
দৌড় সালাউদ্দিনের পর গুহা মানব সালাউদ্দিনকে নিয়ে এত হা হুতাস করার কিছু নেই।
উনি আফগানস্থান থেকে বিশেষ প্রশিক্ষন নিয়ে এসেছেন।উনি জানেন কিভাবে পাহাড় ,পর্বত ও গুহায় লুকিয়ে থাকতে হয়।এবং লাদেন-এর অনুসারি এটাও বিশেষত করায়ত্ত করেছেন কিভাবে ভিডিও,অডিও বা পত্র মারফত হুমকি ধামকি দিয়ে আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস চালানো যায়।
গুহা-মানব নিয়মিত ভাবেই মানুষ হত্যা নির্বিগ্ন করার জন্য বায়বীয় হরতাল ও অবরোধ নামক আজিব এক অধ্যায় চালিয়ে যাইতেছেন।
মাঝে মাঝে সরকারকে হুমকিও দিতে দেখা গেছে।খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করলে নাকি কেয়ামত করে ফেলবে বাংলাদেশে।অসহযোগ আন্দোলনের হুমকি না দিয়ে করে দেখালে ভালো হইতো।বি,এন,পি/জামাতের আন্দোলন করার শক্তি না থকলেও বাংলাদেশকে আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে ফিরিয়ে নেওয়ার শক্তি আছে ।এটার প্রমাণ তারা বীর-বিক্রমে দেখাইতেছে।আর সব কিছুতে ব্যার্থ হলেও ,লেখা পড়া বন্ধ করে দিতে পারছে তারা বাংলাদেশে।জাতি ধ্বংস করার জন্য যা করা দরকার তা তারা যথাযথ পালন করেছে।
তাদের সালতানাত কায়েম করার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা থাকলেই যথেষ্ট।তাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করাই তাদের মূল লক্ষ।পুরো পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে তারা বাংলাদেশে তালেবানি হুকুমাত কায়েমে ব্যাস্ত আছেন।এক গুহা থেকে আরেক গুহাতে স্থানান্তর হয়েছে গুহা-মানবের ।এটা নিয়ে হৈ হোল্লোর করার কোন কারন নেই।আসল গুহাতো লন্ডনের তোরাবোরা টাওয়ারে বহাল রয়েছে।সেখান থেকে যথারিতি ওহি নাজেল হওয়া অব্যাহত আছে।
স্রোতের বিপরীতে কেউ কোনদিন সফল হয়নি।বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যখন প্রতিরোধ ও প্রতিহত করা শুরু করবে।তখন জিয়াউর রহমানের রক্ত বলেও পাড় পাওয়া যাবেনা।দৌড় সালাউদ্দিনের পর গুহা মানব সালাউদ্দিনকে নিয়ে এত হা হুতাস করার কিছু নেই।
উনি আফগানস্থান থেকে বিশেষ প্রশিক্ষন নিয়ে এসেছেন।উনি জানেন কিভাবে পাহাড় ,পর্বত ও গুহায় লুকিয়ে থাকতে হয়।এবং লাদেন-এর অনুসারি এটাও বিশেষত করায়ত্ত করেছেন কিভাবে ভিডিও,অডিও বা পত্র মারফত হুমকি ধামকি দিয়ে আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস চালানো যায়।
গুহা-মানব নিয়মিত ভাবেই মানুষ হত্যা নির্বিগ্ন করার জন্য বায়বীয় হরতাল ও অবরোধ নামক আজিব এক অধ্যায় চালিয়ে যাইতেছেন।
মাঝে মাঝে সরকারকে হুমকিও দিতে দেখা গেছে।খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করলে নাকি কেয়ামত করে ফেলবে বাংলাদেশে।অসহযোগ আন্দোলনের হুমকি না দিয়ে করে দেখালে ভালো হইতো।বি,এন,পি/জামাতের আন্দোলন করার শক্তি না থকলেও বাংলাদেশকে আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে ফিরিয়ে নেওয়ার শক্তি আছে ।এটার প্রমাণ তারা বীর-বিক্রমে দেখাইতেছে।আর সব কিছুতে ব্যার্থ হলেও ,লেখা পড়া বন্ধ করে দিতে পারছে তারা বাংলাদেশে।জাতি ধ্বংস করার জন্য যা করা দরকার তা তারা যথাযথ পালন করেছে।
তাদের সালতানাত কায়েম করার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা থাকলেই যথেষ্ট।তাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করাই তাদের মূল লক্ষ।পুরো পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে তারা বাংলাদেশে তালেবানি হুকুমাত কায়েমে ব্যাস্ত আছেন।এক গুহা থেকে আরেক গুহাতে স্থানান্তর হয়েছে গুহা-মানবের ।এটা নিয়ে হৈ হোল্লোর করার কোন কারন নেই।আসল গুহাতো লন্ডনের তোরাবোরা টাওয়ারে বহাল রয়েছে।সেখান থেকে যথারিতি ওহি নাজেল হওয়া অব্যাহত আছে।
স্রোতের বিপরীতে কেউ কোনদিন সফল হয়নি।বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যখন প্রতিরোধ ও প্রতিহত করা শুরু করবে।তখন জিয়াউর রহমানের রক্ত বলেও পাড় পাওয়া যাবেনা।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০১৫ ভোর ৬:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




