচার হয়নি।
সরকারের কাছে অনুরোধ এক সাথে কারা জড়িত তাদের খুজে বের করুন! বিচার করুন! যুগ যুগ ধরে বাংলার জনগণ ক্ষমতাবানদের কাছে প্রতারিত হয়ে আসছে। আর প্রতারণার স্বিকার হতে চায় না।
আপনাদের আরও একটি তথ্য দিতে চাই! কয়েকমাস আগে ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় কর্মরত এক ভারতীয় বাংলাদেশ ব্যাংকের লকারের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ধরা পড়লে বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএম সুকমল সিংহ চৌধুরী নিজের জিম্মায় ঐ ব্যক্তিকে মুক্ত করেন। সেই ঘটনার কোন তদন্ত আজও পর্যন্ত হয়নি!!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৬ ভোর ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



