somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজ্ঞান-অবিজ্ঞান কিম্বা কুবিজ্ঞানের তর্ক

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানবতাবাদী (?) কার্ল মার্ক্স নিয়া প্রায় অভিসন্ধর্ভসম রচনা পড়লাম দ্বিতীয়নাম নামক ব্লগারের প্ররোচনায়। পইড়া মনে হইলো আজো কিছু মানুষ বাস্তবতঃই সমাজ পরিবর্তনের কৌশল নিয়া ভাবেন, মনে হইলো এই ভাবনার প্রয়োজন আছে...এই ভাবনার প্রসারণ না থাকলে সমাজ প্রগতির লড়াই থাইমা যাইতো ১৯৯১ সালের সোভিয়েত সাম্রাজ্যের পতনের লগে লগেই। এই ভাবনার অবস্থান ছিলো না বইলাই ক্ষমতা তার নিজের নিয়মে অপারেট করছে প্রায় ৩ যূগ ধইরা, যদিও মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিরূপ অন্যরম ছিলো। যেই কারনে একটা আগ্রাসী শক্তি pseudo-socialist চরিত্র নিয়া মানুষের কাছে আরাধ্য শক্তি হিসাবে পরিচিত হওনের সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত রাখছিলো বহুকাল।

তয় তথ্যের মধ্যে অসম্পূর্ণতা থাকলে একটা যুক্তি বচন দুর্বল হয়। যুক্তিবচন দুর্বল হইলে তর্কের জোরালো হওনের সম্ভাবনা আদৌ বাড়ে না, বরং যুক্তির সমাপ্তি ঘটে। অবৈধ বচনে কোন বৈধ যুক্তির অবতারণা হইতে পারে না। অভিজিৎ সাহেবের উত্থাপনের বিশ্লেযণ কইরা আমার প্রথমেই আমার এই অনুভূতি হয়। মার্ক্সবাদ বিজ্ঞান কি অবিজ্ঞান কি নৈতিকতার মাপকাঠি এই বিষয়ে আলোচনার চাইতে আমি বেশি আগ্রহী হইয়া উঠি তার আলোচনার ধারাবাহিক আলোচনায়। তিনি লিখেন,

মার্ক্স তার জীবদ্দশায় পুঁজিবাদী ব্যবস্থার আর্থসামাজিক বিন্যাস লক্ষ্য করেন। এই পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার শোষণমূলক এবং মানবতাবিরোধী রূপ দেখে তিনি ব্যথিত হন –আর এ থেকে সাধারণ বঞ্চিত মানুষকে উদ্ধারের জন্য উদ্বেলিত হয়ে ওঠেন।

এই নির্দোষ বাক্যে আমি অভিসন্ধি খুঁইজা পাই। আমার মনে পড়ে, মার্ক্স সাহেবের বাল্যকালের স্মৃতিচারণ...তিনি পুঁজিবাদী আর্থসামাজিক বিন্যাস নয় কেবল, বুর্জোয়াতন্ত্রের উন্মেষ তিনি দেখেন...পুঁজিবাদের যেই প্রতিশ্রুতিমূলকতা, পরিবর্তনের আহ্বান...সব তিনি দেখেন তার জীবদ্দশায়। আর তাই শুরুতেই তার মুখে বিপ্লবী আহ্বানের বাক্য ঝড়ে না। তিনি বৈষম্যের উৎসে মনোনিবেশ করেন অনেক বেশী। এতে যতোটা না মানবতা তার চাইতে অনেক বেশি দর্শনের দারিদ্র দেখেন। কার্ল মার্ক্স অভিজিৎ সাহেবের কলমে তাই অনেক যাদুকর হইলেও আমার কাছে তিনি বিশ্লেষণ ধর্মী চিন্তক হিসাবেই প্রতিভাত হ'ন।

আর তাই কার্ল মার্ক্সের চিন্তার ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় দেখন যায় তিনি শ্রমিক আন্দোলনের সহিংসতায় মনোকষ্টে ভুগেন। তাগো মতাদর্শিক শুণ্যতারে চিহ্নিত কইরা বিকল্পের খোঁজে দৌড়ান। কার্ল মার্ক্স পরিপূর্ণরূপেই একজন সমাজচিন্তক হওয়াতে যেইসব প্রপঞ্চ তার দৃষ্টি এড়াইয়া যাওনের সম্ভাবনা ছিলো, তারে গোচরীভূত করনে সহযোগী হন ফ্রেডরিক এঙ্গেলস...যিনি উনবিংশ শতকে গতিবিদ্যা সম্পর্কীত গণিতেও বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য উপস্থাপণ করছিলেন। আর এই সবের ফলশ্রুতিই তাগো সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইশতেহারের দিকে নিয়া যায়, যেই ইশতেহারে ছিলো মানব মুক্তির ডাক...যেই ইশতেহার অনেক রাজনৈতিক আহ্বান...যেই ইশতেহার তার নিজেরই দর্শণগত চিন্তার একটা লিফলেটসম প্রকাশ...

