আমার প্রিয় পোস্ট
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা: যাঁদের ত্যাগে এ দেশ স্বাধীন হল - অচেনা সৈকত
- মি: আকন্দ এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী জোশ (উৎসর্গ : কল্পণা চাকমা) - মেজভাবী
- তারকাঁটার ঐ পাশে আরশি নগর (উৎসর্গ কুঙ্গ থাঙ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- আদিবাসীদের মাতৃভাষাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারসহ সকলের আন্তরিকতা প্রয়োজন - জেনন
- রতন থিয়ামের কবিতা - হামোম প্রমোদ
- রাংলাই ম্রো-শেকলে বন্দী ক্ষুব্ধ পাহাড়। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া... - হমপগ্র
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- পল্লবের পরীরা (শেষ) - বিপ্লব রহমান
- দায় এবং দায়িত্ববোধ... - মিট্ঠু
- আদিবাসী সম্পর্কে ভুলে ভরা বাংলাপিডিয়া (এক) - বিপ্লব রহমান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

মণিপুরীদের মহারাস উৎসবে সবাইকে আমন্ত্রন। কবে কখন কি অনুষ্ঠান, কিভাবে যাবেন বা কোথায় থাকবেন ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
![]()
বছর ঘুরে আসছে বাংলাদেশের মণিপুরী সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক উৎসব মণিপুরী মহারাসলীলা। মণিপুরী মহারাসোৎসব সিলেট বিভাগের অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম লোক-নৃতাত্ত্বিক উৎসব। বিপুল আনন্দ উদ্দীপনার এই দিনটির জন্য শুধু মণিপুরীরাই নয়, স্থানীয় বাঙালীসহ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অন্যান্য সকল সম্প্রদায়ের লোকজন বছরব্যাপী প্রতীক্ষায় থাকে। এ বছর মহারাসলীলার ১৬৬তম বর্ষপুর্তি উৎযাপিত হচ্ছে। ১৩ নভেম্বর, ২০০৮ সিলেটের মৌলবীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার মাধবপুর জোড়ামন্ডপ এবং আদমপুর সানাঠাকুর মন্ডব হয়ে উঠবে লাখো মানুষের মিলনমেলা। সাদা কাগজ দিয়ে কারুকার্যময় নকশায় সাজানো মণ্ডপগুলোতে দূর-দূরান্ত থেকে জড়ো হওয়া মণিপুরী নৃত্যশিল্পীদের সুনিপুণ নৃত্যগীতি মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে দর্শনার্থীদের।
বৈষ্ণব সাহিত্যের রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার এক নৃত্যগীতাভিনয় অনুষ্ঠান হচ্ছে রাসলীলা। রাস শব্দটি রস শব্দের বিবর্তিত রূপ বলে অনুমান করা হয়। মণিপুরীদের প্রথম রাসলীলা বা রাসলীলানুসরণ অনুষ্ঠান হয় মণিপুরীদের আদিভূমি মণিপুরে ১৭৬৯ খৃস্টাব্দে রাজা ভাগ্যচন্দ্র সিংহের আয়োজনে। বর্তমান যুগের ভারত ও বঙ্গে যে রাসলীলা কেন্দ্রিক রাস উৎসব হয়ে আসছে–তার প্রচারক হচ্ছেন প্রখ্যাত এই মণিপুরী রাজা। গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মমতে মোহবিষ্ট রাজা স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে কন্যা লাইরোবিকে রাধার ভূমিকায় অবতীর্ণ করে রাস অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিলেন। মৈথিলী ও ব্রজবুলি ভাষার বিভিন্ন পদের মণিপুরী সঙ্গীতের নিজস্ব গায়কী ও মুদ্রা-পদবিক্ষেপে জটিল এবং ধ্রুপদী ধারার এই গীতিনৃত্যধারা মণিপুরীদেরকে ভারতীয় উপমহাদেশের তথা সমগ্র বিশ্বের নৃত্যকলার মধ্যে একটি বিশেষ স্থান করে দিয়েছে।
