somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধর্মনিরপেক্ষতা নাকি ধর্মহীনতা

২৬ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকালধর্মনিরপেক্ষতা (secularism) প্রচারকরতে গিয়েবাপালনকরতেগিয়েঅনেকেই ধর্মহীনতাসামনে নিয়েআসে।বিভিন্নসময় দেখাযায় যে, বিভিন্নলেখক- সাহিত্যিকদের ধর্মনিরপেক্ষতারপ্রচারধর্মহীনতাকে ছাপিয়েযায়।আমার মনেহয়ধর্মনিরপেক্ষতা সৃষ্টি কোনদিনও সম্ভবনয়।সাম্প্রদায়িকতা,ধর্ম বৈষম্যতা আজীবনথাকবে। যেমনধরুন অনেকবাবা-মা তাদের সন্তানকে বাইরের কারো সাথেমিশতে দেয়না।কে জানে কে কোনরকম। হয়তো আমারবাচ্চা কোন খারাপ ছেলেদের সাথে মিশলেখারাপ হয়ে যেতে পারে। প্রায়ক্ষেত্রেইদেখাযায় ওসব ছেলেরাএকটুআকটু বোকা টাইপেরহয়। কারন ও ভাল-মন্দেরতফাতটা সঠিকভাবে বুঝতেশিখে না। ভাল-মন্দের বিচার করতেগেলে আপনাকে অবশ্যই ভালোএবংমন্দের উপর সমান ধারনা থাকতেহবে।কতটা ভাল বা কতটা খারাপএটুকু পরিমাপকরতেজানতে হবে।তেমনি অনেকগুলোধর্ম থাকলে লোকজন যখনদেখে অন্য ধর্মের লোক যখন খারাপকাজ করে তখননিজের ধর্মের প্রতিভালবাসা বেড়ে যায়।ধার্মিকতা বৃদ্ধিপায়। আরধার্মিক ব্যক্তি খারাপকাজ করতেপারেনা।হোক সে যে ধর্মেরই। কেননা কোনধর্মই অশান্তিকে সাপোর্ট করেনাহয়তো।কিন্তু আমরাঅনুসারীরাঅশান্তির। ধর্মছিল, আছে, থাকবে। ধর্মআছে বলেই মানুষ নীতিরকথা বলে।মানুষ মৃত্যুকে ভয়করে,মৃত্যু পরবর্তীশাস্তিকেভয় করে পাপাচার থেকেদূরে থাকার চেষ্টাকরে।যেমনআমাদের ঢাকা শহরেরপ্রেক্ষাপট নিয়েএকটিভিডিওঅনলাইনে খুব ভাইরালহয়েছে।ভিডিওটিরবিষয়বস্তুছিল, ঢাকার শহরেরপথচারীরাযেখানে সেখানেপ্রসাব করে।দেয়ালে লেখাআছে, "এখানে প্রসাবকরা নিষেধ"। মানুষ তবুও সেখানেপ্রসাব করতেছে। কিন্তু এ ম্যাসেজটাযখনআরবি ভাষায় লিখে দেওয়াহল। তখনপ্রসাবকরতেবসেও লোকজন লেখাটাদেখে অনুতপ্তহয়ে প্রসাব না করেই উঠেযাচ্ছে। বরং অনেকে সে লেখাকেসালামও করেছে। কারন এটাতার ধর্মীয় ভাষা। পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা ধর্মের প্রতি।তার ধর্মের বিরোধিতাকেউ সহ্য করেনা।তাই ধর্মনিরপেক্ষতারআড়ালেধর্মহীনতাসৃষ্টির চেষ্টাএকধরনেরব্যর্থ চেষ্টাহবে।অন্তত সেটা মুসলিমধর্ম প্রধান দেশগুলোতে।কারন ইসলাম ধর্মের মানুষ সবচেয়ে বেশি ধর্মপরায়ণ এবংধর্মভীরু।অনেকধর্মের লোককেই দেখাযায় খুব সহজেইতাদেরধর্মত্যাগ করে অন্য ধর্ম অনুসরনকরে।কিন্তু ইসলাম ধর্মেসেটা খুবই নগন্য। বিশ্বেরকোথাও ধর্মনিরপেক্ষতারনামে ধর্মহীনতা সৃষ্টিকরা সম্ভবনা। সমাধানএকটাই। মুহাম্মদ(সঃ) এর বিদায় হজ্জ্বেরভাষনের সেইবানীতেই। "ধর্ম নিয়েবাড়াবাড়ি করোনা, যার যার ধর্ম সেসেপালনকরো"। ©তারেকহোসাইনতুহিন,তাঃ২৩/০৩/২০১৮ইং
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:২৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৪



উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২৮

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
================================
ইতিহাস কখনো মুছে যায় না। যে জাতি তার মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি ভুলে যায়, সে জাতির ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আজ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩২

বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?

বাকস্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক অধিকার। কিন্তু বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলা নয়; অন্যের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে উপেক্ষা করারও নাম নয়।

কোনো ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠী বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?

লিখেছেন মেহবুবা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি ইরানের নতুন শত্রু হতে চলেছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৬


মরুভূমির গরম বাতাস আর লোহিত সাগরের নোনা জলীয় বাষ্প যেখানে এসে মেশে, বাব এল মানদেব প্রণালীর সেই জায়গাটায় রাতের অন্ধকার নামলেই একটা অদ্ভুত নীরবতা ছেয়ে যায়। কিন্তু সেই নীরবতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×