somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইচ্ছা প্রয়োগের স্বাধীনতা

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৯:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহ সুবহানাওয়াতায়ালার। দরুদ ও সালাম আল্লহর প্রেরিত রসূল (সাঃ) এর প্রতি।

'আমি অবশ্যই প্রত্যেক জাতির নিকট রসূল পাঠিয়েছি, যাতে করে (তোমাদের কাছে সে বলতে পারে,) তোমরা এক আল্লাহর আনুগত্য কর এবং তাগুতকে (আল্লাহ্‌র বিরুধী শক্তি সমূহকে) বর্জন কর। সে জাতির মধ্যে অতঃপর আল্লাহ কিছু লোককে হেদায়াত দান করেন, আর কতক লোকের উপর গোমরাহী চেপে বসে গেল; অতএব তোমরা জমিনে পরিভ্রমন কর তারপর দেখ, যাহারা সত্যকে মিথ্যা বলিয়াছে তাহাদের কি ভয়াবহ পরিণাম হইয়াছে।'
[সূরাঃ নাহাল-৩৬]


আল্লাহতায়ালা কখনো চান না তাঁর বান্দারা তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরীক করুক এবং তাঁর হালাল করা জিনিসকে হারাম বা হারাম করা জিনিসকে হালাল করুক। এটা যে তিনি চান না, সেটা তিনি তাঁর শরীয়ত ও নবীদের মুখ দিয়ে সুষ্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। রাসূলগনকে তিনি এ কাজেরই দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং তারা এ দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করেছেন। মহাজ্ঞানী আল্লাহর চূড়ান্ত ফায়সালা এটাই ছিল যে, তিনি মানুষকে সৎকাজ ও অসৎ কাজ উভয়টাই করার ক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করবেন। এ দুটির যে কোন একটি বেছে নেয়ার ইচ্ছার স্বাধীনতা তাকে দিবেন এবং তারপর তাকে বিবেক ও বুদ্ধি দান করবেন, যা দ্বারা সে ভাল ও মন্দের যে কোন একটিকে অগ্রাধিকার দিবে। সেই সাথে তিনি বিশ্ব জগতের সর্বত্র ছড়িয়ে দিবেন সত্য ও ন্যায়ের পথের সেই সব নিদর্শন যা মানুষের চোখ, কান, স্নায়ু, মন ও বিবেককে প্রতিটি মূহুর্তে সৎ কাজে উদ্ভুদ্ধ করতে থাকবে, এখানেই শেষ নয়, এরপর তিনি তাঁর বান্দাদের উপর অধিকারতর অনুগ্রহ প্রদর্শন পূর্বক শুধু বিবেকবুদ্ধির উপর নির্ভরশীল না রেখে বিবেক বুদ্ধির জন্য একটা মানদন্ড দিয়েছেন, যা নবীদের মাধ্যমে আগত শরীয়তে চিরস্থায়ী মূলনীতি হিসেবে বিদ্যমান। যখনই বিবেক সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাদন্ধে ভুগবে, তখনই সে ঐ মানদন্ডের কাছ থেকে কোনটা ভুল ও কোনটা ঠিক জেনে নিবে।

আল্লাহতায়ালা তাঁর রাসূলদের বলপ্রয়োগকারী করে পাঠাননি, যে মানুষকে ঘাড় ধরে ঈমানের পথে ঠেলে দিবেন। তাদেরকে পাঠিয়েছেন শুধু মাত্র প্রচারক হিসেবে। একমাত্র আল্লাহ্‌র আনুগত্য করতে এবং আল্লাহতায়ালা ছাড়া আর যত মূর্তি, যত মানব রচিত আইন কানুন, মতবাদ, মনের ঝোঁক, আবেগ ও শক্তি যাই থাকুক, তা প্রত্যাখ্যান করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

(নিজস্ব মতামত বিবর্জিত ও প্রখ্যাত তাফসীর গ্রন্থের সংকলনে)

উৎসঃ ইচ্ছা প্রয়োগের স্বাধীনতা (প্রবন্ধঃ ০১)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৯:০৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বইমেলার কবিতার বই: পাঁচ বছরে বাজারে এসেছে প্রায় ছয় হাজার, মান নিয়ে বিতর্ক

লিখেছেন এম ডি মুসা, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:৫২

তবে কবিতার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গবেষণারাও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বায়তুল্লাহ কাদেরী বলেন,হ্যাঁ, কবিতার মান ঠিক নেই। কিন্তু এখন মান দেখার তো লোক নেই। যার যেমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোরআনের যে দ্বন্দ্বগুলোর সমাধান নেই।

লিখেছেন কবি হাফেজ আহমেদ, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:০১

এসবের উত্তরে গোজামিল দিয়েছেন খোদ খলিফা আলী নিজে।


কোরআনের সূরা আল-নিসার ১১-১২ নাম্বার আয়াত অনুসারে কেনো সম্পত্তির সুষ্ঠু বন্টন করা সম্ভব হয় না? [যখন একজন ব্যাক্তি শুধুমাত্র ৩ বা ততোধিক কন্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি -ঈষৎ সংশোধিত পুনঃপোস্ট

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৩

পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি

ছবিঃ অন্তর্জাল হতে সংগৃহিত।

প্রাককথনঃ

দেখতে দেখতে পবিত্র মাহে রমজান-২০২৪ আমাদের দোড়গোড়ায় এসে উপস্থিত। রমজান, মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠতম আনন্দের ক্ষণ, অফুরন্ত প্রাপ্তির মাস, অকল্পনীয় রহমতলাভের নৈস্বর্গিক মুহূর্তরাজি। রমজান... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাপ-মেয়ের দ্বৈরথ

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৫৩


আমার দাদির ঝগড়াঝাঁটির স্বভাব কিংবদন্তিতুল্য ছিল। মা-চাচীদের কাছ থেকে শোনা কষ্ট করে রান্নাবান্না করলেও তারা নাকি নিজে থেকে কখনও মাছ-মাংস পাতে তুলে খেতে পারতেন না। দাদি বেছে বেছে দিতেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টি খাতুনই অভিশ্রুতি, এনআইডিতে নাম সংশোধনের আবেদন করেছিল। ধর্মান্তরিত হওয়ার পিছনে দায়ী কে?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:৩৩





বেইলি রোডের সেইদিনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর প্রকৃত নাম বৃষ্টি খাতুন। অভিশ্রুতি ও বৃষ্টি খাতুন নামে দুইজন একই ব্যক্তি বলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ সূত্রে নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×