মার্ক্স সাহেবের সমাজদর্শণগত চিন্তার আলোতে যে কয়টা বিষয় উপপাদ্যসম ছিলো তার কিছু উল্লেখ করাটা জরুরী এই পর্যায়ে...তিনি শ্রেণী সংগ্রাম, দ্বন্দ্বমূলক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ আর উদ্বৃত্ত মূল্য ত্ত্ত্ব এই আলোচ্যগুলি নিয়াই বেশি আলোচনা করছেন তার জীবদ্দশায়। আলোচ্য পোস্ট অনেকেই শ্রেণী সংগ্রাম সম্পর্কীত মার্ক্সীয় সীমাবদ্ধতা আর তার আধুনিক বিচার্য নিয়া উত্থাপণ করছেন। কিন্তু পাঠাভ্যাসের সীমাবদ্ধতা, বিশেষ কইরা টেক্সট না পইড়া ইন্টারপ্রিটেশন পাঠের আগ্রহ টের পাওন যায় এই সকল অভিযোগকারীর কথায়। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা ইতিহাসের বস্তুবাদী ব্যখ্যার মধ্য দিয়া এক্কেরে প্রিলিমিনারী নজর দিলেও দেখন যায় শ্রেণী সংগ্রামের ধরণ পাল্টায়...এর সাথে সম্পর্কীত সমাজের আনুসঙ্গীক অনেক উপাদান...প্রোডাকশন-রিপ্রোডাকশন হইলো তন্মধ্যে অন্যতম...

মার্ক্সের তত্ত্ব কতোটা বৈজ্ঞানিক ছিলো, কতোটা মানবিক, কতোটা রাজনৈতিক এই বিতর্ক উত্থাপণের ধরণটা চিরকালই চিত্তাকর্ষক। মার্ক্সের জন্মের আগেই রেনে ডেকার্ত নামক একজন দার্শনিক একটা দার্শনিক চিন্তা পদ্ধতির অবতারণা করছিলেন। তার এই মেথডরে জগৎবাসী চিনে কার্তেজীয় পদ্ধতি হিসাবে...যার প্রায়োগিক ব্যবহার এখনো বিভিন্ন ল্যাবরেটরী কিম্বা সমাজ বিজ্ঞানের গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য হইলো প্রচলিত ধারণাসমূহরে নাকচ কইরা কোন একটা সিদ্ধান্ত পৌছানের চেষ্টা। এখন এই পদ্ধতি কিন্তু কার্ল মার্ক্সের দার্শনিক চিন্তার উপস্থাপণেও আমরা টের পাই। বৈজ্ঞানিক এই চিন্তাপদ্ধতির ব্যবহার কতোটা বিজ্ঞান এই বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু তার scientific nature নিয়া মনে হয় না বিরোধ থাকনের অবকাশ থাকে।

মার্ক্সরে ঈশ্বর বানানের ধরণ নিয়া উত্তর আধুনিকতাবাদী সকলের মনেই প্রশ্ন থাকনটা স্বাভাবিক। অভিজিৎ সাহেবের আছে, আমার আছে, স্নিগ্ধা জামানের আছে...এখন এইসব প্রশ্নের লেইগা মার্ক্স সাহেবের তত্ত্ব বাতিলের খাতায় যাইবো কি যাইবো না তা নিয়া প্রশ্ন উঠলে আমি এর বিরোধী পক্ষেই আছি। অতীতে স্তালিন সাহেব কি করছেন-চওসেস্কু কি করছেন এই রম উদাহরণ দিয়া মার্ক্সরে বাতিল করন যায় না। তারে বিজ্ঞান সম্মত দৃষ্টিভঙ্গী থেইকা চ্যূত করনটা দৃষ্টিকটু ঠেকে।

