সম্প্রতি আমার বাবা মায়ের সদয় মতিগতি হওয়ায় ভেবেছিলাম যে বিয়েটা এবার করেই ফেলব। উনারা বর্তমানে অবামা ভাইয়ের দেশ ভ্রমনে থাকায় মেয়ে খোজার গুরুদায়িত্বটি বর্তায় আমার বড় চাচির উপর। এসব বিসষে মা ও চাচিরা অঘটন ঘটনে পটিয়সি হয়ে থাকেন। তো চাচি একদিন আমাকে বল্লেন বাবা তোমার জন্য তো মেয়ে দেখছি একটা। মেয়ে ওমুক জায়গায় চাকরি করে। তুমি ইচ্ছা করলে একবার দেখে আসতে পার। স্বভাবতই আমার লাজুক স্বভাব অথবা মেয়ের হাতে প্রহিত হবার ভয়ে যেতে পারছিলাম না।
কিন্তু আমার চাচির নাছোড়বান্দা ভাব দেখে আমি ওই মেয়ের অফিসে যাবার চিন্তা ভাবনা ও প্ল্যান করলাম। অবশ্য এ বিষয়ে আমি একটু ফেসবুক ও আমার এক কলিগের সাহায্য নিলাম। তো ওই মেয়ের অফিস রোববারে খোলা থাকায় সেদিন যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম।
রোববার মনে হলো অনেক দুর, যাই হোক কোনক্রমে পার করলাম শনিবার। রোববার এল। আমি ও আমার কলিগ দুপুরের পর ওদের অফিসে গেলাম। আগেই বলে রাখি, এই সাক্ষাতটি ছিলো অতি ইনফর্মাল, তাই মেয়ে জানত না যে তাকে দেখতে কেউ যাবে? আর যদি সে জানত তাহলে অন্তত আমি যাওয়ার সাহস পেতাম না। আর এভাবে দেখতে যাওয়াটা আমার কাছে মেয়ের জন্য অপমানজনকও বটে। সুতরাং (......) আপনার কাছে সবার সামনেই মাফ চাইছি।
তো অনেক ভয়ে ভয়ে তার ডেস্কের সামনে দিয়ে একবার ঘুড়েই যখন তার দিকে তাকালাম, তখনই আত্তারাম খাচা ছেড়ে বাহির হবার যোগার। কারন সে যথেস্ট সুন্দরী বলে নয়, সে যথেস্ট বিরক্ত মুখে আমার দিকে চেয়ে দেখল বলে। আসলে ওর ওই মুহুর্তের অভিব্যক্তি আমার মনেও খারাপ লাগাল, কেননা আমিতো আসলেই তার কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়েছি।
এখন পর্যন্ত কোন রিপোর্ট পাইনি চাচিকে আমার এই সাক্ষাত পর্বের পর। তবে সবাই বলছেন আমি এম.বি.এ করছি না কেন? এম.বি.এ না করলে নাকি মেয়ে পাওয়া যায় না। আমি সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ার হওয়ার কারণে স্বভাবতই এম.বি.এ র প্রতি অনাগ্রহি, কিন্তু সবাই যেভা্বে আমাকে চেপে ধরেছে এম.বি.এ করার জন্য তাতে কি হয় শেষ পর্যন্ত তা জানি না। তবে আমার ইচ্ছা আমি এম.বি.এ না করেই বিয়ে করে প্রমান করব যে এম.বি.এ ছাড়াও ছেলেরা অনেক যোগ্য তার স্ব স্ব খেত্রে। দোয়া রাখবেন সবাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


