somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ওয়েল সার্চ
আইসিটি লেখক হিসেবে পরিচিত। সাহিত্য বিষয়ক চর্চা কদাচিত হলেও তা জীবনের প্রতিটি অনুভূতির সহিত জড়িত রয়েছে। আইসিটি বিষয়ক লেখার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় ইত্তেফাক পরিবারের আইসিটি বিষয়ক পত্রিকা ই-বিজ এর মাধ্যমে ২০০১ সালে। তারপর থেকে লেখালেখি অব্যাহত রয়েছে। স

বিজয় বনাম অভ্র বিতর্ক

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিজয় বনাম অভ্র বিতর্ক

কম্পিউটারে বাংলা লিখতে যে সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে অভ্র এবং বিজয় অন্যতম। এ সফটওয়্যার দুটির মূল পার্থক্য হচ্ছে—অভ্র ইউনিকোড সমর্থন করে কিন্তু আসকি সমর্থন করে না। আর বিজয় ইউনিকোড সমর্থন করে না, কিন্তু আসকি সমর্থন করে। সম্প্রতি বিজয়ের স্বত্বাধিকারী মোস্তফা জব্বার অভ্রকে পাইরেসি সফটওয়্যার বলাতে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সাইবার বিশ্বে ‘বিজয় বনাম অভ্র’ তুমুল বাকবিতণ্ডা এখনও থেমে নেই। ফেসবুকসহ বিভিন্ন ব্লগিং এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটে প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

বাংলা কম্পিউটিংয়ের শুরুটা যেভাবে
কম্পিউটারে বাংলা লেখার সূচনা হয় ১৯৮৬ সালে। আর শুরুটা হয় ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের হাত ধরে। সে সময় শহীদ লিপির মাধ্যমে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে বাংলা লেখা শুরু হয়। প্রথম বাংলা সফটওয়্যারের উদ্ভাবক ছিলেন ড. সাইফ উদ দোহা শহীদ। তবে বেশি দূর এগুতে পারেনি শহীদ লিপি নামে বাংলা সফটওয়্যার। তার অবস্থান দখল করে বিজয়।

বিজয় বাংলা
বিজয় বাংলা সফটওয়্যারের শুরু হয় ১৯৮৭ সালের ১৬ মে এবং কীবোর্ড আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনন্দ কম্পিউটার্সের মাধ্যমে। আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বত্বাধিকারী মোস্তফা জব্বার। বিজয় বাংলা কম্পিউটিং প্রকাশনা শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। ১৯৯৩ সালের আগ পর্যন্ত ডস ও উইন্ডোজভিত্তিক প্লাটফরমের জন্য আলাদা সফটওয়্যার চালু ছিল। ১৯৯৩ সালের ২৬ মার্চ পারসোনাল কম্পিউটারের জন্য বিজয় সফটওয়্যারের উন্নয়ন করা হয়। আর এ সময় থেকে উইন্ডোজ ও ম্যাকিনটোশে সমানভাবে বাংলা ব্যবহার চলতে থাকে।

অভ্র
কম্পিউটারে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে আরেকটি বাংলা সফটওয়্যার অভ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এটির উন্নয়ন করা হয় ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ এবং এটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওমিক্রনল্যাব। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মেহেদী হাসান খান। বাংলা কম্পিউটিং এ তাদের অবদান অগ্রগামী। এটির মূল বৈশিষ্ট্য এটি ইউনিকোড সাপোর্ট করে। ‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’ এই চিন্তাধারায় সামনে এগিয়ে চলেছে ওমিক্রনল্যাব। খুব তাড়াতাড়ি এই সফট্ওয়্যার জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কারণ, কম্পিউটারের সব ধরনের ব্যবহারকারী খুব সহজে বাংলা লিখতে পারছে। কমিউনিটি ওয়েবসাইটগুলোতে অভ্র রীতিমত আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বাংলা লেখার মাধ্যমে।

বাংলা কম্পিউটিংয়ে ইউনিকোড
বিজয় বনাম অভ্র নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের ব্যাপারে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ কিংবা আইটি বিশেষজ্ঞরা তেমন খোলামেলা কিছু না বললেও তরুণরা এ ব্যাপারে বেশ সোচ্চার হয়েছেন এবং তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। তবে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ বা বিশেষজ্ঞদের অনেককেই ইউনিকোডভিত্তিক প্রযুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে গণ্য করছেন। মূলত: গত চার দশকে বাংলা ভাষার ব্যবহার এগিয়ে গেছে অনেকটা। এ ক্ষেত্রে ইউনিকোড প্রযুক্তি সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। সে হিসেবে অভ্র একটি ইউনিকোডভিত্তিক বাংলা সফটওয়্যার। বাংলা কম্পিউটিংয়ে অভ্র একটা শক্তিশালী ভূমিকা রেখে চলেছে।

