আমার প্রিয় পোস্ট
- বিনয় মজুমদারের কয়েকটি কবিতা - পদ্যপালক
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- রতনপুরের ডাকপিয়ন - শিরীষ
- যে কবিতা পুরোনো হয়না-পর্ব ১ - কথক পলাশ
- বৃষ্টি বিলাসঃ বৃষ্টি দিনের গানের অনলাইন সংগ্রহ। (প্রথম কিস্তিঃ৬০ টি গানের ডাউনলোড লিংক) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সুখের অনুরণন - মে ঘ দূ ত
- অনন্তকাল শহুরে জানালায় - ত্রাতুল
- বাবার চিঠি - সুরঞ্জনা
- কবিতা: জোনাকি হাতে হতাশার মতো সুন্দর সে - আব্দুল্লাহ আল মুক্তািদর
- মনোলগ - ২ - অমিত চক্রবর্তী
- নির্ঘুম মেঘের দেশে - আবদুল ওয়াহিদ
- সামুর সাথে ছিলাম, সামুর সাথে আছি, সামুর সাথেই থাকবো... - নস্টালজিক
- আমার হাতে আঁকা ছবি..........৬ - অপলক
- মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকাল মাঝে - মহাবিশ্ব
- সেদিন তোমাকে ! - চতুষ্কোণ
- 'বিজয়' শব্দ টি আমাদের -বিজয় আমাদের নয় - পাপতাড়ুয়া
- প্রকাশিত কবিতাসমূহ - স্বদেশ হাসনাইন
- নিজের লেখা থেকে ভালো লাগার কিছু খুচরাংশ - ২ - সবাক
- অক্ষরদায় , ক্লান্তিকাল , অবেলার ভূমিকায় - অন্ধ আগন্তুক
- অপরবাস্তবের জন্য লেখার লিংক চাহিয়া একটি কাতর আবেদন - ফিউশন ফাইভ
- রিকশাপেইন্টার ও অন্যান্য কবিতা - অমিত চক্রবর্তী
- ছোটগল্পঃ আলো-ছায়ার ওপাড়ে - মোস্তাফিজ রিপন
- বহুদিন যাইনি কোথাও- - ফেরারী পাখি
- স্মৃতির শহরে ফেরা - স্বদেশ হাসনাইন
- গল্প: প্রিয়তম দুঃখ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- মৎস্য পুরাণ - আবদুল ওয়াহিদ
- দাহিকার সজ্জায় - শিরীষ
- পাপগল্প: কখনো রাত অনিন্দিতার চোখের ভেতর... - পাপতাড়ুয়া
- কাগজের পাখির ডানা থাকে,কিন্তু তারা উড়তে পারে না,তারা ভাসে।(মুক্তগদ্য) - অমিত চক্রবর্তী
- দেবশিশু - সন্দীপন বসু মুন্না
- আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........ - তায়েফ আহমাদ
- চোখ ও পাখির নীড় - শ্রাবনের ফুল
- মুক্তগদ্য: সাইক্লপ্স এবং আমাকে ঘিরে তেরোশো হলুদ প্রজাপতি ধীরে ধীরে উড়ছে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- হায় পলাশীঃ - জুল ভার্ন
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি< ১ >আল্লারাখা তোমায় ভুলিনি বন্ধু!! - মনজুরুল হক
- শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন......... - মাহবুবা আখতার
- ছবি ব্লগ : ঈদ বেড়ানো সুন্দরবনে, পর্ব ২: কটকা - যীশূ
- তুমিই তবে জোনাকের ফুল - ভাঙ্গন
- প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্প - হাসান মাহবুব
- বিভ্রম - দ্রোহি
- মেয়েটি - সুরঞ্জনা
- প্রকাশিত হল ই-সংকলন 'ব্লগারদের প্রিয় কবিতা' - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ব্যাজস্তুতির ছলে সত্যের লেজ ধরে টান - মুজিব মেহদী
- শাহ আব্দুল করিমের একটি সাক্ষাৎকার - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- স্বপ্নের চেয়েও মধুর........(২.০) - Video - নাফিস ইফতেখার
- ~~মৃত্যুচিন্তায় কেটেছিল তিন দিবস আর তিন রজনী!~~ - তায়েফ আহমাদ
- চিঠি - রিমি (স. ম.)