![]()
বাংলাদেশে মণিপুরী রাসলীলা উৎযাপনের ইতিহাস
অষ্টাদশ শতকের প্রথম পাদে বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসতি স্থাপনকারী মণিপুরীরা আজ থেকে প্রায় দেড় শতাধিক বছর পূর্বে প্রথম এই দেশে তাদের ধর্ম-সংস্কৃতির প্রধান উৎসব রাসলীলার সূচনা করে। বাংলা ১২৮৯ সন নাগাদ ১৮৪২ খ্রীষ্টাব্দের শারদীয় পুর্ণিমা তিথিতে তৎকালীন মৌলবীবাজার মহকুমার মাধবপুর জোড়ামন্ডপে মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া সম্প্রদায়ের আয়োজনে এবং মণিপুরী মৈতৈ সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় রাসলীলা। জোড়ামন্ডপের প্রথম সেই রাসলীলানুকরনে বৃন্দার ভুমিকায় ছিলেন রাণী চ্যাটার্জ্জী, রাধা ও কৃষ্ণের ভুমিকায় ছিলেন থাম্পাল সিনহা ও বাবুল সিংহ, রাসধারী বা রাসের পরিচালনাকারী ছিলেন বকসাল সিংহ ও সহযোগী সাংকয় সিংহ। প্রাথমিক অবস্থায় কেবল রাত্রিতে শারদীয় রাস অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তীতে দিবাভাগে গোষ্ঠলীলা যোগ করা হয়।
১৯১৯ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিলেট ভ্রমনে এলে সিলেট শহরের অদুরে মাছিমপুর পল্লীতে মণিপুরী মেয়েদের পরিবেশিত রাস নৃত্য দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। পরে কবিগুরু কমলগঞ্জের নৃত্য শিক্ষক গুরু নীলেশ্বর মুখার্জীকে শান্তি নিকেতনে নিয়ে গিয়ে প্রবর্তন করেছিলেন মণিপুরী নৃত্য শিক্ষা ।
১৮৪২ সাল থেকে প্রতি বৎসরই জোড়ামন্ডপে মণিপুরী রাসলীলা উৎযাপিত হয়ে আসছে। শুধুমাত্র ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মণিপুরীরা রাসলীলানুকরন বন্ধ রাখে। একই এলাকার আদমপুর বাজারের সানাঠাকুর মন্ডপে ১৯৮৬ সাল থেকে মণিপুরী মৈতৈ সম্প্রদায়ের উদ্যোগে রাসলীলা উৎযাপন শুরু হয়। সময়ের সাথে রাসোৎসবের আকর্ষণ যেমন বেড়েছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উৎসবে দর্শনার্থীর সমাগম।
কোথায় কখন কি অনুষ্ঠান
বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের আয়োজনে জোড়া মন্ডপ ও মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীর প্রাঙ্গনে ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা থেকে গোধূলী লগ্ন পর্যন্ত গোপরাস (স্থানীয় ভাষায় রাখুয়াল) অনুষ্ঠিত হবে। এই রাস পুরুষদের। শ্রীকৃষ্ণ, সখা বলরাম ও অন্যান্য গোপবালকদের গোষ্ঠে গরু চরাতে গিয়ে সম্মুখীন নানা ঘটনার চিত্র এই রাসে রূপায়িত হয়। মণিপুরী শাস্ত্রীয় নৃত্যের বৈষ্ণব ভক্তিভাবাপন্ন নরম কোমল ভাবের বিপরীতে এখানে তান্ডব ধারার নৃত্যই প্রধান। অজা বা গুরু বসেন মৃদঙ্গ নিয়ে। আর মানকসাপি বা যশোদা ও রোহিনী-রূপী নারীদ্বয় মন্ডলীর এককোনে বসে গান ও অভিনয় কর্ম সম্পন্ন করেন। ১২ টি কলাগাছ দিয়ে বেষ্টিত তিনটি পৃথক মঞ্চে শতাধিক তরুন ঐতিহ্যবাহী পোষাকে সজ্জিত হয়ে গোপরাস বা গোষ্ঠলীলায় অংশ নেয়।
