সারা শরীর জুড়ে পেচিয়ে রয়েছে যেন এক বিষধর সাপ
শরীর কেমন হিম হয়ে যায় বার বার চেতনাহীন─
তবু উঠে দাঁড়াতে চাই, যেতে যাই সামনে কিংবা পিছনে
একবার দৃষ্টি ফিরিয়ে অতীতের কষ্টগুলোর অস্তিত্ব অনুভব করি
কিংবা ভবিষ্যতের স্বপ্নের সাদা ঘোড়াগুলোর ছুটাছুটি
সমুদ্রের জলে সন্তরণরত মাছেদের খেলা দেখতে ইচ্ছে হয়─
সমস্ত হৃদয় জুড়ে অজস্র কীটের বাসা─নিরন্তর বেড়ে ওঠা
যতই ইচ্ছে হয় পুষ্প ফোটাই কিংবা কবিতার পঙ্ক্তি সাজাই
ততই কীটেরা শক্তিধর দাঁত দিয়ে কামড়ায়
যেন বা উইয়ের দখলে পুরনো গ্রন্থপাতা─ছাইপাঁশ;
অবশ রক্তমাংস নিয়ে গলিত শবের মত পড়ে থাকি একাকার
একবার জেগে উঠতে বড় বেশি সাধ হয়; বড় বেশি সাধ─
শরীরের রক্তে, কোষে, কলায়, এমন ভীমরুলের হুল ফুটে আছে
পাশ ফিরেও দেখতে পারি না নদী, পাখি কিংবা অমরাবতী
জন্মজন্মান্তর ধরে এভাবেই পড়ে আছি─পাণ্ডুর চোখ মেলে
আকাক্সার চোখ মেলে আছি নত্রের আলো যদি পড়ে চোখে
কোনো এক অন্ধকার রাতে─
ছড়িয়ে দেব উত্তাপ ফসলের মাঠে কান্তিহীন─সেই রাতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


