http://www.expertphotoshop.blogspot.com
স্বাগতম জয়! বাংলায়
আমেরিকা প্রবাসী সজীব ওয়াজেদ জয়, স¤প্রতি দলীয় আবেদনপত্র পূরণ করায়, তাকে আওয়ামী লীগের সদস্য পদ প্রদান করা হয়েছে, অথবা হবে।
প্রবাস জীবনে বিত্তবৈভব, টাকাÑ সব আছে। কেবল নেই মাটির শেকড়। শিকড়হীন গাছপালাই বিকশিত হয় না, আর মানুষ! কিন্তু মানুষকে হতে হয় প্রাত্যহিক অনেক কারণে। তাই প্রবাসীদের জন্য প্রবাস হলোÑ অবিকল তালাবিহীন এক জেল। দরজা খোলা অথচ নিজকে স্বেচ্ছায়ঃ।
অধিকাংশ জীবনভর এই ‘মেয়াদ’ অতিক্রান্ত করেন। আইনের ভাষায় যাবজ্জীবন জেল মানে ১৪ বছর, রক্ত দিলে তা আরো কমে আসে।
জয়ের প্রবাস জীবনের এই স্বেচ্ছা জেলমুক্তির একটি পদক্ষেপ হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ। সাধারণ রাজনৈতিক শিষ্টতায় ওয়াশিংটন টু রংপুর (পীরগঞ্জ)। বলতে গেলে, তৃণমূল থেকে। নানা-বাবা বয়সীদের ডিঙিয়ে আচমকা দলের ‘মহাসচিব’। কিংবা প্রথাহীন আবদারসুলভ ‘সুধা সদন’ হয়ে নয়, জয়ের রাজনৈতিক অভিষেকের ‘ডেবুডেন্ট’ পীরগঞ্জ। এটাই রাজনীতির স্বাভাবিক এবং সরাসরি পথ। এখানে শর্টকাট বলে কিছু নেই।
শিক্ষাগত যোগ্যতায় জয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জিমনেসিয়াম’ তুলনায় স্বনামধন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে øাতক সনদপ্রাপ্ত। এক তরুণ রাজনীতিবিদ জয়ের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা খুবই সামান্য। একটি টাকা পর্যন্ত অযথা ব্যয় করার মতো বিত্তশালী রাষ্ট্র বাংলাদেশ নয়, সেই বাস্তবতায় শুধু, ‘শিক্ষা’ দেয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত বন্দরের নাম পরিবর্তনের ব্যয় আমরা এফোর্ড করতে পারি না। শুধু সামান্য এই পাটিগণিতজনিত বুদ্ধিমত্তাটুকুর পরিচয় দেবেন শিক্ষিত সজীব ওয়াজেদ জয়। শুধু এইটুকু। প্রত্যাশা এবং এ যাবৎ সেসব পূরণে ধারাবাহিক বঞ্চিত মানুষের একটাই অধিকার, ভোট। মানুষের দ্বিতীয় কোনো অপশন নেই।
http://www.expertphotoshop.blogspot.com
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


