somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুপ্রিম কোর্ট থেকে বাস্তুহারা

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আশির দশকে সৈরশাসক এরশাদের পতনের পর অনেকে 'চাচা আপন প্রাণ বাঁচা' নীতি অবলম্বন করেছিলেন অনেকে। তাদের মধ্যে কপিল (ছদ্দ ) সাহেব একজন। বিক্ষোভ কারীদের গুলি বুকে নিয়ে ইউরুপের শহর বার্লিন এ পা রাখেন নব্বই এর দশকে। এখানে ভালো বৈদেশিক নীতির কারণে অনাআসে ঠাই পেয়ে যান। কিছুদিন পর নিজের বিবাহিত বউ নিয়ে আসে। ভালবাসার ফসল হিসেবে সন্তান হয়। কাজের সহজ্লব্বতা আর সংসারের টান পরনে বউ কে ও কাজ শুরু করতে হয়। ভালই চলছিল সংসার।

কপিল সাহেবের আসল ঘটনা পেছনে পরে গেছে। কপিল সাহেব ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি করতেন। সে সময় এরশাদ এর জাতীয় পার্টি অন্যরকম ফর্মে। তিনিও বাতিক্ক্রম নন। ঢাকা বিশাব্বিদ্দালয় থেকে আইন বিষয়ে ব্যাচেলর সম্পন্ন করে সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট এর একজন নামিদামি বিচারক এর সাথে বিচার কার্য অনুশীলন করতে থাকে। দলীয় দাপটে একসময় সময় নামকরা বিচারক দের সাথে কাজ করার সযোগ মিলে।

আস্তে আস্তে নামকরা একজন বিচারক এর সহকারী হিসেবে কাজ করতে শুরু করে। জীবনের তাগিদে কাজ আর যৌবনের তাগিদে দলীয় রাজনীতি। দুইটি যেন সমান গতিতে। তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। তিনি হয়ত কখনো ভাবেন নি তাকে আকাশ থেকে একদম মাটিতে পরতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা কতইনা নিষ্ঠুর।

দেশের মাটিতে মেধা আর প্রভাব এর সাফল্যে মেজাজ কতটা বিগ্রে যেতে পারে তারই হয়ত কিছুটা নমুনা। এরশাদের আচমকা পতনে বিক্ষোভ কারীদের গুলির নিশানাতে তিনি ও ছিলেন। সেই গুলি তার হৃদপিন্ডে এখনো জীবিত। যাইহোক প্রাথমিক চিকিত্সার পর রাজনৈতিক আশ্রয়ে জার্মানির বার্লিন এ পারি জমান। কিন্তু এখানে এসে তিনি তার বিগ্রে যাওয়া মেজাজ নিয়ে খুব বেশি দূর এগুতে পারে নাই। রাজনৈতিক ময়দানের সেই প্রভাব সংসারে খাটান। যা তার সংসারে বয়ে আনে কালো অন্ধকার। জার্মানির মত স্বাধীন দেশে সংসারের সবার স্বাধীনতাকে খর্ব করার চেষ্ঠা করায় কোর্ট ত াকে সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তার সন্তানরা পর্যন্ত তার মৃত্যু কামনা করে। সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তিনি এখন বাস্তুহারা জীবন যাপন করছে।

ঘটনাক্রমে আমার সাথে তার পরিচয় হয়। এখনো তার কথা বার্তা মধ্যে সেই মেধা আর সাহসিকতার ছাপ ভেসে উঠে। এত সুন্দর মানুষ কে মতিভাতে করে কেও না দেখলে বিশ্বাস করবে না।


তাহলে এই রাজনীতিই কি তার এই বাস্তুহারা জীবনের জন্য দায়ী ?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:০১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাল হাদাদ (Baal Hadad): প্রাচীন নিকটপ্রাচ্যের ঝড়দেবতা, রাজশক্তি ও ধর্মীয় ইতিহাসের এক বিস্তৃত বিশ্লেষণ (পর্ব–২)

লিখেছেন রাকিব আর পি এম সি, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:০১

অধ্যায় ৫ : হারিয়ে যাওয়া নগরীর প্রত্যাবর্তন — কীভাবে উগারিত আবার পৃথিবীর সামনে ফিরে এল

চিত্র ৩: প্রাচীন উগারিত নগরীর একটি শিল্পসম্মত পুনর্নির্মাণ (আনুমানিক খ্রি.পূ. ১৪০০–১২০০)

১৯২৮ সালের বসন্তে সিরিয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৭ জুনে বিয়ে, অথচ ২২ জুনের সিভিতে ‘অবিবাহিত’? এমপি সাহেবের এই গণিত কে মেলাবে?

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮



ধরা খাইলেই “দ্বিতীয় বিবি”! কিন্তু ১৭ জুনের বিয়ার পর ২২ জুনের সিভিতে মাইয়া 'আনম্যারিড' থাকে কেমনে?
সাতক্ষীরার এমপি সাবের এই ভণ্ডামির জট ছাড়াইতে পারবেন তো, নাকি এআই (AI) এর ওপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আজ খুশি ভাগ করতে এসেছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:০৫



আসসালামু আলাইকুম। শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছেন সবাই?

আলহা গত বৃহস্পতিবার আমি প্রমোশন পেয়েছি। অতিরিক্ত পরিচালক (৪র্থ গ্রেড)। খুশির সংবাদ জানাতে দেরি করে ফেলেছি সরি।

আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি 2G এর আমলে ফিরে যেতে চাই।

লিখেছেন ইমরোজ৭৫, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:২০


আমি 2G এর আমলে ফিরে যেতে চাই। ইন্টারনেট এর স্পিড খুবই কম। ফেসবুকে কেউ ভাইরাল হতে আসবে না। অল্প লেখায় নিজের মনোভাব ফেসবুকে পোস্ট করবে। কেউ আর পাকনা পাকনা কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামায়াতের দ্বিচারিতায় পরিপূর্ণ রাজনীতি

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ২২ শে জুলাই, ২০২৬ ভোর ৫:২৮


১৯৪১ সালে ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে ইসলামী চিন্তাবিদ সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী ‘জামায়াতে ইসলামী’ গঠন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটি ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×