somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কারণ, আমরা শিক্ষক।আমরা সব পারি।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১ আমরা রাজনীতি,দলাদলি সব করতে পারব,কিন্তু তোমরা ছাত্ররা এসব করতে পারবা না।কারন, আমরা শিক্ষক।করলে ভাইবা বোর্ডে দেখে নেওয়া হবে।
২ আমরা শিক্ষক শিক্ষকরা মারামারি, গালাগালি,কাদা ছোড়াছুড়ি করতে পারব কিন্তু ছাত্ররা নিজেদের মধ্যে এসব করতে পারবে না।কারন আমরা শিক্ষক, তোমরা ছাত্র।তোমাদের ফেরেশতার মত হতে হবে নইলে ব্যাকলগ ধরায় দেওয়া হবে।
৩ আমরা ছাত্র বয়সে কেল্টামি ( অন্ধের মত লেখাপড়া করা) করছি।এখন শিক্ষক হবার পর নিলজ্জের মত গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘোরাঘুরি করি,ডেটিং করি।কিন্তু তোমরা মেয়ে নিয়ে ঘুরতে পারবা না।কারন, আমরা শিক্ষক।আমরা সব করতে পারি। তোমাদের কেউ এসব করতে যেও না, ধরা পরলে ব্যাকলগ।
৪ আমরা ফাইল কপি করে সেসনাল(প্রাকটিকাল) এ পাস করছি,টিচার হবার পর অন্যের থিসিস চুরি করে জার্নালে প্রকাশের সময় ধরাও খাইছি।কিন্তু তোমরা ফাইল কপি করতে পারবা না,কারন আমরা শিক্ষক।আমরা সব পারি।
৫ আমরা ক্যাম্পাসে ভাংচুর করে,হলে আগুন দিয়ে, ক্যাম্পাস বন্ধ করে,পরিক্ষা পিছিয়ে, ৪ বছরের কোর্স ৬,৭ বছরে শেষ করছি।কিন্তু তোমরা পরিক্ষা ১ সপ্তাহও পিছাতে পারবা না।কারন,আমরা শিক্ষক।আমরা সব পারি।
৬ আমরা ৬ বছর লেখাপড়া করেও ৩ পয়েন্ট ৫ তুলতে পারি নাই,চিন্তার কারন নাই তোমাদেরও তুলতে দিব না।কারন, আমরা শিক্ষক।নাম্বার আমার বাপের সম্পত্তি।
৭ ব্যাক্তি জীবনে আমরা যথেষ্ঠ উচ্ছৃঙখল হতে পারি।বউ পিটিয়ে,গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করে জেল খাটতে পারি,কিন্তু তোমাদের সুশৃঙখল ভাবে চলতে হবে সবখানে।কারন, আমরা শিক্ষক।আমরা সবকিছু করতে পারি।
(ভার্সিটির জুনিয়র ব্যাচের এক ছোট ভাই এর ফেবু স্টাটাস থেকে আইডিয়া নেওয়া)
ছাত্ররা শিক্ষকদের দেখে শিখবে।কিন্তু এই যদি হয় শিক্ষকের অবস্থা তাহলে ছাত্ররা কি শিখবে ইনাদের কাছ থেকে?
এলাকার লোকজন এইসব শিক্ষকদের কি চোখে দেখে তার একটি নমুনা:

এক টিচার গেছে বাস কাউন্টারে টিকিট কিনতে।বিরাট লম্বা লাইন।উনি লাইনের ধার ধারলেন না,লাইন ব্রেক করে কাউন্টারে এসে বললেন "আমি ভার্সিটির টিচার, আমাকে জলদি ১ টা টিকেট দেন।"
কাউন্টারে বসা টিকেট বিক্রেতা জবাব দিল,"বুজজি আপনি ভার্সিটির টিচার,এবার লাইনে দাড়ান।"
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:২০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

**চিঠি ০৩ : ক্যাফের চিঠি** ☕️

লিখেছেন চারাগাছ, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫




বহু বছর পর আজ তোমাকে দেখলাম।

একটা ক্যাফেতে।

জানালার পাশের টেবিলে বসে ছিলে তুমি। সামনে একটা বই, পাশে একটা Affogato। মাঝে মাঝে কফিতে চুমুক দিচ্ছিলে, আবার বইয়ের পাতায় চোখ রাখছিলে।

আমি ক্যাফেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×