- কিছু লালন ও গিন্সবার্গের লালনপ্রীতি - আকাশ অম্বর
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ফাঁকা মাঠে স্মৃতি মন্থনের ঘ্রাণ - মুক্তি মণ্ডল
- ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- জোছনা আমার বোন - আবদুল ওয়াহিদ
- কবিতার মত একটি বোধ - দ্রোহি
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- পাঠক সমীপেষু (গল্প) - হিমালয়৭৭৭
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- ভোরের একটু আগে - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- (চিঠি) কবিতা ও ব্রহ্মকমল - গেওর্গে আব্বাস
- তুমি ফিরে আসলেই শুধু এমন হয় - সুনীল সমুদ্র
- somewherein...... মাই লাভ, মাই প্যাশান!!! - বাবুয়া
- বসন্তদিন-২৭ - বরুণা
- উৎসর্গে বিসর্গ (প্রথম পর্ব) - হিমালয়৭৭৭
- কে কেমন আছো - নাজনীন খলিল
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- এ কোন সকাল ----- [ জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ] - বিষাক্ত মানুষ
- প্রেমের কবিতা - কালপুরুষ
- টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেস্টটিউব সম্পর্ক! - হিমালয়৭৭৭
- ছোটখালার যাওয়া - সুমন রহমান
- এই দেহ ও ওই ঘড়িবাজ - মুক্তি মণ্ডল
- আলোর রং মেখে - হমপগ্র
- মৃত্যুপুরাণ - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- একটি চিঠির অপেক্ষায়..... - শেরিফ আল সায়ার
- ফুলের নাম - শিউলী - রাজামশাই
- (শিরোনামহীন........) - পারভেজ
- পুনর্জন্ম ......... (ফ্যান্টাসী ছোট গল্প) - শান্তির দেবদূত
- আমি মরে গেলে কী হবে এই ব্লগবাড়ি ? ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) - হোসেইন
- নৈসর্গের শলমাজড়ি - মাছরাঙ্গা
- ফটোগ্রাফি ওয়ার্ক (৩য় কিস্তি) - আমি ও আমরা
- চিলেকোঠার সানাই - আজহার ফরহাদ
- চারকোনা চোখে দেখা - ২ (কিছু চেনা অচেনা ফুল) - আসিফ আহমেদ
- নোটবুক: ২৮ আগষ্ট ২০০৮ - রিফাত হাসান
- পতন - রেটিং
- আবিদার আনপ্লাগড - মুয়ীয মাহফুজ
- প্রসঙ্গ: মেডিটেশনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি - বিবর্তনবাদী
- মাহমুদ দারউইশ : শেষ আকাশের পর - ফয়সাল খালিদ
- এইতো সেদিন! (ছেলেবেলা) - (অ)গাণিতিক
- পূর্ণেন্দু পত্রীর কয়েকটি কবিতা - রাহা
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- ''কুউউ..'' ................(গল্প) - রন্টি চৌধুরী
- জিজ্ঞাসা [পদ্য] - রোডায়া
- প্রাগৈতিহাসিক - তামিম ইরফান
- তাহলে তার কাছেই ফিরবো আমি - সাগর সরোয়ার
- রক্তের উত্তরাধিকার - সবাক
- যদি দালাল হতে পারতাম। - বিহংগ
- আমার মা, আমার ঈশ্বর। - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- জংশন এ দাঁড়িয়ে - উত্তরাধিকার
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- সহ্যের অতীত কিছু - শেখ জলিল
