

‘...যেদিন কথিত আসামি আমানকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থাপন করা হয় (প্রোডাকশন শুনানির দিন) সেদিন আই.ও সাত দিনের জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করেছিলেন। বিজ্ঞ আদালত শুনানিঅন্তে সাত দিনই মঞ্জুর করে বলেছিলেন, বার বার রিমান্ড চাওয়ার ঝামেলার চেয়ে বরং একবারেই দিয়ে দিলাম!’
-মোহাম্মদ তরিক উল্যাহ, গায়েবি শৃঙ্খল, শিকড় প্রকাশনী, পৃ-১০
‘বারের ক্ষমতাবান সাবেক এক সভাপতি বিশাল জুনিয়র বহর নিয়ে হায়ারে মামলা শুনানি করে যাচ্ছেন আর বিচারক মহোদয় উনাকে লিগ্যাল পয়েন্টে শুনানি করার জন্য অনুরোধ করছেন৷ পাশে থাকা জুনিয়র ইতোমধ্যে এও বুঝাতে চেষ্টা করে যে, সিনিয়র সরকার দলীয় দায়িত্বশীল ও বারের সাবেক সভাপতি।
বিচারক সাহেবের সাফ কথা- লার্নেড, আমি আপনার পদ-পদবীর বিষয়ে ওয়াকিবহাল। জামিন শুনানিতে কে শুনানি করলো আর কত বড় বহর নিয়ে হাজির হলো তা দেখার সুযোগ অন্তত আমার কোর্টে বিবেচিত হবে না। কেন জামিন দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন তার স্বপক্ষে আপনি অন মেরিট শুনানি করলে আমি চেষ্টা করবো।
আরো কিছুক্ষণ শুনানির পরে বিচারক সাহেব জামিন নামঞ্জুর করেন। যথারীতি সপ্তাহ খানেকের মাঝে বিচারক সাহেবও মফস্বলে বদলির আদেশ পেয়ে গেলেন।’
-মোহাম্মদ তরিক উল্যাহ, নিরু, BiLD, পৃষ্ঠা-৩৬
বি:দ্র: স্বাধীন বিচার বিভাগের সোনালি সেই দিনগুলোর বিষয়ে জানতে চোখ বুলাতে পারেন আইন বিষয়ক উপন্যাস 'নিরু', 'গায়েবি শৃঙ্খল' এবং 'অসমাপ্ত জবানবন্দী' তে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