অভ্র বিনামূল্যে পাওয়া যায়, বিজয় কিনতে হয়
ইউনিকোডে বাংলা লিখতে বা ইউনিকোডে বাংলা লেখাকে রূপান্তরে বিনামূল্যের সফটওয়্যার অভ্র। সরাসরি ইউনিকোডে বাংলা লেখার জন্য অমিক্রোন ল্যাবের (http://www.omicronlab.com) এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করেন বিভিন্ন অনলাইন কমিউনিটির প্রায় সবাই। আর আসকিতে বাংলা লেখার জন্য বিজয়ও প্রায় সব কম্পিউটার ব্যবহারকারী ব্যবহার করে থাকেন। সফটওয়্যার দুটি বাংলা লেখার জন্য বহুল ব্যবহৃত হলেও মূল পার্থক্য হচ্ছে, অভ্র বিনামূল্যে পাওয়া যায় আর বিজয় টাকা দিয়ে কিনতে হয়।

যে লেখা নিয়ে এ বিতর্কের শুরু
বিজয়ের স্বত্বাধিকারী ও বিসিএস সভাপতি মোস্তফা জব্বার দৈনিক জনকণ্ঠে গত ৪ এপ্রিল ২০১০ ‘সাইবার যুদ্ধের যুগে প্রথম পা। একুশ শতক’ শিরোনামে একটি লেখা লিখেছেন, যার মূল বক্তব্য সাম্প্রতিক সরকারি অনেক ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের ঘটনা। সুকৌশলে তিনি এর সঙ্গে জড়িয়েছেন বিনামূল্যে বাংলা লেখার সফটওয়্যার অভ্র কিবোর্ড, জাতিসংঘের ইউএনডিপি এবং নির্বাচন কমিশনকে। অভ্রকে ‘পাইরেটেড সফটওয়্যার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বিজয় সফটওয়্যারের পাইরেটেড সংস্করণ ইন্টারনেটে প্রদান করার ক্ষেত্রে এই হ্যাকাররা চরম পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছে। এ হ্যাকার ও পাইরেটদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির নামও যুক্ত আছে। অভ্র নামক একটি পাইরেটেড বাংলা সফটওয়্যারকে নির্বাচন কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন সেলের ওয়েবসাইট হ্যাক হলে তার দায় থেকেও ইউএনডিপিকে ছাড় দেয়া যায় না।’

শুরু হয় প্রতিবাদের ঝড়
তার এই লেখার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অভ্র ব্যবহারকারীরা প্রতিবাদের ঝড় তোলেন। ফেসবুক, সচলায়তন, সামহোয়ার ইন ব্লগ, প্রথম আলো ব্লগ, আমার ব্লগ, রংমহল ফোরাম, প্রজন্ম ফোরাম, আমাদের প্রযুক্তি, টেকটিউনস, ব্যক্তিগত ব্লগসহ বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটে এ নিয়ে নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানানো হয়। কিছু কিছু সাইট তাদের ব্যানারও পরিবর্তন করে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে।

লিখিত অভিযোগ কপিরাইট অফিসে
এত কিছুর পরও মোস্তফা জব্বার ক্ষান্ত হননি। এরই মধ্যে তিনি কপিরাইট অফিসে লিখিত অভিযোগও করেছেন অভ্র সফটওয়্যারের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অমিক্রোন ল্যাবের প্রধান নির্বাহী মেহ্দী হাসান খানের বিরুদ্ধে। ফলে কপিরাইট অফিস থেকে মেহ্দী হাসান খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ জানা গেছে, মেহ্দী হাসান খান এ ব্যাপারে আইনজীবীর পরামর্শে প্রয়োজনীয় করণীয় বিষয়ে এগুচ্ছেন। বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটসূত্রে জানা গেছে, তারা মোস্তাফা জব্বারের বিরুদ্ধে মিছিল করাসহ ও পোস্টার প্রচারের আয়োজনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আসলে পার্থক্য কতটুকু?
মূলত বিজয় কিবোর্ড লেআউটের সঙ্গে সঙ্গে ইউনিজয় লেআউটের অনেক পার্থক্য রয়েছে। যেখানে কিবোর্ড লেআউটের একটি কির পার্থক্য থাকলে নতুন একটি কিবোর্ড লেআউটের জন্ম দেয়, সেখানে মোস্তফা জব্বারের অভিযোগ অবান্তর। কিবোর্ড লেআউটের গ্রহণযোগ্য ইতিহাস জানতে (http://en.wikipedia.org/wiki/Keyboard_layout) লিঙ্কে গেলে বিষয়টা পরিষ্কারভাবে জানা যাবে।

