এইচ এস সি' র পর ছাত্র ছাত্রিদের প্রয়োজন পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির।পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অথবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া যায়। অনেকেরই ধারনা আছে পাবলিকে পড়লে এর দাম বেশি।আসুন দেখি পাবলিকে পড়লে কি সুবিধা পাওয়া যায়।
১।ঢাবি,জাহাংগির নগর,বুয়েট এ পড়তে পারলে ভাল দাম (?) পাবেন।শাহজালালও ভাল।এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মার্কেট ভ্যালু ভাল।আপনি এবং আপনার মা বাবা বলতে পারবে আপনি অমুক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন।পড়া লেখার সুযোগ সুবিধা ভাল,ক্যাম্পাস সুন্দর,অবকাঠামো ভাল।জাতিয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সেমিনার,সিম্পোজিয়াম,কম্পিটিশনে অংশগ্রহন করতে পারবেন।বাৎসরিক ট্যুরে বা আন্তর্জাতিক কম্পিটশনের জন্য বিদেশ ভ্রমন করতে পারবেন।দেশ বরেন্য বুদ্ধিজীবীদের এসব জায়গাতে শিক্ষক হিসাবে পাবেন।
বাকি যেসব পাবলিক ভার্সিটি আছে সেগুলর ক্যাম্পাস নোংরা ও আগোছালো (পুরান গুলো) নতুন গুলো ধু ধু মরুভুমি বিশিষ্ঠ।একর একর জমি খা খা করছে।এগুলো দেখার পর চিন্তা আসবে ৪ বছর কিভাবে পার করব।দিনের মধ্যে ১৪ ঘন্টা কারেন্ট থাকবে না,জেনারেটর নাই,তারপরও কম্পিউটার নিয়ে হয়ত পড়তে হবে।
২ চাকুরির সার্কুলারে প্রাইভেট পাব্লিক আলাদা ভাগ থাকে না।সবার জন্য একই সার্কুলার।বিসিএস এর জন্যও তাই।
৩ ভার্সিটি পাসের পর বিদেশ যাবেন।সমস্যা নাই পাবলিকে পড়ার জন্য আপনি বেশি পয়েন্ট পাবেন না।বিদেশে এইসব দেখা হয় না,দেখা হয় সি জি পি এ।
৪ সরকারি ভার্সিটি গুলি গ্রেডিং খারাপ দেয়।
৫ একজন টপ লেভেল দক্ষ শিক্ষক কখনই ঢাকার বাইরে চাকুরি করতে যাবে না। তারা ঢাকাতেই সরকারি বেসরকারি ভার্সিটিতে জব নিবে।দু একটা ব্যাতিক্রম বাদে।
প্রাইভেটে পড়ার সুবিধা
১ ঢাকায় থেকে লেখা পড়া করা যায়।ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকায় এসে পথ ঘাট চিনতে আর মুখ খুলতেই ২ বছর লেগে যায়।
২ ঢাবির ও বুয়েটের প্রবাদ প্রতিম শিক্ষকদের এখানে পার্ট টাইম, ফুল টাইম শিক্ষক হিসাবে খুজে পাবেন। যেমন :মঞ্জুরুল ইসলাম,আইনুন নিশাত,জামিলুর রেজা চৌধুরি প্রমুখ।
৩ ভালো ৫,৬ টি ভার্সিটির ক্যাম্পাস দেখার মত।আমি আহসানুল্লার ক্যাম্পাস দেখেছি।অনেক সরকারি ভার্সিটির ক্যাম্পাস থেকে ভাল।
৪ ঢাকায় অবস্থান হওয়ার কারনে বিভিন্ন সেমিনার,কম্পিটশনে অংশ নেওয়া যায়,কারন ঢাকাতেই এসব অনুষ্ঠিত হয়। নিজেকে আপডেট রাখা যায়।
প্রাইভেট অথবা পাবলিক যেটাতেই পড়েন ব্যাপার না,ভালোটাতে পড়েন।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ১০:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