![]()
সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত লোক ঐতিহ্যমুলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই সময় দর্শকরা ঘুরে দেখতে পারেন রাস মেলা। রাস উৎসব প্রাঙ্গনেই বসে বিরাট এই গ্রাম্য মেলা। মেলায় অন্যান্য স্টলের পাশাপাশি বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার বইপত্র ও পত্রপত্রিকার অনেকগুলো স্টল থাকবে। মণিপুরী ভাষার অডিও ভিডিও গানের ক্যাসেট বা সিডির দোকানও থাকবে। তাছাড়া রাসমেলায় মণিপুরী হস্তচালিত তাঁতের কাপড়ের প্রদর্শনী ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হবে।
এরপর রাত সাড়ে ৯ টা থেকে সাড়ে ১০ পর্যন্ত মণিপুরী নটপালা কীর্তন। রাত ১১ টা থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত চলবে শ্রীশ্রী কৃষ্ণের মহারাসলীলানুসরণ। বাঁশ ও কাগজ কেটে বিশেষ কারুকাজে রাসের মন্ডলী তৈরী করা হয়। মন্ডলীর দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে বসে রাসধারী বা রাসের গুরু, সূত্রধারীগণ এবং বাদকগণ। পাশাপাশি তিনটি মন্ডপে আনুমানিক প্রায় ২০০ জন কিংবা ততোধিক সংখ্যক তরুণী এ রাসলীলায় অংশ নিয়ে থাকে। রাসের সাধারণ ক্রম হচ্ছে- সূত্রধারী কর্তৃক রাগালাপ ও বন্দনা, বৃন্দার কৃষ্ণ আবাহন, কৃষ্ণ অভিসার, রাধা ও সখীদের অভিসার, রাধা ও কৃষ্ণের সাক্ষাৎ ও মান-অভিমান, ভঙ্গীপারেং, রাধার কৃষ্ণ-সমর্পন, যুগলরূপ প্রার্থনা, আরতি ইত্যাদি।
![]()
মণিপুরী মৈতৈ সম্প্রদায়ের উদ্যোগে আদমপুর বাজারে সানাঠাকুর মন্ডপ প্রাঙ্গনে রাসলীলা উৎসবে কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় রাখাল নৃত্য, সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ১০টা পর্যন্ত মণিপুরীদের ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য ও মার্শাল আর্টের শিল্পিত রূপ থাঙ-টা পরিবেশনা। রাত ১১ টায় বরাবরের মতো পালা ও রাত ১২ টায় মহারাসলীলা।
কিভাবে আসবেন
উৎসবের আগের দিন ঢাকা থেকে ট্রেনে অথবা বাসযোগে আসতে পারেন। কমলাপুর রেল ষ্টেশন থেকে পারাবত, জয়ন্তিকা ও উপবন ট্রেনে শ্রীমংগল এসে তারপর বাসযোগে ২০/২৫ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করলেই পাবেন ভানুগাছ বা কমলগঞ্জ থানা। ট্রেনের ভাড়াও খুব বেশী নয়, ১২০-১৫০ টাকার মধ্যে। ট্রেনগুলো ঢাকা থেকে ছাড়ে যথাক্রমে সকাল ৭টা, বেলা ১:৩০ ও রাত ১০টায়, এবং পৌঁছার আনুমানিক সময় যথাক্রমে দুপুর ১২টা, সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৩টা। জয়ন্তিকা ট্রেনে আসলে সরাসরি ভানুগাছ নামতে পারবেন। এছাড়া ঢাকার ফকিরেরপুল ও সায়েদাবাদ থেকে শ্যামলী, হানিফ ও মৌলবীবাজার সিটি পরিবহনের বাস নিয়মিত সার্ভিস দিচ্ছে। ভাড়া পড়বে ২৫০ টাকা।
![]()