নির্বাচন কমিশন ও ইউএনডিপির প্রসঙ্গ
জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন খরচ কমানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেয় এরকম একটা সফটওয়্যার তারা নিজেরাই ডেভেলপ করে নেবেন। বুয়েটের একজন শিক্ষককে সে দায়িত্বও দেয়া হয়। তারা সেটাই করেন, শুধু বাংলা লেখার অংশটা ছাড়া। আবার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে তারা অভ্র ব্যবহার করেছিলেন, বিনিময়ে তারা স্বীকৃতি সনদও দিয়েছেন।

শেষ কথা হলো, অভ্রকে যদি সত্যিই বিজয়ের পাইরেটেড মোস্তফা জব্বার মনে করেন, তাহলে তার উচিত হবে আইনের আশ্রয় নেয়া। তাতে সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য উন্মোচিত হবে।
[email protected]
[email protected]

বিজয় বনাম অভ্র : কিছু প্রতিক্রিয়া
বিজয় বনাম অভ্র বিতর্কের তীব্র প্রতিক্রিয়া এখন বিভিন্ন ব্লগসাইটে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, আমারবন্ধু, সচলায়তন, সামহোয়ারইন, আমারব্লগ, মুক্তমনা, টেকটিউনস, প্রথম আলোসহ আরও অনেক ব্লগ সাইট। পাশাপাশি আমাদের কাছেও অনেকে ইমেইল ও চিঠিতে জানিয়েছেন তাদের প্রতিক্রিয়া।

এখানে কি বিজয়ের কপিরাইট (১৯৮৮?) নাকি পেটেম্লট (২০০৮) নিয়ে অভিযোগটি এসেছে? দুটি কিন্তু দু’রকমের ব্যাপার। বিজয়ের প্যাটেম্লটটি নিজেই ধোপে টিকে কিনা তা সন্দেহের ব্যাপার (যেহেতু ২০০৮ নাগাদ ঢ়ত্রড়ত্ ধত্ঃ প্রচুর আছে), কিন্তু কপিরাইটটি আইনগতভাবে পাকাপোক্ত হতেই পারে (যদি না এটা প্রমাণিত হয় বিজয়ের লেআউট অন্য কোনো জায়গা থেকে নেয়া মাত্র। মুনীর লেআউটের সঙ্গে বিজয়ের পার্থক্য কতটুকু? কয়টা কী?।
—রাগিব হাসান, ব্যুরোক্রেট, বাংলা উইকিপিডিয়া

কোটি টাকা দিয়ে নির্বাচন কমিশনে বিজয় কিবোর্ড বিক্রি করতে না পেরে মোস্তফা জব্বারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ঢালাওভাবে সবাইকে অপরাধী বানিয়ে চলেছেন। এমনকি ইউএনডিপিকেও অপরাধী বানাতে দ্বিধা করেননি। কোনো যোগ্যতা ছাড়াই তিনি প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন পদে বসে আছেন, তখন সাধারণ মানুষের হাতে কি করে প্রযুক্তি ছড়িয়ে যেতে পারে, তাতে তার কোনো মাথাব্যথা নেই। যে বিজয় করে তার এত মাথাব্যথা, সেই বিজয়ের প্রোগ্রামার পাপ্পানার কি কোনো খবর তিনি রেখেছেন?
—রিফাত, সিইসি ডিপার্টমেন্ট, নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটি

