আমার এ গল্পটা স্বপ্নভুক অধরা হতে পারে। নিদেনপক্ষে এর অন্ধকার ছায়া মাড়ানোর কথা ছিল না আমার কোনদিন। কারণ যা ফেলে এসে শরীরে বহন করি এর স্পষ্ট চিহ্নগুলো তাকে মনে করতে চাইনি। মানুষ প্রশ্নের উত্তর গুলো আমাকে ছাড়েনা একটুও। আজকাল তা বেড়ে গিয়ে ঝড়খন্ডের রূপ নেয় আমার সব অবস্থানে। এ চেনা গল্পটার আদিক্ষেত্র ধ্বনি সমাজ থেকে পাওয়া। যাকে মানি না বলি সমুক্ষে অথচ মানি পরোক্ষে।
ভুলটা কোন পূর্বপুরুষের সন্ধানি হয়নি। ইচ্ছে হয়নি। যা ঘটে যায় তাকে রং চং মেঘে আধুনিক সাজন দেওয়া মানুষের কাজ। আমি মানুষ পর্যায়হীন (কথাটা আমার উক্তি নয় কারো কারো বলা।) মানুষের গুলোর সুন্দর স্বাস্থ্য থাকে। ভালোবাসার মানুষ থাকে। অন্ধকারকে ভয় পায়। নাকে কাঠি দিয়ে হাঁচি দিতে পারে। টনসিল মাথাব্যাথা, কাতর হয়। পিড়ি ছাড়া দুপায়ে সুন্দর বসতে পারে। প্রয়োজনে নগ্ন হওয়া যৌনতা দেখতে এবং করতে মজা পায় যেমন ইরাক যুদ্ধে আবু গারীব জেলখানায় বন্দিদের সাথে মার্কিন, বিট্রিশ সৈন্যদের হলিখেলা। খুনি, ধর্ষক, রাজনৈতিক হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করে। আমার স্বাস্থ্য নেই দারিদ্র নিয়েছে ওটা-অখুশি হয়নি। পরের গুলো আমার অনুভূতিতে দিনহীন খালি বাসন নিয়েই ফিরে গেছে। কখনই এক আধ সিকি আধুলি শব্দ করেনি।
আপাতত এইখানে গল্পটার শেষ চিহ্ন হাসি মুখে আলাপ জুড়ে দেয়। আমি লেখক হিসেবে তাকে হত্যা করে অট্রহাসি হাসি। এইতো মানুষ হতে পেয়েছি, কিন্তু কেন ? আমিতো কখনই মানুষ হতে চাইনি। জড় হতে চেয়েছি ভালবেসে প্রেয়সির মত নির্বাক।
যে দিন গল্পটা লিখব ভেবেছি সেদিন থেকেই আমি দৃষ্টি উর্দ্ধসীমায় তাকিয়ে দেখিনি। কেন তাকানো? উপরে যে পরবাসী - মানুষত্বত্ত অচেনায় ধনুর মত বাকিয়ে রাখে তাকে দেখতে চায়নি। ওটা আরেক প্রকার সুফিয়ানা মানুষরা দেখে। যারা ফিটফাট পাজমা কুর্দা নিজেদের জড়িয়ে, পাজমার নিচের সেলাইটুকু ফাকা রেখে মাঝে মধ্যে
নিচ দিকে চেয়ে মানুষ হিসাবে তাদের অবস্থান আঁচ করে নেয়। অবশ্য সব খেয়ার যে নিদিষ্ট বৈঠাটা জলের মিতালি দ্বারা জীবিত থেমে গেলেই প্রাণহীন সে কথাও আমাকে ভাবতে হয়। ভাবটুকু সচল রাখি অস্পদ্ধ ঘুনপোকার পাশাপশি।
আশেপাশে যাদের নিয়ে প্রতিদিন উঠবোস, বেশ কাল পরে যাদের সাথে দেখা সবারই একি প্রশ্ন কেন এই অস্বাভাবিকতা। সবাইকে লুকানোর পর গল্পটা শুরু করি পাশে নিয়ে জড়বাদ। যে পথে আমি প্রতিদিন ফিরি। যে পথ ফুরিয়েছে মানুষের বেশে। প্রতিরাতে এক বংশীবাদক বাজায় বুক চেতানো বাঁশি। অনেকদিন পর আহত জিজ্ঞাসায় তার কষ্টের উৎস খুজেছিলাম। বলেছিলো মানুষহীন ভালো থাকি। আমি উৎস খুঁজে পেয়ে কবিতায় ফিরি। “মানুষকে কখনই আমার পৃথিবীরশ্রেষ্ঠ প্রাণি মনে হয়নি” ।
বিঃ দ্রঃ- বাংলা বানানে আমার যথেস্ট দূর্বলতা রয়েছে। এ বিষয়ে সকলকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ রইল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