মার্ক্সের সময়কার পুঁজিবাদের ধরণ নিয়া তার বিশ্লেষণের পরে জগৎ অনেক পাল্টাইছে। একের পর এক মহামন্দা আসছে, পুঁজির নিয়ন্ত্রকেরা একেরপর এক সংস্কার করছে নিজেগো অস্তিত্ত্ব টিকাইয়া রাখনের তরে। পুঁজির চরিত্রে নতুন মাত্রা যুক্ত হইছে। তার সাথে পাল্টাইছে সমাজের পারস্পরিক সম্পর্কের ধরণ। মার্ক্সের উনবিংশ শতকীয় অনেক ব্যখ্যায় ভ্রান্তি ধরা পরছে...বুর্জোয়া চক্রান্তে। এইটারে বুর্জোয়া চক্রান্ত'ই কই। নিজের নীতিমালা ভাইঙ্গা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়া যদি কই এইটাই নিয়ম তখন সেইটা চক্রান্ত'ই হয়। কিন্তু সেইসব নতুন বিধি আগে কাউরে জানানো হয় না...এক্কেরেই প্রায়োগিক ধারামতে চলে তার অনুধাবন। এতে আপাতঃ সংহতি আর নিজের পিঠ বাঁচানো গেলেও মূল সমস্যারে আরো গভীরতরই করা হয়। সমাজের মূল কাঠামোতে আরো পচন ধরনের সম্ভাবনাই বাড়ে।

ভোক্তা বাড়ানের খাতিরে পুঁজির নিয়ন্ত্রকেরা বিজ্ঞাপনধর্মী সমাজের পত্তন করে। মানুষরে অনেক ব্যক্তিকেন্দ্রীক করনের প্রক্রিয়া চলে। এই সব নীলনকশা কিন্তু এক্কেরেই পরিকল্পণা প্রকৌশলের প্রতিফলন। মানুষের চিন্তা পদ্ধতিও তখন ব্যক্তিকেন্দ্রীক হয়...যেই চেতনা তার দেয়ালে পিঠ ঠেকলেও প্রতিরোধ করনের আগে পলায়নের, একান্ত নিজের পলায়ন পথের খোঁজ নিতে বাধ্য করে। পুঁজি মানুষের জীবনে সমাজের চাইতে বড় উপবাচ্য হয়। যেই কারনে শ্রমিক শ্রেণীর দেয়ালে পিঠ কিম্বা পেট তার পিঠে গিয়া ঠেকলেও সন্তানের ভবিষ্যত ভাবাটা জরুরী হয় তার নিকট...কারন তার সামনে অনিশ্চয়তা উপস্থাপিত হয় ভয়াবহ রূপ নিয়া প্রতিনিয়তঃ...তার সামনে একটা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অবনত অথচ চিত্তাকর্ষক জীনধারণের উদাহরণ উপস্থাপিত হয় সম্ভাবনার নিরীখে। "একটু খাটো...একটু দুই নাম্বারী করো তুমিও পাইবা এই জীবনের খোঁজ..."। এখন এই শ্রমিকের ব্যক্তিচেতনার লেইগা মার্ক্স কি ভ্রান্ত হইয়া যান? আমি মনে করি যান না। কারন যে কোন বিজ্ঞান অনুগত পদ্ধতির মতো মার্ক্স সাহেবের সিদ্ধান্তগুলিও আসছিলো other things remaining equal এই শর্ত মোতাবেক। সমাজবিজ্ঞান যেই কারনে বিজ্ঞানেরও অধিক বিজ্ঞান হয়। কারন তারে আরো ক্ষুদ্র ডিটেইলে মনোনিবেশ করতে হয়...তার আচরনবিদ্যার প্রতিও আগ্রহী থাকতে হয়।

ক্ষমতা যখন শ্রেণী প্রতিনিধির হাতে যায় কোনরম গণতান্ত্রিক একেন্দ্রীকরণ ছাড়া তার রূপ সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদের মতোনই হইবো এইটাই স্বাভাবিক লাগে আমার কাছে। বুর্জোয়া শাসকেরা যেরম কার্ল পপার-ফুকিয়ামা-ফ্রিডম্যান কিম্বা রোনাল্ড কোজরে ভাড়া করে। তেমন ভাবেই লাইসেঙ্কোরে ভাড়া করে সোভিয়েত শাসকেরা (এই তথ্য আমার অজানা ছিলো, ধন্যবাদ অভিজিৎ)।