- বৃষ্টির শব্দ থেকে, অতঃপর আলোতে অথবা অন্ধকারে ... - সিহাব চৌধুরী
- বিবাহিত প্রেমের কবিতা - সরকার আমিন ১৯৬৭
- গডফাদার - মানব মানিক
- ছোটগল্প: মুরগীচোর - তীরন্দাজ
- The Last Lecture/ চিটি - চিটি (হামিদা রহমান)
- কোন শুভেচ্ছাই পর্যাপ্ত নয়-- (সাজির জন্মদিনে) - সুনীল সমুদ্র
- ১৯ এপ্রিল,সুলতানা শিরীন সাজি'র শুভ জন্মদিন/ কালবেলা - কাল্বেলা
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- কষ্টের তীব্রতার মাঝেও ওরা বেচেঁ আছে...../ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- । । বাবা ও তাঁর নি:শ্বাস এবং 'বু জি'র জন্য এলিজি । । - হাসান মোরশেদ
- চিঠি লিখছি আমার জিবনে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নারীকে - আমার মা। - খোলাচিঠি
- যশোর রোড - একটি গান ও একটি কবিতা যা আমার বুকে এখনো বাজে। - পিচ্চি
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টুকুনের জন্য । - নরাধম
- ঝেঁপে আসা চোখের জল তবুও গাল ভরিয়ে ঝরে পড়ে - মৃন্ময় আহমেদ
- পুরানা কবিতা : শ্রাবণ - মাহবুব মোর্শেদ
- গদ্য কবিতার ছন্দ - শেখ জলিল
- নিজ ঘরে যদি হয়েছি অবাঞ্ছিত ! - রাগ ইমন
- কেন? (পর্ব-৩) - কাল্বেলা
- আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না - মুকুল
- কবিতা সমগ্র : উৎসর্গ নীলাঞ্জনা - অমি রহমান পিয়াল
অপ্রকাশিত চিঠি(শেষ)......
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৩
রাজর্ষি
তোমার সাথে যেদিন ওল্ডহোম দেখতে গেছিলাম।
ক্রিষ্টিন নামে একটা মেয়ের সাথে দেখা রিসিপশনে। আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলো।
ও আমাদের ওল্ডহোমের সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখালো।
তুমি ওকে বললে তোমার ওল্ড হোমের কথা। ও শুনে খুব খুশী হলো। কত প্রশ্ন যে করলো তোমাকে।
মিঃ উইলো নামে একজনের সাথে দেখা।
সুন্দর স্যুট পড় বসেছিলেন একটা চেয়ারে। ক্রিস্টিন কেমন আছেন মিঃ উইলো জানতে চাইলে ভালো বলেই বললেন,ওয়েটিং ফর দ্য কার।
ক্রিস্টিন আস্তে আস্তে বললো উনি ১৫ বছর ধরে এখানে আছেন।
একই নিয়মে প্রতিদিন রেডী হয়ে বসে থাকেন অফিসে যাবেন বলে।
সারাজীবন সরকারী চাকুরী করেছেন।
বউ নেই অনেক বছর।
একটা ছেলে ছিলো সেও নেই কয়েক বছর।
একটা নাতি আছে ।
মাঝে মাঝে আসে।
এই চেয়ার বসেই উনার সারাদিন কাটে। পাশ দিয়ে কেউ গেলে একই কথা বলেন......
এখানেই বসেই উনার সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়,
দুপুর গড়িয়ে বিকাল।
কাউকে বিরক্ত করেন না।
ঝিম ধরে বসে থাকেন........কখনো ইচ্ছে হলে সামনে টিভির দিকে তাকান।
ঘুরতে ঘুরতে আরো কত কার সাথে দেখা হলো।
মিসেস হোয়াইট,মিসেস সান্দ্রা,মিঃ লুক..........।
সান্দ্রা নামের মহিলাটা সারাদিন উল বোনে। টুপি বানায়। মাফলার বানায়।
স্প্যানিশ ছাড়া অন্য কোন ভাষা জানে না.......
