বাংলাদেশের খেলা নিয়ে খুশির জোয়ার চলছে । মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরি খেলায়, স্বপ্নে, আশায় নতুন মাত্রা দিয়েছে । কিন্তু আমি স্বস্তিতে নেই । সারারাত কেটেছে অস্বস্তিতে, এখনও তা । ভাবছি কাল বগুড়ার মেয়েগুলোর কথা । তারা পারিবারিক, সামাজিক ভাবে কি পরিমান হেনস্তা হচ্ছে?!!
আমার ছোট বোন প্রেম করতো । পরে পারিবারিক ভাবেই বিয়ে । কিন্তু এ বিয়েতে মাকে রাজী করাতে নাকের পানি আর কপালের ঘামের মিকচার । প্রেম করাটাই অপরাধ ছিল বোনের। সেই জায়গায় পার্কে বন্ধু, সহপাঠী, প্রেমিকের সাথে দিনের আলোতে এমন কালি মেখে আবার তা ভিডিও করে নেটে ছেড়ে দেওয়ার পর এ মেয়েগুলি কি পরিমান গজ্ঞনার শিকার হচ্ছে?!! হবে?!
কেউ কি দেখার নেই ।
এত বড় নারী নির্যাতন, সংবিধান লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যাবহার করার পরও এখন পর্যন্ত বগুড়ার ঐ মেজিসট্রেটের নামে কোন আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হলো না!!!
কেন? এ দেশ কি শরীয়া আইনে চলছে? এ দেশ কি আই.এস এর ? আই.এস/তালেবান/আল-কায়েদারা তো এমন সমাজ চায় । বগুড়ার মেজিসট্রেট জঙ্গীদের মত অস্ত্রও ধরতো যদি সুবিধা পেত । এ মেজিসট্রেটের মনোভাব শতভাগ জঙ্গীদের মত । এরে রিমান্ডে নিলে অনেক তথ্য, ষড়যন্ত্র বের হওয়ার কথা স্বাভাবিক ভাবেই । বগুড়ায় আওয়ামী লীগার, স্বাধীনতা পন্থী এ পর্যন্ত ( গত দুবছরে ) খুন হয়েছে ১০০ জনের কাছা কাছি । এ সব খুনে যে সব অস্ত্র ব্যাবহার হয়েছে পুলিশ যদি ঐ মেজিসট্রেটকে নিয়া “অস্ত্র উদ্ধারে” বাইর হয় কিছু না কিছু পাওয়া যাবেই ।
নাকি আমরা অপেক্ষা করবো ঐ মেজিসট্রেটের “ভি” সাইনের জন্য অথবা আমি যা করছি ঠিক করছি, তোমরা আমার বা* ছিড় এ বাণীর জন্য।
আমার ভালো লাগছে না । মেয়েগুলোর কথা, ছেলে গুলোর কথা চিন্তা করে। অনেক মেয়েই এখন শিক্ষক, শিক্ষিকা এমন কি ইভ টিজারদের দ্বারা কটু কথা শুনবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