বিজয় কিবোর্ডের অংশ বিশেষ বলতে কি বোঝান হচ্ছে? বিজয় কিবোর্ডে ‘অ’ থেকে ‘ ঁ’ পর্যন্ত সবগুলো অক্ষর আছে। মোস্তফা জব্বারের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে অন্য কোন কিবোর্ডে বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করলেই সেটা পাইরেটেড সফটওয়্যার হয়ে যাবে। আসলে নির্বাচন কমিশনের পাঁচ কোটি টাকা হাতছাড়া হয়ে যাবার পর ওমিক্রনল্যাবের এবং অভ্র এর উপর উনার আক্রোশটা অতিমাত্রায় বেড়ে গেছে। উনার যদি এতটাই আত্মবিশ্বাস থাকে তাহলে উনি আদালতের শরণাপন্ন হচ্ছেন না কেন?
—আশরাফুল হক, ইমেইলে পাঠিয়েছেন

জনকন্ঠে দেয়া মোস্তফা জব্বারের বক্তব্যে এটা পরিষ্কার, নির্বাচন কমিশন আর ইউএনডিপি টাকা খরচ না করে অভ্র ব্যবহার করেছে বলেই তার গাত্রদাহ। তিনি ফেসবুকে স্বীকার করেছেন যে, অভ্র তার ৫ কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি করেছে। মেহ্দী যদি তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণের ৫ কোটি টাকা মোস্তফা জব্বারের পকেটে যাওয়া থেকে ঠেকানোর জন্য আমরা মেহ্দীকে স্যালুট দেই।
—নাবিউল, ২৩-০৪-২০১০ তারিখের ব্লগ সাইটে
বাংলাদেশের বাংলা কম্পিউটিং এ ‘বিজয়’ এর ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই, আমি শ্রদ্ধাচিত্তে তা স্মরণ করি, যদিও এর আউটপুট যথাসম্ভব আপনি ভোগ করেছেন। টাকা দিয়ে কেনা সফটওয়্যার এ আপনার এবং আপনার ছেলের ছবি দেখতে বাধ্য করছেন। এই বিজয়ের কল্যাণেই আপনি একজন আইটি মুখপাত্র হয়ে উঠেছেন। যদিও আপনার আইটি জ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে পড়া কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্রের সমতুল্য; অন্তত পত্রিকায় আপনার কলামগুলো পড়লে তাই মনে হয়। প্লিজ পড়াশোনা করে কলাম লিখুন, পাইরেসি কাকে বলে বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি শুধু মানুষকে বিভ্রান্তই করছেন না, সরকারি সেক্টরে ওপেন সোর্সকে নিরুত্সাহী করছেন। প্লিজ ব্যক্তিস্বার্থের বলয় থেকে বেরিয়ে আসুন।
—রাব্বানি, ২৩-০৪-২০১০

আপনি কি কোন দিন বিল গেটসের ছবি কোথাও আপনার কম্পিউটারে দেখেছেন? বলছি কেন, আপনি যদি বিজয় ইনস্টল করেন, যতবার কম্পিউটার চালাবেন, ততবার পর্দায় ভেসে উঠবে, বিজয়ের লেখক কথিত এক লোকের ছবি। এটা কি ইউজারকে অত্যাচার করা না? শেষকথা হল, লেআউট যদি কপিরাইট হয়, তাহলে, দুই কোম্পানির কিবোর্ডে একই ইংরেজি কেমনে লেখে?!
—শৈন দৃষ্টি, ২৩-০৪-২০১০

মূলত ইউনিকোডের কল্যাণেই বাংলায় ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। আমি নিজে বাংলা টাইপ করতে ভয় পেতাম, কিন্তু অভ্র কিবোর্ড আসার পর এখন আমি ইংরেজির চেয়েও দ্রুতগতিতে বাংলা টাইপ করতে পারছি।
—সুশান্ত দাস গুপ্ত, প্রধান সঞ্চালক, আমার ব্লগ ডটকম

আজ বাংলায় যত ই-মেইল, ওয়েবসাইট, ব্লগ, অনলাইন ফোরাম ইত্যাদি দেখি, তার সবই কিন্তু অভ্রের হাত ধরেই এসেছে।
— সৌমিত্র কুমার পাল , সামহোয়ারইনব্লগডটনেট

অভ্র একাই বাংলা কম্পিউটিংকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। বিনে পয়সায় এত ভালো সফটওয়্যার খুব কম দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গেও অভ্রের জনপ্রিয়তা কম নয়। এর বিপক্ষে যে কেউ কিছু বলতে পারেন সেটা জেনে অবাক লাগছে। বাঙালি সবসময়েই অভ্রের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে কম্পিউটারে বাংলা লেখাকে সহজ করবার জন্য।
—পিয়াল খন্দকার কুন্ডু, ২৪-০৪-২০১০

তথ্যসূত্র-
Click This Link

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×