ভানুগাছ চৌমুহনা থেকে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান সড়ক ধরে ৩ কিলোমিটার গেলেই মাধবপুর জোড়ামন্ডপ। অন্যদিকে কমলগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে কমলগঞ্জ-কুরমা সড়ক ধরে সোজা ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে আদমপুরের সানামন্ডপ। এসব রাস্তায় নিয়মিত বাস, পিকআপ, সিএনজিচালিত অটোরিক্সা ও রিক্সা চলাচল করে।
কোথায় থাকবেন
শ্রীমংগল এবং মৌলবীবাজার সদর দুই জায়গাতেই থাকতে পারেন। মাঝারী এবং সস্তা দুমানেরই নানান রেস্টহাউজ ও আবাসিক হোটেল আছে শ্রীমংগল শহর এবং মৌলবীবাজার সদরে। তবে মৌলবীবাজার থেকে ভানুগাছ/কমলগঞ্জ আসতে দেড় থেকে দুইঘন্টা সময় লাগে, যেখানে শ্রীমংগল থেকে আসতে লাগে মাত্র ২০/২৫ মিনিট। এছাড়া মফস্বল শহর ভানুগাছ এবং শমশেরনগরেও কিছু ছোটখাট আবাসিক হোটেল রয়েছে। ভানুগাছ বাজার/ আদমপুর বাজারে খাবারের জন্য হোটেল আছে। এছাড়া রাসমেলাতে কিছু সাময়িক রেস্টুরেন্ট থাকে, খাওয়ার কাজটা সেখানেও সারতে পারেন।
বাড়তি আকর্ষন
২/৩ দিন সময় নিয়ে এলে মণিপুরীদের মহারাস ছাড়াও অনেক কিছু উপভোগ করতে পারবেন। এ অঞ্চলের দর্শনীয় স্থানের মধ্যে বড়লেখার মাধবকুন্ড জলপ্রপাত , লাওয়াছড়া রিজার্ভ ফরেস্ট , রাবার বাগান, মাধবপুর চা-বাগানের লেক ও ড্যামের নিসর্গ, মৌলভীবাজার শহরে হজরত শাহ মোস্তফা (রহঃ)এর মাজার শরিফ, শ্রীমংগলের চা গবেষনা কেন্দ্র বিটিআরআই, বৃটিশবিরোধী কৃষক আন্দোলন খ্যাত ভানুবিল গ্রাম, কুলাউরার পৃথিমপাশা নওয়াববাড়ী, কমলগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, মাগুরছড়া গ্যাসক্ষেত্র ইত্যাদি। অফ চান্সে শ্রীমংগলের ইস্পাহানি চা বাগানে খেয়ে আসতে পারেন নীল কন্ঠ চা কেবিনের এককাপ পাঁচ লেয়ারের চা ।
![]()
গত বছর অনুষ্ঠিত মণিপুরী মহারাসের কিছু ভিডিওচিত্র
* গোপরাস বা রাখুয়াল
* রাসমেলা
* রাসলীলায় জনসমাগমের একাংশ
* রাসলীলায় বৃন্দার কৃষ্ণ আবাহন ও কৃষ্ণ নর্ত্তন
* গোপীদের নৃত্য
মণিপুরী রাসলীলা সংক্রান্ত কিছু লিংক
* Grand Observance of 165th Maha RasLila
* প্রণমহি বঙ্গমাতার ফিল্ডওয়ার্ক পদ্ধতি - সাইমন জাকারিয়া
* রাস উৎসব - এম হোসেইনের ব্লগ
* আজ মহা রাসলীলা - ভাস্কর চৌধুরীর ব্লগ
রাসোৎসব বা এ সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে এখানে পোস্ট করতে পারেন। আরেকটা কথা, এই সময়ে এদিকটায় শীতের প্রকোপটা দেশের অন্যান্য জায়গার তুলনায় একটু বেশীই, কাজেই শীতের কাপড় নিতে অবশ্যই ভুলবেন না।
আপনার যাত্রা শুভ হোক। ব্লগের সবাইকে শারদীয় রাসপূর্ণিমার অগ্রীম শুভেচ্ছা।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মণিপুরী রাসলীলা, মহারাস উৎসব, রাসমেলা, জোড়ামন্ডপ, কমলগঞ্জ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: এপেই যেসাদে আসু বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
সামনা সামনি দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই অন্যরকম হবে । ভাল করেছেন আমাদের সংস্কৃতির সাথে জড়িত একটা আচার-অনুষ্ঠানের আদি-ইতিহাস তুলে ধরে ।লেখক বলেছেন: আসবেন কিনা সেইটা তো বললেন না!
