যারা আশানুরূপ রেজাল্ট হাসিল করতে পারে নি তাদের জন্য এই সময়টা খুবই যন্ত্রণাদায়ক । শুধুমাত্র অভিভাবকরাই পারেন তাদেরকে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করতে । বি আ পারফেক্ট পেরেন্টস, কারণ সন্তানের সবচেয়ে কাছের আপনজন আপনারাই । আপনারা তাকে দূরে ঠেলে দিলে সে খুব অসহায় হয়ে পড়ে। ফলাফল দিয়ে সন্তানদের বিচার না করে একজন ভালো মানুষের মানদণ্ডে বিচার করুন । তাদেরকে সঠিক পথ ধরিয়ে দিন, তাদেরকে উৎসাহ দিন ভালো কিছু করার, জীবনকে সঠিকভাবে মূল্যায়ণ করার শক্তি গড়ে দিন, নিজেকে ভালো করে বোঝার সুযোগ দিন, তার বৈশিষ্টগুলোকে কাজে লাগানোর পথ খুলে দিন, সে কী পারে কী না পারে তা ভাবতে দিন । সবকিছুতেই যদি আপনি আধিপত্য দেখান তাহলে সে নিজেকে ভুলে যাবে, নিজের হয়েও নিজেকে পর মনে হবে তার কাছে । চারপাশে একটু চোখ বুলালেই দেখবেন তথাকথিত প্রাতিষ্ঠানিক মেরিটরিয়াস ছাত্ররাই পরবর্তিতে স্কুল না মাড়ানো কোন ছাত্রের প্রতিষ্ঠানেই কামলা খাটে । তাই সন্তানদের নিজের স্বকীয় বৈশিষ্টে উজ্জ্বল হতে দিন, নিজ ইচ্ছেতে কিছু সৃষ্টি করতে দিন, পৃথিবীকে ভালো কিছু দিয়ে পরিবর্তন করার জন্য অনুপ্রাণিত করুন, মনের মধ্যে পজেটিভ থিংকিং গেঁথে দিন । সন্তানের এই সময়টাকেই কাজে লাগান তার সুষ্ঠ মানষিক বিকাশে, শুধু এই সময়টায় তাকে একটু সঠিকভাবে মূল্যায়ণ করুন । গ্যারান্টি দিলাম সন্তানের বিষয়ে সারা জীবন নিশ্চিন্ত থাকবেন ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



