কবিতাটি আরেকজনের। কিন্তু খুব ভাল লাগায় এখানে পোস্ট করলাম।
কল্পনায় অনেক কিছু করা যায়
কল্পনা যে অসীম, এর কোন আকার নেই।
কল্পনায় আকাশ নীলিমাকে চাদর সাজিয়ে
ওকে জড়িয়ে ঘুমুতে পারি।
হাত বাড়িয়ে ছুতে পারি
ঐ চলমান মেঘপুন্জকে।
শঙ্খচিল হয়ে উড়ে যেতে পারি
উত্তাল ঐ সাগরের কোল ঘেষে।
অথবা নীলিমার কোমল বুক চিড়ে
শরতের স্বর্ণালী রোদ গায়ে মেখে
নিজেকে খাটি সোনা বানাতে পারি।
কল্পনা অসীম, এর বিস্তার বাস্তবতায় মেলে না।
কল্পনায় হিমেল বাতাসের সাথে
এক্ষুণি মিশে যেতে পারি।
স্নিগ্ধতার ছোয়া দেবার জন্য
ভোরের শিশির হতে পারি।
অবসর কাটিয়ে দিতে পারি
উচ্ছল ঝরণার সাথে গল্প করে করে।
কল্পনার কোন সীমাবদ্ধতা নেই
কল্পনা আছে বলেই
তোমাকে নিজের মত ভাবতে পারি
আমার ছোট্ট ঘরে আর বিশাল বুকে
তোমার অস্তিত্ব ভাবতে পারি।
নাকে নথ, কানে দুল, গলায় হার, মাথায় টিকলী
আমার পাশে লাল বেনারসীতে ভাবতে পারি।
অথবা ঘোমটা মোড়া টাঙ্গাইলের শাড়িতে তুমি
দাঁত দিয়ে নখ কাটছ ভাবতে পারি।
বাস্তবতা খুবই সীমিত, আবেগ ছাড়া
বাস্তবতায় যখন ফিরে আসি, তখন আমি আমাতেই।
তুমি তোমার দ্বিতল বাসভবনে....
আমি দু কামরার পাখির খোপে।
তুমি ব্যালকনিতে দোলনা চেপে
আমি ঘামে জবজবে শরীরে রাস্তাতে
যখন আমার চাল চাপানো ভাতের হাড়ির চিন্তা
দু কামরার ভাড়ার চিন্তা....
কল্পনা তখন সীমাবদ্ধ, বাস্তবতা অসীম।
তবুও কল্পনা করি ভাতের হাড়িতে চাল চাপিয়ে
দু কামরার বাসায় শুধু তোমাকেই।
....কবিতাটা অনেক আগে পড়েছিলাম। কিছু ভুল হতে পারে। কবির নাম ছিলো.."প্রমোজ হাসান"।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


