সারারাত আতঙ্কে থাকার পরও শেষ রাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে ঘুমাতে গিয়েছিলাম......অন্তত আর যাই হোক একটা বাচ্চা, নিষ্পাপ প্রাণ, একদম আমার ভাগ্নের বয়সী সে বেঁচে তো আছে আর এটাই বড় কথা। কিন্তু আজ বিকেলটায় সবকিছু কেমন যেন ঝাপসা, শোকময় হয়ে উঠলো! আল্লাহ্, বাচ্চাটাকে তুমি জান্নাত নসীব করো। একই সাথে অভিভাবকদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। তারা যখন বাচ্চার যত্ন নেওয়া শুরু করেন, তখন বাচ্চাটাকে তিলে তিলে অতি যত্ন নিয়ে মেরে ফেলেন। বাচ্চার শিশুকাল বয়স শেষ হবার আগে বই, স্কুল দিয়ে কঠিন দুনিয়াতে পাঠিয়ে দেন...... এরপর স্কুলেও রেহাই নাই...... ১০-১২ টা বিষয়, আবার সেই বিষয়গুলোর জন্য আলাদা আলাদা করে টিচার......... এভাবেই তিলে তিলে মরতে থাকে বাচাগুলো! এরপর কিছু অভিভাবক আছেন যারা বাচাগুলোকে খেলতে পাঠিয়ে দিয়ে নিজেরা ভুলেই যান ওই বাচ্চা আছে কি নাই তাই মনে করতে। এরকম গর্ত অহরহ আছে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে। প্রায় প্রতি বছরই এরকম কিছু ঘটনা ঘটে। গর্তে পরে যাবে, ডোবা, পুকুর, খালে ডুবে যাবে, ছাদ বা কার্নিশের কোণ থেকে পরে যাবে...... হাত-পা ভাঙবে, কপাল ভালো থাকলে বেঁচে যাবে টা না হলে জিহাদের মত পরিস্থিতি বরণ করবে। তাই নব্য বা পুরাতন বা হবু সব ধরণের অভিভাবকদের এখুনি উচিত এই ব্যাপারগুলো আরো যত্ন নিয়ে খেয়াল করা, যাতে অন্তত আর এরকম হৃদয়বিদারক দৃশ্য বা ঘটনা দেখতে না হয়।
বিঃ দ্রঃ যারা পাশাপাশি এ ধরণের ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে অনেক ধরণের ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করেন তাদেরও উচিত এইসব ব্যাখ্যা থেকে দূরে থেকে আগে সচেতনতা তৈরি করা। হয়তো জিহাদের স্থলে আজকে ভিকটিম হতো আপনার, আমার বাচ্চা, ভাগ্নে, ভাগ্নি, ভাতিজা, ভাতিজি, ভাইবোন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