লেখক বলেছেন: ![]()
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
ব্যস্ততার কারণে যাওয়া হবে না! লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
যাবো একবার ।
লেখক বলেছেন: এবারেই চইলা আসেন
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: চইলা আসেন ![]()
মু্ক্ত মানব বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যভাত।
যেতে পারলে ভাল হত, কিন্তু............
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সৌম্য বলেছেন:
প্রচন্ড ভাবে চেষ্টা করবো। আপনারটা সহ ৩ টা হলো। রোয়াং ছড়িতে বমদের চন্দ্র উৎসব, রাসমেলা কুয়াকাটায়, আর ভাওয়ালের জঙ্গলে পুর্নিমা রাতে ক্যাম্পিং। ফিলিং লাকি
লেখক বলেছেন: আপনি সত্যিই ভাগ্যবান। এইটা কিন্তু মিস কইরেন না!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ... পরের কোন উৎসব পার্ব্বন এলে আপনাকে জানাবো।
লুলুপাগলা বলেছেন:
যাওয়ার চিন্তা কর্তেছি, দু'একজন ফ্রেন্ডকে রাজী করানো যায় কিনা দেখি। সেখানে আপনার সাথে কি দেখা হতে পারে?
লেখক বলেছেন: আসারে সুযোগ থাকলে মিস কইরেন না। ...দেখা অবশ্যই হবে। উইকিপিডিয়ার স্টলে আমাকে পাবেন।
হাসান বিপুল বলেছেন:
আমার পোস্টে গিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছেন, এটাকে আমি বাড়িতে এসে দাওয়াত দেয়ার মতোই গুরুত্ব দিচ্ছি। সে জন্য আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে, এবার হয়তো পারব না। আগামি দু সপ্তাহের হিসেব বলছে অফিসের কারণেই ঢাকার বাইরে যাওয়ার নতুন প্ল্যান ঠিক এখনি সম্ভব নয়।তবে আমার ইচ্ছে আছে আপনাদের (আপনার নাম দেখে ধারণা করছি নিজেদের একটি পার্বণের কথাই বলেছেন) এলাকায় যাবো। সম্ভব হলে কয়েকদিন থেকে জানার চেষ্টা করবো সেখানকার জীবন যাপন। সেটা যদি সম্ভব হয়, তবে অবশ্যই আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করেই যেতে চাই। আমাকে ই-মেইল করতে পারেন hbipul অ্যাট ইয়াহু ডট কম ঠিকানায়।
ভালো থাকবেন। মহারাস উৎসবের শুভেচ্ছা প্রতিজন মণিপুরী ভাই-বোনকে।
লেখক বলেছেন: কি আর করা তাহলে
... পরের কোন পার্ব্বন এলে অবশ্যই জানাবো।
আপনাকেও শারদীয় পুর্ণিমার শুভেচ্ছা মোবারক।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
মহারাস উৎসবের শুভেচ্ছা প্রতিজন মণিপুরী ভাই-বোনকে। সময় সুযোগমত যাওয়ার ইচ্ছা অনেক দিনের..
