ঢাকা শহরে রাস্তায় চলার পথে দেখবেন , বিভিন্ন শপিং মলের সামনে অথবা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে কিছু শিশু সিগেরেটের ট্রলি ঘাড়ে করে সিগেরেট বিক্রি করছে। ওদের কাছ থেকে মানুষ সিগেরেট চাচ্ছে আবার সিগেরেট ধরানোর জন্য ম্যাচ ও চাই । কিন্তু কখন কি কেউ ভাবেনি ?
এই সময়টাতে ওদের কাছে থেকে স্কুলের টিচার চাইবে পরিক্ষা শেষে খাতা অথবা বলবে এই ছেলে ১২ ঘরের নামতা টা বলো ।
যে সময়টাতে থাকা উচিৎ ওদের হাতে বই , খাতা কমল । যে সময়টা তে ওরা ব্যস্ত থাকবে পড়াশুনায় , স্কুলের ক্লাসে , অথবা স্কুল টিফিনে বন্ধুদের সাথে খেলা ধুলা। কিন্তু ঠীক সেই দিনের সময়টাতে ওরা ব্যাস্ত থাকে সিগেরট বিক্রিতে।
আবার কিছু ছেলে - মেয়ে আছে দেখবেন এরা রাস্তার পাশে ডাষ্টবিনে কাগজ কুঁড়িয়ে বেড়াচ্ছে ।
এদেরও ও ইচ্ছা আছে আর দু দশটা ছাত্র-ছাত্রীর মত পড়াশুনা করার। কিন্তু কথায় আছে কপালে সহে না আনন্দের প্রহর।
সে রকমই - পেটের দ্বায়ে , দরিদ্রতার জন্য এদেরকে ছুটতে হয় জিবিকার পিছনে।
সারা বাংলাদেশে যত পথ শিশু আছে - আমারা এদের সবার জন্য কিছু হয়ত করতে পারবো না। কিন্তু ইচ্ছা করলে আমরা একটা শিশুকেও অন্ত্যত বেসিক লেখাপড়া করাতে পারবো। অথবা ঝরে যাওয়া মেধাবী কিছু ছাত্র-ছাত্রী কে পড়াশুনা আবার চালিয়ে যাওয়ার রাস্তা টা করে দিতা পারবো।
আমরা কিছু সেচ্ছা সেবি নিজেদের প্রচেষ্টায় কিছু পথ শিশুর পাশে দাড়ানোর উদ্দ্যেগ নিয়েছি। হয়তো বা আমরা সফল হতে পারবা অথবা না। তবে প্রচেষ্টার কমতি থাকবে না। ইচ্ছা করলে আপনারাও আমাদের সাথে যোগ দিতে পারেন। হয়তোবা আপনার সামান্য প্রচেষ্ট অনেক টা কাজে লাগতে পারে,
কথায় আছে বিন্দু বিন্দু জল কণা গড়ে তোলে মহা সাগর।
অন্ত্যত একটি শিশুর মুখে তো হাসি ফোটাতে পারবো। সেটাই আমাদের হবে বড় প্রাপ্য ।
ধন্যবাদ।
আমাদের ফেসবুক পেজঃ https://www.facebook.com/onirban.org
ফেসবুক গ্রুপঃ https://www.facebook.com/groups/onirban.org/
আমাদের ওয়েবসাইটঃ http://www.onirban.org/
পেজটা শেয়ার করে আমাদের সেচ্ছাসেবী দের কে আমন্ত্রনের সুযোগ করে দিন ।
লেখকঃ জয়া

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