ওর কোন আত্মীয় স্বজন আসে নি কখনো............একা একটা মানুষ।
কি অবাক যে লাগছিলো আমার।
তুমি বললে তোমাদের বৃদ্ধাশ্রমে এর চেয়েও অনেক অবাক করা ঘটনা আছে।
বাংলাদেশে মানুষ তো খুব বেশী দিন ধরে এইসবে অভ্যস্ত নয়............
রহিমা বেগম নামে একজনের গল্প করলে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বামী হারিয়েছেন।
দুই ছেলেময়ে নিয়ে কত সংগ্রাম করেছেন।মেয়েটা বিয়ের পর মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও থাকে স্বামীর সাথে।
ছেলেটা বিয়ের পর মায়ের আর খোঁজ নেয়না.....
উনি অসুস্হ্য হবার পর গ্রামের মানুষ হাসপাতালে আনেন। এরপর থেকে বৃদ্ধাশ্রমে।
মেয়েটার চিঠি আসে মাঝে মাঝে।
রহিমা বেগম সারাক্ষন ছেলের আসায় বসে থাকেন।
প্রতিদিন সকাল থেকে তৈরী হয়ে অপেক্ষা করেন ছেলে আসবে...........দিনশেষে চোখের পানিতে বুক ভাসান।
মন এত খারাপ হয়ে গেছিলো।
তুমি বললে জানো দুঃখ যে কত রকম হতে পারে এই মানুষগুলোকে না দেখলে জানা হতো না। আমরা তো আমাদের চাওয়া পাওয়া নিয়ে মুখর থাকি।
কত মানুষ কত চাওয়া পাওয়াহীন সময় কাটায়।
সারাটা জীবন শুধু দিয়েই যায়। পায়না কিছুই।
তুমি আরো বললে ,"আমার বাবা মার উপর খুব ঋণী বোধ করি। নিজের কোন ভাইবোন নেই বলে এক ধরনের নিঃসঙ্গতাবোধ ছিলো সবসময়। বাবা হারানোর পর মা যতদিন ছিলো কোন কষ্ট হলে মার কাছে বলতাম। মা চলে যাবার পর জড়িয়ে ধরে কাঁদার একজন মানুষ পাইনি।
এই বৃদ্ধাশ্রমের মানুষগুলো আমার সব দুঃখ ভুলিয়ে দিলো। ওদের এক এক জনের কষ্ট দেখে আমি আমার নিজের একাকীত্বতার কষ্ট থেকে কেমন দুরে সরে এলাম।"
আমি চুপ করে শুনছিলাম তোমার কথা।
বলেছিলাম মানুষেরই জীবনই তো নানানরকম হয়।
কত ঘটনা ,কত স্মৃতি জমে থেকে জীবনের পরতে পরতে।
অনেকদিন পর কালরাত থেকে আমার জ্বর হয়েছে। কাল সারাদিন এত গরম পড়েছিলো। কাজ থেকে ফেরার পথে ডাউন টাউনের সেই পথটায় অনেক্ষন হাঁটলাম। ঠান্ডা পড়েছিলো হঠাৎ।
সারাক্ষন মনে হচ্ছিল তুমিও পাশে আছো। আমরা পাশাপাশি হাঁটছি আর কথা বলছি।
মনে আছে সেইদিন এখানে হাঁটতে হাঁটতে তোমাকে বলেছিলাম জানো তোমার সাথে কার খুব মিল?
তুমি তাকাতেই বললাম ,পাভেল বাঝোড়..........
তুমি হেসে দিলে ।
বললে পাভেলই তো আমার নাম। মায়ের দেয়া।
চমকে গেছিলাম............
আমি কি পাভেল বাঝোড় এর চেহারা দেখেছি নাকি?
