ব্লগ ওপেন করার পর ইচ্ছা হলো কিছু লিখি। ইচ্ছাই বা বলি কেন, আমি তো বাধ্যও বটে। বন্ধু আহমাদ মোস্তফা কামাল জানালেন নাটকের বাইরেও যেন কিছু লিখি। সেই ইচ্ছাতেই কয়েকবার বসেছিলাম। শুরুটা করি, কিছুটা ভবি এবং অতঃপর ইলেক্ট্রিসিটি চলে যায়। ট্রেনের আসা যাওয়ার সময় জ্ঞান না থাকলেও ইলেক্ট্রিসিটি মোটেই অমনটা না। সে যাবে, ঠিক এক ঘন্টা পর আসবে। আসার পরপরই যদি আবার কম্পিউটার চালু করি তবুও তো তা লেখার জন্য প্রস্তুত হতে মিনিট পনের সময় নেবে। তারপর লিখতে বসা এবং লেখার ফাঁকে ভাবতে বসা। ব্যস, এরই মধ্যে আবার তার যাওয়ার সময় হয়। কেউ কেউ বলবেন, এটা একটা ফাঁকি দেয়ার কথা। বলতেই পারেন, কেননা আমরা নিজের সমস্যার বাইরে যে আর কারো কোনো সমস্যা থাকতে পারে, সেটা মানতেই চাই না। আইপিএস এর ১২ টা বেজেছে। ইউপিএস তো নষ্ট সেই কবে থেকেই, সুতরাং আমার সমস্যাটা যদি আর কারো সাথে না মেলে, সে তো বলতেই পারে_ নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। সত্যিই বলছি, কিছুটা হলেও নাচতে জানি, উঠানটাই বাঁকা।
ইলেক্ট্রিসিটির কারণে আমার না হয় এই হাল, কিন্তু দেশের উৎপাদন ব্যবস্থার কী হাল! ভাইরাস আক্রমণ ঠেকাতে এই প্রথম টাকা দিয়ে সফ্টওয়ার কিনলাম। আগে তো নিয়েছি ফাও। ভাইরাসের কারণে কম্পিউটার চলছে যেন কচ্ছপগতিতে। ছুটে গেলাম এলিফ্যান্ট রোড। শপিং মলের ১০ তলায় পাওয়া যায় কাসপারস্কি এন্টি ভাইরাস। নিচে গিয়ে দেখি লিফটের সামনে লম্বা লাইন। অন্ধকার। বিশ্বাস করুন, ৪৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর উনি আসলেন এবং লিফটে চড়লাম। কেনার পর তাড়াহুড়ো করে বাসায় এসে দেখি উনি নেই। একবার শপিং মলে যারা দোকান সাজিয়ে বসেছেন তাদের কথা ভাবুন। দিনে কতক্ষণ বেচা কেনা করেন তারাই ভালো জানেন। তারাই ভালো জানবেন, কেননা তার সমস্যাটা তো আর আমার না। আমার সমস্যা হলো_ আমি লিখতে পারছি না। আর কার কী হলো না হলো তাতে কী আসে যায়!
শুনছি, বলা হচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা, এমন কি আদমজী জুট মিলও নাকি চালু হবে। হাজার হাজার লোক আবার চাকরি পাবে। কিন্তু জুট মিলটা চলবে কী করে। ইলেক্ট্রিসিটি পাবে তো?
ভাবছেন এত কিছু লিখলাম কই কারেন্ট তো গেল না? এটাও কয়েকবারের চেষ্টার ফল। সময় থাকতে পাঠিয়ে দিই। তা না হলে কারেন্টই বলবে_ খাইতে দিলে বইতে চায়, বইতে দিলে ....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


