ছোট বেলা বিতর্ক প্রতিযোগিতা খুব পছন্দ করতাম। যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি ভাল লাগত। তবে "বহুব্রীহি" দেখার পর পাল্টা যুক্তি নতুন মাত্রা পেল। প্রতিটি কথা বা ঘটনার দু'টি দিক থাকে- পক্ষ বিপক্ষ।আমরা সব সময় এক দিক নিয়েই ভাবি। অন্য দিকে হয়ত কথা বা যুক্তি কম। তাই বলে যুক্তি বা কথা নেই তা তো না। আমার এ লেখাগুলো উল্টো যুক্তি নিয়ে। তার মানে আমি প্রচলিত যুক্তিকে অস্বীকার করছি তা না। তবে এ যুক্তিগুলোকেও ফেলে দিতে পারি না।
প্রথমে হা-মীম এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। তাঁর আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। তাকে বলছি- পারলে ক্ষমা করো।
হা-মীমের মৃত্যুতে আমরা সবাই বাসের ড্রাইভারকে দোষারোপ করছি। আমি বলছি না ড্রাইভার নির্দোষ। তবে শুধুই কি তার দোষ? প্রতিদিন বাস থেকে দেখি আমরা পথচারীরা কি করে রাস্তা পার হচ্ছি। তারপরও যে এত কম দুর্ঘটনা হয় সেটাই আশ্চর্য লাগে। চলন্ত বাসের সামনে থেকেই দৌড় দিচ্ছি। ফুটওভার ব্রীজগুলোর ব্যবহার নেই বললেই চলে। ব্রীজের ঠিক নিচ থেকেই দেখা যায় হেঁটে রাস্তা পার হতে। আর ব্রীজ যদি ২হাত দূরে হয় তো কথাই নেই।
হা-মীমের দূর্ঘটনাটি যেখানে ঘটে ঠিক তার কাছেই একটা ফুটওভারব্রীজ আছে। আমার প্রশ্ন কেন আমার ছোট শিশুটিকে নিয়ে আমি ব্রীজ থেকে রাস্তা পার হব না? দুর্ঘটনা কি তাহলে আমরা এড়াতে পারি না? নিজের কাজে মাঝে মাঝেই কাকরাইল যেতে হয়। তখন দেখি ছোট শিশুদের নিয়ে মায়েরা কিভাবে রাস্তা পার হন। শুধু তাদের না সবাইকে বলছি, আসুন নিয়ম মেনে চলি। এমন অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত কান্না থেকে তাহলে আমরা বেঁচে যাব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