শুধু দুষ্টুমী করার জন্য বলেছিলাম।
পাভেল জানো সেই অবাক হওয়াটা এখনও চমকে দিচ্ছে আমাকে।
তুমি যত দুরে যাচ্ছো,তারচেয়েও কাছে অনুভব করছি তোমায়।
চোখ দুটো আগুন হয়ে আছে........যেই অসুখ আমার হবার কথা সেতো জ্বরজারি নয় রাজর্ষি।
অদ্ভুত সেই অসুখটা বুকের মধ্যে সমুদ্রের অথই ঢেউ হয়ে আছড়ে পড়ছে।
সেই স্রোতধারায় ভেসে যাচ্ছে আমার এতদিনের অপেক্ষা।
সময়।
নিয়ম নীতি।
সবকিছু...........
রাজর্ষি বিসুবিয়াস এর জ্বলে উঠা বড় ভয়ানক................
আমি আসছি রাজর্ষি।
এই পূর্ণিমাতেই।
তটিনী
অপ্রকাশিত চিঠি ১
Click This Link
অপ্রকাশিত চিঠি ২
Click This Link
অপ্রকাশিত চিঠি ৩
Click This Link
অপ্রকাশিত চিঠি ৪
Click This Link
অপ্রকাশিত চিঠি ৫
Click This Link
অপ্রকাশিত চিঠি (শেষ পর্ব)
Click This Link
আমার কথা:
অপ্রকাশিত চিঠি শেষ হলো।
শেষ বলে কি আসলেই কিছু আছে? নিজেই ভাবি।সবটাই তো শুরু।
শেষ পর্বটা দিতে বেশ দেরী হয়ে গেলো... .....
...যদিও লেখাটা বেশ আগের। টাইপ করতে গিয়ে অনেক বদলেছে। সময়ের সাথে নিজের ভাবনাগুলো যেমন বদলে যায়,লেখাতেও তার ছাপ পড়ে।
হিমু বলেছিলো আপু নামকরণটা এমন কেনো?
নিজেও ঠিক কারনটা বলতে পারিনি তখন। এখনও পারছিনা।
দু'টো মানুষ।
তাদের হঠাৎ দেখা হওয়া।
তাদের নানান অনুভবের বিনিময়।
এক জনের দিনকে আর একজনের ধাবিত হওয়ার নানান উছিলা.......
এমনতো কত হয়।
এখনতও শুধু নেটে পরিচয়েই কত সম্পর্ক হচ্ছে..........
একসময় মানুষে মানুষে পরিচয়ের মাধ্যম কত সীমিত ছিলো।
আমার মায়ের বেলাতেই এক বাড়িতে থেকেও আব্বার সাথে কখনো দেখা হওয়া বা কথা বলার সুযোগ ও ঘটেনি।
মা আব্বাকে দেখেছিলেন। আব্বা কখনোই মাকে দেখেন নি।
আমার বড় মামা যেবার আমার মায়ের একটা ছবি দিয়ে বলেন আমার এই বোনটার জন্য একটা ছেলে দেখো আব্বা সেই প্রথম মাকে দেখেছিলেন। আব্বা তখন মেডিকেল ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র। তবু সাহস করে দাদাকে জানিয়েছিলেন এই মেয়েটাকে বিয়ে করতে চান।
আমার মা নাকি খুব অবাক হয়ে গেছিলেন.......এমন সুন্দর একজন মানুষ তাকে বিয়ে করবে।
কে জানে আব্বা হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন আড়াল থেকে তার জন্য যত যত্নআত্তি হয়.......সবই এই কালো মেয়েটার জন্য.....
মার কাছে বহুবার এই গল্প শুনেছি.....
এও তো এক ধরনের প্রেম।
মানুষের এই চিরন্তন অনুভূতি এটা কার জন্য কার যে অপেক্ষায় থাকে.......কেউ কি তা বলতে পারে?
আমার এই লেখাটার এসেছিলো যখন...তখন তো আর ব্লগে লিখতাম না। তাই থেমে ছিলো......