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ
আইচ্ছা... আপ্নে বিশেষ কি খাওয়াইবেন সেইটা তো কৈলেন্না
যাউক্গা ভাল থাইকেন...
লেখক বলেছেন: আমার জইন্য কি নিয়া আসতেসেন সেইটা আগে বলেন ![]()
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
আছি..........................
লেখক বলেছেন: হোখে.....................
লেখক বলেছেন: মঞ্চাইতেছে যখন..... 'কিন্তুক'রে বাসায় থুইয়া চইলা আসেন ![]()
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
সম্ভবত: ৯২ সালে গিয়েছিলাম একবার ।আবার যেতে ইচ্ছে করে । কিন্তু সেই বন্ধুদল আর নেই ....।
আরেকবার শ্রীমঙ্গলের প্রেমনগর চা বাগানে সারারাত দেখেছিলাম যাত্রা । আহা , কীসব স্মৃতি ।
লেখক বলেছেন: ইহাই জগতের নিয়ম
.... তবে সেইসব বন্ধুদলের সাথে ঐ স্থানে পুনর্বার সাক্ষাৎ ঘটিয়া যাওয়াও তো বিচিত্র নহে!
শেখ রহিম বলেছেন:
+
তথ্যসমৃদ্ধ লেখা। খুব ভালো লাগলো।
কমলগঞ্জের রাসলীলায় প্রতিবছরই আমি যাই। এবারও যাচ্ছি। তবে সেখানে নিউজ কভারের জন্যই মূলত যাওয়া হয়।
কুঙ্গ থাঙ ভাই আপনাকে একটা অনুরোধ করছি। আমার কাছে আপনার প্রদত্ত এ ধরনের তথ্য নাই রাসলীলা সম্বন্ধে। যদি পারেন ছবি ও তথ্য আমাকে একটু মেইলে পাঠাবেন। পাঠালে উপকৃত হবো।
ডকুমেন্ট মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে হলে ভালো হবে।
আমার মেইল।
লেখক বলেছেন: কমেন্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
রাসোৎসবে পত্রিকা ও স্টলের কাজে ব্যস্ত থাকায় রাসলীলার তথ্য সম্বন্ধে আর্টিক্যাল কম্পোজ করতে পারলাম না এজন্য খুবই দুঃখিত ভাই। মণিপুরী রাসলীলা সংক্রান্ত কিছু লিংক দিলাম, হয়তো আপনার কাজে আসতে পারে -
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
ধন্যবাদ। রাস উৎসবের দিন দেখা হবে।
আন্ধার রাত বলেছেন:
নাং কারামপালে? আই নামো নুংশি
এই দুইটা লাইন আমার এক মনিপুরী বান্ধবী আমাকে শিখিয়েছে। আরো দু'একটা শিখিয়েছিল কিন্তু জব্বর কঠিন থাকায় খায়া হালাইছি।
আমি সিলেট শহরে থাকি। বিশেষ কাজে ১০/১২ বার শমসের নগর ও একাধিকবার ভানুগাছ যেতে হয়েছে। এরকম উত্সবের কথা কেউ কখনো বলেনি কিংবা শুনলেও মাথার উপর দিয়ে হয়তো গেছে! চেষ্টা করবো আমার এক বন্ধুকে ১ দিনের জন্য অন্তত: পটাতে। তবে পটানোর আগে অবশ্যই আপনার এই লেখা তার চোখে ঝুলিয়ে দেব, যাতে এ্যান্টি "না" তে কাজ করে। গেলে আপনার সাথে দেখা করবো।
লেখক বলেছেন: চলে আসেন। পটানোর ব্যাপারে যাবতীয় সহযোগিতা দেয়া হবে। .. দেখা হবে আশা করি।
মানবী বলেছেন:
মণিপুরী মহারাস উৎসবে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আনন্দময় হোক সকলের জীবন।দেশের বাইরে অবস্থান করায় উৎসবে যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা বলে দুঃখিত! নিমন্ত্রনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ কুঙ্গ থাঙ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শারদীয় রাসোৎসাবের শুভেচ্ছা, প্রিয় মানবী। ভালো থাকবেন ।
কানা বাবা বলেছেন:
আমন্ত্রণের (নাকি আশোলেই নিমন্ত্রণ?!) জৈন্য বহুৎ বহুৎ শুক্রিয়া, দাদা...
