somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মন্ত্রী নিজেই যখন খেলোয়াড়, খেলা পরিচালক.. আরো অনেক কিছু...

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা বোর্ডের পরিচালনায় কলেজ পর্যায়ের ফুটবল খেলা চলছে। সে খেলায় ময়মনসিংহ অঞ্চলকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে খেলায় চুড়ান্ত পর্যায়ে ময়মনসিংহ অঞ্চলে ফাইনালে উন্নীত হয় নেত্রকোনার আবু আব্বাস কলেজ ও কিশোরগঞ্জের হাজী জাফর আলী কলেজ

গত ০৫/১২/২০১৪ শুক্রবার আবু আব্বাস কলেজ মাঠে চলছিল খেলা। খেলা পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নেত্রকোনা সরকারী কলেজের।
খেলা শুরুতে কিশোরগঞ্জের হাজী জাফর আলী কলেজের ছাত্রদের রেজিষ্ট্রেশন কার্ড যাচাই করে শুধুমাত্র ছাত্রদেরকে খেলার অনুমতি দেয়। কিন্তু নেত্রকোনার আবু আব্বাস কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ‍‍‍"আরিফ খান জয়" আবু আব্বাস কলেজের পক্ষে খেলতে মাঠে নামেন। প্রথম দিকে হাজী জাফর আলী কলেজ কর্তৃপক্ষ মনে করেছিলেন মন্ত্রী মহোদয় হয়ত ছাত্রদেরকে উৎসাহ দেবার জন্য খেলতে নেমেছেন। কিন্তু না... তিনি খেললেন পুরো নব্বই মিনিট।

খেলার ফলাফল যখন গোলশুন্য অবস্থায় তখন ট্রাই ব্রেকারে খেলার সমাপ্তির জন্য মন্ত্রী মহোদয় নিজেই প্রথম গোলটি করেন। যাই হোক ট্রাই ব্রেকারেও খেলার ফলাফল যখন সমানে সমান। তখন মন্ত্রী মহোদয় ঘোষনা করেন খেলাটি আগামীকাল পুনরায় অনষ্ঠিত হবে।

অবস্থার প্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জের হাজী জাফর আলী কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নিয়ে ফেরত আসেন। পরদিন যখন অসমাপ্ত খেলাটি খেলার জন্য আবারো যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন অবস্থায় খেলা পরিচালনা কর্তৃপক্ষ নেত্রকোনা সরকারী কলেজ কর্তৃপক্ষ (অধ্যক্ষ) মহোদয়কে ফোন করে মন্ত্রী মহোদয়ের নিজে খেলোয়াড় হওয়া ইত্যাদি বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলে অধ্যক্ষ মহোদয় পরোক্ষ ভাবে এ কথাই বুঝান যে, আপনারা আসলেও মন্ত্রী মহোদয় খেলার রেজাল্ট আপনাদের পক্ষে যেতে দিবেন না।

এমতাবস্থায় মন্ত্রী মহোদয় আবারো কিশোরগঞ্জের হাজী জাফর আলী কলেজকে নেত্রকোনায় যেতে অনুরোধ করেন এবং খেলাটি তিনি নিজ দায়িত্বে সচ্ছতা আনবেন বলে নিশ্চয়তা দিলে হাজী জাফর আলী কলেজ কর্তৃপক্ষ যেতে রাজী হয়।

যে মহা মুল্যবান খেলাটি আগামীকাল-০৭/১২/২০১৪ তারিখ রোজ রবিবার অনুষ্ঠিত হবার কথা হচ্ছে।

এমতাবস্থায় পঠকবৃন্দের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন:


০১. মন্ত্রী কিভাবে? বা কোন আইনে খেলায় খেলোয়াড় হিসাবে অংশ গ্রহন করে? তিনি কি এখনও ছাত্র?
০২. একটা ফুটবল খেলা অসমাপ্ত থাকে এমন ঘটনা আমি এই প্রথম শুনলাম.. আপনারা কি জানেন?
০৩. মন্ত্রী মহোদয়ের রেজিষ্ট্রেশন কার্ডটি সাহস করে কেউ দেখতে চাইলনা কেন?
০৪. অনেক সাংবাদিক সেদিন ভিডিও করলেও এ বিষয়ে কেউ কিছু লিখলনা কেন? তাহলে কি সাংবাদিকরাও মন্ত্রীকে মহোদয়কে ভয় পান?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×