মাঝে মাঝে খাতাটা হাতে নিলে ইচ্ছা করতো আরো লিখি......
একটু আধটু যোগ হতো কখনো কখনো।
লেখা তো হলো নদীর ধারার মত।
লিখতে শুরু করলে কোন না কোন ছুঁতায় সামনে এগোবেই।
আর কেমন অগোচরে নিজস্ব পরিমন্ডল থেকে পারোপার্শ্বিকতার অনেক কিছুর ছাপ থেকেই যায়।
ব্লগে লেখার সময় যা যা হলো:
ঘরের মানুষ তো সারাক্ষন পিছে লেগে থাকলো।লিখতে বসলেই বলে , অপ্রকাশিত চিঠি?কবি গুরুর বান্ধবী বলে তো সারাক্ষনই ক্ষেপায়.......যদিও আমি ক্ষেপিনা......এই একজনকে ভীষণ ঈর্ষা তার।
লেখার পর্ব পোষ্ট করবার কদিন না যেতেই বলা শুরু করে কি ব্যাপার অন্যটা কবে আসছে?
কে খুঁজে গেলো।কে কি বলে গেলো সব বলতে থাকবে.......ব্লগ পড়ুয়াদের সেরা একজন সে।যদিও লেখার বেলায় নাই
রুবেল বারবার বললো চিঠির একটা উপন্যাস চাই।
চিটাগাং থেকে এক পড়ুয়া ব্লগার (যে লেখেনা শুধু পড়ে) মেইল করে বললো আপু আমার সাথে মিলে গেছে অনেককিছু।
এছাড়া প্রতিটা পর্বের অসাধারন সব মন্তব্য তো রয়েছেই।
পরিশেষে:
চিঠি লেখার চল চলে যাচ্ছে।
এখন একটা লাইন লিখে সেটাকে কপি পেস্ট করে অনুভবের বিশালতা বোঝায় কেউ কেউ।
এস এম এস ,টেলিফোন আর ম্যাসেন্জারের অফলাইনে সেরে নেয় যত কথা........দীর্ঘ একটা মেইল কেউ কাউকে লেখার সময় নাই।
আসলে কি সময় নাই?
ইমেইলের ইনবক্সে প্রিয়জনদের কারো চিঠি এসে বসে থাকলে কার না ভালো লাগে তা পড়তে?চিঠি তো শুধু প্রেমের হতে হবে এমন কথা নেই.......যে কোন সম্পর্কে সম্পর্কিত মানুষ চিঠির আদান প্রদান করতে পারে.......
এখনো মাঝে মাঝে ড্রয়ার খুলে বসে মায়ের লেখা ,ভাই এর লেখা,বন্ধুদের লেখা চিঠি পড়ি।
অনেক বছর হয়ে গেলো কেউ আর চিঠি লেখেনা......মেইলবক্স খুললে মাঝে মাঝে খুব লোভ হয়.........
যদি আসতো কোন চিঠি!
শুভকামনা সবার জন্য যারা চিঠি পর্বে সাথে ছিলেন। .........
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ময়ুখ। পড়বার জন্য.............
ময়ূখ নামটা অনেক সুন্দর........
শুভকামনা রইলো।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে......।
শুভকামনা।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
অনেক বছর হয়ে গেলো কেউ আর চিঠি লেখেনা......মেইলবক্স খুললে মাঝে মাঝে খুব লোভ হয়.........যদি আসতো কোন চিঠি!
কত সুন্দর যে তুমি লেখ, তা তুমি নিজেই জানো না। কি মায়াময়, মাখো মাখো লেখা।
একটা চিঠি দিও তো আপা।
লেখক বলেছেন:
চিঠি দিবো শাপলাশালুক।
এত সুন্দর করে বলবার জন্য অনেক ভালোবাসা।
ভালো থেকো পাখি।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন:
সেহেরী খেয়ে ঘুমাও না?
