somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বাগতম জয়! বাংলায়

০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

http://www.expertphotoshop.blogspot.com
স্বাগতম জয়! বাংলায়
আমেরিকা প্রবাসী সজীব ওয়াজেদ জয়, স¤প্রতি দলীয় আবেদনপত্র পূরণ করায়, তাকে আওয়ামী লীগের সদস্য পদ প্রদান করা হয়েছে, অথবা হবে।
প্রবাস জীবনে বিত্তবৈভব, টাকাÑ সব আছে। কেবল নেই মাটির শেকড়। শিকড়হীন গাছপালাই বিকশিত হয় না, আর মানুষ! কিন্তু মানুষকে হতে হয় প্রাত্যহিক অনেক কারণে। তাই প্রবাসীদের জন্য প্রবাস হলোÑ অবিকল তালাবিহীন এক জেল। দরজা খোলা অথচ নিজকে স্বেচ্ছায়ঃ।

অধিকাংশ জীবনভর এই ‘মেয়াদ’ অতিক্রান্ত করেন। আইনের ভাষায় যাবজ্জীবন জেল মানে ১৪ বছর, রক্ত দিলে তা আরো কমে আসে।

জয়ের প্রবাস জীবনের এই স্বেচ্ছা জেলমুক্তির একটি পদক্ষেপ হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ। সাধারণ রাজনৈতিক শিষ্টতায় ওয়াশিংটন টু রংপুর (পীরগঞ্জ)। বলতে গেলে, তৃণমূল থেকে। নানা-বাবা বয়সীদের ডিঙিয়ে আচমকা দলের ‘মহাসচিব’। কিংবা প্রথাহীন আবদারসুলভ ‘সুধা সদন’ হয়ে নয়, জয়ের রাজনৈতিক অভিষেকের ‘ডেবুডেন্ট’ পীরগঞ্জ। এটাই রাজনীতির স্বাভাবিক এবং সরাসরি পথ। এখানে শর্টকাট বলে কিছু নেই।

শিক্ষাগত যোগ্যতায় জয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জিমনেসিয়াম’ তুলনায় স্বনামধন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে øাতক সনদপ্রাপ্ত। এক তরুণ রাজনীতিবিদ জয়ের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা খুবই সামান্য। একটি টাকা পর্যন্ত অযথা ব্যয় করার মতো বিত্তশালী রাষ্ট্র বাংলাদেশ নয়, সেই বাস্তবতায় শুধু, ‘শিক্ষা’ দেয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত বন্দরের নাম পরিবর্তনের ব্যয় আমরা এফোর্ড করতে পারি না। শুধু সামান্য এই পাটিগণিতজনিত বুদ্ধিমত্তাটুকুর পরিচয় দেবেন শিক্ষিত সজীব ওয়াজেদ জয়। শুধু এইটুকু। প্রত্যাশা এবং এ যাবৎ সেসব পূরণে ধারাবাহিক বঞ্চিত মানুষের একটাই অধিকার, ভোট। মানুষের দ্বিতীয় কোনো অপশন নেই।

http://www.expertphotoshop.blogspot.com
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫৪
২২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×