লাইফে মানুষ কত ভাবেই না বিব্রত হয়!! আর কত ভাবেই না অন্যকে বিব্রত করে!
আমি আসলে এই ব্যাপার গুলোকে পাত্তা দেই না তেমন।তবে এক দিন এর ঘটনার পর ভীষণ পাত্তা দিচ্ছি!
প্রথমে বিব্রত হওয়র ঘটনাটা বলা যায়!
আমি এন.এস.ইউ. তে পড়ি।বাসে করে যাই।ওয়ান লাইন বাস।দুপুরের দিকে ক্লাস ছিল একদিন।ভাল কথা।আমার কাকের বাসা মার্কা চুল কোন মতে আচড়ানোর একটা অভিনয় করে আমি নাচতে নাচতে বাস স্টান্ড এ গেলাম।আসলে ঠিক নাচতে নাচতে না। এন.এস.ইউ. যাওয়া এমন কোন থ্রিলিং কিছু না যে কেউ নাচতে নাচতে যাব!! ( অনেকেই এই যায়গায় মন্তব্য করবেন...তাহলে কি নাচাতে যান ?? )
যাই হোক...আমি সব সময় ছুটোছুটি করি বিধায় এইটা বল্লাম!আচ্ছা,আবজাব কথা বাদ!আসল কথা বলি! কথা বেশি বলি বলেই লেখা ও বেশী লিখছি! তাও সব আজাইরা!
ফ্রন্ট এর দিকে একটা সিট এ বসলাম।ফার্মগেট থেকে একজন ভদ্রলোক উঠলেন( আসলে মনে নাই ঠিক ফার্মগেট নাকি অন্য যায়গা...জাউজ্ঞা) ।
তো উনি আমার পাশেই বসলেন।বেশ ভদ্র টাইপের চেহারা।বাস যখন প্রধান মন্ত্রীর ( বর্তমানে উপদেষ্টা ) কার্যালয়ের অপজিট দিয়ে দ্রুত বেগে ( নাকি গতিতে? )যাচ্ছে...পাশ দিয়ে একটা দোতলা বাস ও অনেক্টা সেইম স্পিড এ যাচ্ছিল...। বলে রাখি...আমার আবার মোশন সিকনেস আছে! তো দোতলা বাস টা প্রায় ই ওয়ান লাইন এর কাছ ঘেঁসে যাচ্ছিল।
এমন টাই যায় সব বাস ঢাকার রাস্তায়! কিন্তু আমার যে কি মনে হল...আমি ভয়ে আতঙ্কে
হাত ধরে খ্রান্ত হইলেও একটা কথা ছিল...আমি এমন ই বেকুব হাত টা ছাড়তেও মনে নাই
ততক্ষনে যা হয়ার তা হয়ে গেসে
তারপর উনি টুকটাক একটা দুটো কথা বল্লেন...আমি ও বল্লাম।।মনে মনে আরো সরি বল্লাম....
জানি না...সেই ভদ্রলোক ভাইয়া এটা পড়ছেন কিনা...পড়লে আবার ও জানিয়ে দিলাম...সেদিনের বেকুবামির জন্য আবার ও দুঃখ + ইত = দুঃখিত
ও হ্যা...এই তো গেল বিব্রত হওয়ার ঘটনা...আর বিব্রত করা??
আচ্ছা সেই টা আরেক দিন বলি...এখন ঘুমাব...আর হাত ও ব্যাথা করছে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