ভালো থাকো .........
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
অনেকদিন পর তোমার পোষ্ট কড়া কড়া পড়লাম।
লেখক বলেছেন:
অনেকদিন পর তো আসলা......
মাঝে একদিন দেখেছিলাম মনে হয় ।
ভালো তো রন্টি ভূত?
লেখা দাও.........
শুভকামনা রইলো।
_তানজীর_ বলেছেন:
ছোট বেলায় একবার নিজে নিজেকে চিঠি লিখেছিলাম, কেউ চিঠি লিখেনা বলে (স্ট্যাম্প দিয়ে পোস্ট করেছিলাম)। ৩ দিন পরে সেই চিঠি পেয়ে আমার কত আনন্দ!পরে মেঝ বেলায়, নেটে পরিচয় হওয়া এক বান্ধবী চিঠি দিয়েছিল নীল খামে ভরে। আমি অবাক হয়ে জানতে চাইলাম, চিঠি কেন? এর পরে আর কোনো দিন তার সাথে কথা হয়নি। অভিমানের কারণে।
বড় বেলায় একটা চিঠি লিখতে চাইলেও লিখতে পারিনা... চিঠি বড় সেকেলে হয়ে গেছে। এখন কাউকে মেইল করলে কয়েক ঘন্টার মধ্যে জবাব না আসলে বড় বিরক্তিকর লাগে।
চিঠির বিলুপ্তি আর ইমেইলের আবির্ভাবে, ইমেইলের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। রোজ ১০-১৫ টা গুরুত্বপূর্ণ ইমেইলের জবাব দিতে হয়। আমার এখনও পুরনো দিনের স্বভাব। একটা কিছু লিখে ১০ বার পড়ে নেই, যা বুঝাতে চেয়েছি তাই লিখেছি কিনা। ফলাফল, অনেকের মেইলের জবাব দেয়া হয়না- মেইল না পাওয়াদের মধ্যে বাদ যায়না আমার বন্ধুরা, কাজিনরা, অথবা আমার প্রফেসর-রা। মাঝে মাঝে এত ইমেইল আসে, বিরক্ত হয়ে ভাবি একটা মেইল বট লিখে ফেলি। আমার ইমেইল গুলো পড়ে নিজে নিজেই জবাব দিয়ে দিবে।
এখন আপু বলেন। আমরা আপনাদের পরের প্রজন্ম। আমাদের সময়ে চিঠির বিবর্তন-টা তুলে ধরলাম। আমাদের পরের বা তার পরের প্রজন্ম কেমন হবে?
লেখক বলেছেন:
"ছোট বেলায় একবার নিজে নিজেকে চিঠি লিখেছিলাম, কেউ চিঠি লিখেনা বলে (স্ট্যাম্প দিয়ে পোস্ট করেছিলাম)। ৩ দিন পরে সেই চিঠি পেয়ে আমার কত আনন্দ!"
এই আনন্দ চাইলে সারাজীবনই পাওয়া যায়।
"মাঝে মাঝে এত ইমেইল আসে, বিরক্ত হয়ে ভাবি একটা মেইল বট লিখে ফেলি। আমার ইমেইল গুলো পড়ে নিজে নিজেই জবাব দিয়ে দিবে।"
হায় হায় বলে কি..........
তবে চিঠির ফরম্যাট যখন আছে...নাম বসিয়ে কথা ওলটপালট অনেকেই করে সেটা মনেই হয়।
তবে কারো কাছে চিঠি লেখার পর যে অনুভব হয়....অথবা তার চিঠি আসার পর যে অনুভব.......তার কি কোন তুলনা চলে?
ইমেইলের ভালো দিক তো আছেই.........