মাগার ক্যালেন্ডারে হিশাপ্ কৈষা দেক্লাম্ ঐসুমকা আজাইরা এ্যাক্কামে আটকায়া থাকুম্...
দেইক্কা মন্ডাই খরাপ্ হৈয়া গ্যালোগা... দেকি, নেক্সট টাইম... জুদি থাকি বাইচ্চা...
রাসোৎসবের শুভেচ্ছা জানবেন...
লেখক বলেছেন:
কিয়ার্করা .... এইডা আশলৈ নিমন্ত্রনাছিলো, আমন্ত্রন্না।
লেখক বলেছেন: শারদীয় পূর্ণিমার অগ্রীম শুভেচ্ছা, প্রিয় রাশেদ। এই ব্লগে আমার লেখালেখির পেছনে আপনার অনুপ্রেরনা যথেষ্ঠ ভুমিকা রেখেছে।
রাহা বলেছেন:
নিমন্ত্রণের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । দেখি.... যাওয়া যায় কিনা ।
লেখক বলেছেন: দেখা হচ্ছে তাহলে
!
মুর্খ বলেছেন:
খুব ভালো লাগল সব কিছু বিস্তারিত জানতে পেরে। আমাকে কি আপনি কুয়াকাটার রাশমেলা সম্পর্কে কিছু জানাতে পারবেন???
লেখক বলেছেন: সৌম্যর ব্লগে এনিয়ে একটা লেখা দেখেছিলাম -
http://www.somewhereinblog.net/blog/shoummo71
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
থ্যাংকু থ্যাংকু থ্যাংকু ... দাওয়াতের জন্য। খুব ক্ষীণ সম্ভাবনা আছে এবারে যাওয়া নিয়ে। হয়তো হবে না। কিন্তু রাস উৎসব আমার লিস্টে আছে। যাবো তো বটেই একবার। উৎসবের রিপোর্ট চাই। ছবি দিয়েন। নীল কন্ঠ চা কেবিনের চা খাওয়ার চেয়ে দেখার আগ্রহটা বেশি! যাবো একবার।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও থ্যাংকু ও রাসোৎসবের শুভেচ্ছা ... রিপোর্ট ছবি দেবো।
হামোম প্রমোদ বলেছেন:
ধন্যবাদ কুঙ্গ থাঙ, সুন্দর এবং প্রয়োজনীয় একটা পোষ্ট দেয়ার জন্য।আপনার লেখাটি পড়ে আমার বাল্য এবং কৈশোরের অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল।
আশা রাখি, আগামীতে বাংলাদেশের সকল প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি যথাযথ মর্যাদা পাবে। আমাদের সে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ কবি হামোম প্রমোদ। ...এবারের রাসে কি যাচ্ছেন না?
যীশূ বলেছেন:
দারুন পোস্ট। আমি গিয়েছিলাম ২০০২ বা ২০০৩ তে।
লেখক বলেছেন: এবার কি যাচ্ছেন না?
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
এবছর মণিপুরী মহারাসোৎসবের ১৬৮তম বর্ষপুর্তি
তারিখঃ ২১ নভেম্বর ২০১০, রবিবার
সময়ঃ বেলা ১১:০০ থেকে শুরু হয়ে পরদিন ভোর ৬:০০ টা পর্যন্ত
স্থানঃ মাধবপুর জোড়ামণ্ডপ ও আদমপুর সানাঠাকুর মণ্ডপ, কমলগঞ্জ, মৌলবীবাজার.
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















