আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০৮ এ সকল দলের প্রার্থীরা আজ তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ব্যস্ত। জানিনা তারা নির্বাচিত হলে তাদের প্রতিশ্রুতির কি হবে? আমি ব্যক্তিগতভাবে মোটেও আশান্বিত নই তাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। কারণ যদি তাই হতো তাহলে বাংলাদেশ আজ এই অবস্হানে থাকত না। তাই রাজনীতিবিদরা নিজেদের বদলানর ভুয়া প্রলোভন মানুষকে আশান্বিত করে না। সুতরাং এটাই সময় আমরা জনগন নিজেদের বদলাই। আমাদের দাবীগুলোর মধ্যে নিম্নোক্ত উল্লেখযোগ্য:
১. নির্বাচিত প্রার্থীদের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা প্রতি বছর প্রার্থীদের জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
২. সুনির্দিস্ট দিকনির্দেশনা থাকতে হবে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির।
৩. কোন প্রার্থী একনাগাড়ে ২বার এর বেশি নির্বাচিত হলে দল হতে তার সাথে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক করতে হবে।
৪. নির্বাচিত প্রার্থী তার দলের কোন কাজে সংশ্লিস্ট হতে পারবেন না।
৫. ২ বারের বেশী প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হওয়া যাবে না। এতে করে নতুন মুখ আসবে রাজনীতিতে, বর্তমানে এ প্রচলন নেই বলেই অনেক সুশীল শিক্ষিত ব্যক্তি রাজনীতি বিমুখ হয়ে পড়েছেন।
৬. একই সাথে দলের ও সরকারের গুরুত্তপূর্ণ পদ দখল করা যাবে না।
৭. প্রতি বছর সম্পদের হিসাব দিতে হবে জনসম্মুখে।
৮. বিচার বিভাগ স্বয়ংসম্পুর্ণ ভাবে চলার স্বাধীনতা দিতে হবে।
৯. স্বচ্ছ জবাবদিহীতা মূলক মনোভাব ও যেকোন নাগরিকের যেকোন প্রশ্ন ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেওয়ার ব্যবস্হা রাখতে হবে। উল্লেখ্য স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্টদেরও ২ সপ্তাহের মধ্যে যেকোন নাগরিকের প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য থাকেন।
১০. সর্বোপরি নির্বাচন পরবর্তী পরিস্হিতি সহজভাবে মেনে নিয়ে নির্বাচিত দলকে স্বাগত জানাবেন হাসি মুখে। কেননা ভোট কারচুপি হলে জনগনই তা বুঝবে, জনগণ এতো বোকা নয় যে ভোট কারচুপি বুঝতে পারে না। তাই অহেতুক বাক্যলাপ না করে দেশের স্বার্থে সরকারকে সাহায্য করুন, আর তা না পারলে অন্তত সংসদে গিয়ে জনগনকে উদ্ধার করুন তাদেরকে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে। কারণ বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন।
সত্যই আর বেশিদিন নয়, রাজনীতিবিদদের বলছি, সময় থাকতে নিজেদের বদলান, নইলে জনগন নিজেরাই বদলাবে আপনাদের এবং নিজেদের।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