তয় কুলাখপন্থী সোলঝনেৎসিনরে লইয়া আতিশয্য আমারে একটু আহত করে। সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কেউ কিছু কইলেই তারে মাথায় নিয়া নাচতে হইবো, এইরম বুর্জোয়া আচরনের বিরোধীতা করি আমি। যুক্তিবিদ্যায় অনেক ফ্যালাসীর মধ্যে একটা বড় ফ্যালাসী হইলো এইরম বিভ্রান্ত মানুষের বচনে যুক্তিবচন তৈরীকরণের প্রক্রিয়া। এই আচরন একটা যুক্তিরে অবৈধ করে। একাডেমিক ফরম্যাল যুক্তির প্রক্রিয়াতেই আমি এই যুক্তি করি। যদিও কার্ল মার্ক্স আর এঙ্গেলস ডায়ালেকটিক যুক্তির কথা কন।

ডায়ালেকটিক্স আসলে কেবল দ্বন্দ্ব আর প্রতিদ্বন্দ্বের খেলা না। এই খানে বিবেচ্য আরো কিছু বিষয় আসে বা আছে। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের টেক্সট পড়লেই টের পাওন যায় সামাজিক অনেক বিবেচনাই সেই খানে আছে। বস্তু পরিবর্তনের নিয়ম কেবল বহিঃদ্বন্দ্ব মারফত হয় না, তার আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বরেও শক্তিশালী বা ঐ পরিবর্তনামূখী হইতে হয়। খুব সহজ একটা উদাহরন এই ক্ষেত্রে দেওন যায়, একটা সাদা ডিমাকৃতির পাথরে সারাদিনমান মুরগীরে দিয়া তা দেওয়াইলে কি মুরগীর বাচ্চা বাইর হয়? কখনোই না। তেমনি আসলে মার্ক্সিজম না জানা মানুষের লগে তর্কে কি কখনোই কোন ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব মার্ক্সীয় ব্যখ্যায়? দেরিদা যখন নৈতিকতারে বিবেচ্য করেন তখন সেইটারে যেই উদ্দেশ্যে করেন অভিজিৎ কি একই উদ্দেশ্যে করেন? আমি মনে করি করেন না।

তবুও এই আলোচনার অগ্রসরমানতা চাই...প্রত্যাশা করি মার্ক্সবাদের বিজ্ঞান সম্মত মনোভঙ্গী একসময় সকলে টের পাইবো। মার্ক্সবাদ বিজ্ঞান কি অবিজ্ঞান এই বিতর্ক (সু-কু) দুরীভূত হইবো...

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৭
১১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিরোধী আন্দোলন” । কারো বিশেষ অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়াকে বৈষম্য বলে না।

লিখেছেন বাউন্ডেলে, ১১ ই জুলাই, ২০২৪ রাত ১০:০২


বৈষম্য কাহাকে বলে ? এটা আগে ভালো করে জানুন, তারপর গায়ের জোর দেখান। কারো অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়াকে বৈষম্য বলে না। প্রশ্নফাঁস জেনারেশন চিলের পিছনে ঘুরছে।
সবাই সমান নয়। সবার অবদানও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেখে এলুম অষ্ট্রেলিয়া…… পর্ব - ২ [ ছবি ব্লগ ]

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১১ ই জুলাই, ২০২৪ রাত ১০:৫২


এসেছি অষ্ট্রেলিয়া দেশটি দেখতে। ভাই-বোনেরাও দেশটি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখানোর জন্যে পাগল। তাই এখান থেকে ওখানে এতো এতো ঘুরতে হয়েছে যে খেই হারিয়ে ফেলতে হচ্ছে এখন লিখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

~~~কোটা তুমি মহান~~~

লিখেছেন জটিল ভাই, ১২ ই জুলাই, ২০২৪ সকাল ৮:৫০

♦أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشِّيْطَانِ الرَّجِيْمِ (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্'র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
♦بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ (পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহ্'র নামে)
♦ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)


(ছবি নেট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রিজাইনার চিঠি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুলাই, ২০২৪ সকাল ১১:৪৫

সাস্কাচুয়ানের গরম

আমি এখন আছি কানাডার সাচকাচুয়ান প্রভিন্সের প্রাদেশিক রাজধানী রিজাইনা শহরে। সাস্কাচুয়ানের নাম শুনলেই সবার মুখে এক কথাঃ উহ, কি ঠাণ্ডারে বাবা! সবার খালি মেঘে ঢাকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্রুকলীনের চিঠি

লিখেছেন সোনাগাজী, ১২ ই জুলাই, ২০২৪ বিকাল ৫:০৩



ব্রুকলীনের বাংগালী পাড়ার রাজধানী হচ্ছে ২টি রাস্তার ক্রসিং এলাকার মাঝে অবস্হিত শপিং এলাকা ( ১ বর্গ কিলোমিটার ), ইহার নাম চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড; ইহা বাংগালীদের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র;... ...বাকিটুকু পড়ুন

×