আমারও এমন হয়।
কাউকে মেইল পাঠিয়ে অপেক্ষা করি ,কেনো তাড়াতাড়ি উত্তর আসেনা।
এর পরের প্রজন্মর কথা ভাবলে ভয়ই লাগে.......কত বেশী রোবোটিক হয়ে যাবে মানুষ।
৪০ বছর আগে যখন ইন্টারনেট ছিলোনা,সেটা ভাবলেও কম ভয় লাগেনা.........
পরবাসী জীবন আগে কড় বেদনার আর ভারী মনে হতো শুধু যোগাযোগহীনতার জন্য.........এখন তো তা নয়।
রোজা ঠিক চলছে.......শেষরাতে কিছু খেতে পারি না বলে সকালটা একটু ঝামেলা হয়........বিকালটা ব্লগে বসি।
দাওয়াত রইলো একদিন।
চলে আসেন.......।
শুভেচ্ছা।
_তানজীর_ বলেছেন:
লেখা নিয়ে... এই চিঠিটা পড়লাম। আগের গুলা পড়া হয়নি। হলে একবারে কমেন্ট করবো।অট: আপু, এবারের সামারের রোজা কেমন যাচ্ছে?
লেখক বলেছেন:
ঠিক.........
আমি কদিন ধরে ভাবছি এখন থেকে আবার আগের মত হয়ে যাবো।
প্রিয়জনদের জন্মদিন অথবা কোন শুভদিনে কার্ড পাঠাবো, সাথে চিঠি।
ফোন এর উইশ তো থাকলোই........।
ভালো থেকো।
শুভকামনা।
_তানজীর_ বলেছেন:
নিজেকে নিজে চিঠি লেখার কথাটা বলেছিলাম, উৎসাহের ব্যাপারটা বুঝাতে। এখন আর সেরকম উৎসাহ নেই তাই সেই মজাটাও নেই।আর ইমেইল বট বানানোর কথা বললাম, আমার মত অন্যরাও নিশ্চয়ই অপেক্ষা করে থাকে। বট হলে জলদি জলদি সবার মেইলের রিপ্লাই দিয়ে দিতে পারত। আগের দিনের মত সময় নিয়ে ভালো করে পড়ে জবাব দিতে ২-১ দিন দেরী হলেও ঐ পাশের মানুষটা কিছু বুঝতনা! আমার দেরী করে জবাব দিতে খারাপ লাগে বলে বটের কথা বললাম...
রোবোটিক ব্যাপারটা কোনোদিন মানুষকে নিয়ে নিতে পারবেনা। এটা নিয়ে পরে একদিন আড্ডা দেয়া যাবে।
তবে আপুনি, এটা ঠিক বলেছেন। ইন্টারনেট না থাকলে খবরই ছিল..
আর আপু, রোজা তো দেখতে দেখতে শেষ হয়ে যাবে... ইফতারের দাওয়াতে আসার বড় ইচ্ছা ছিল। ঈদের পার্টি দিলে বলবেন। :-) (দাওয়াত কেমনে মিস করি!)
লেখক বলেছেন:
ইচ্ছা থাকিলে উপায় হয়.........
অন্যরা বললে না হয় অসুবিধাটা বুঝতাম.......আপনি যে আসতে পারেন তা তো জানি..........।
কবে আসবেন জানাবেন।
ঈদ তো রইলোই........
আড্ডা হতেই পারে।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
আচ্ছা তাই নাকি.......?খুব সুন্দর নাম।
আমি তটিনী নামে কাউকে দেখিনি কখনো।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ নিহন.......ভালো থেকো।
শুভকামনা।
রুবেলকে কি দেখতে গেছিলা?
ও ভালো আছে জানি.......
রুদমী বলেছেন:
খুব সুন্দর
লেখক বলেছেন:
সুন্দর ছুঁয়ে গেলো......
শুভেচ্ছা রুদমী।
মনজুরুল হক বলেছেন:
আমি এখনো একটা চিঠির জন্য কাঙ্গালের মত পথ চেয়ে থাকি....কিন্তু কেউ লেখেনা!
যে দু'জন মানুষ আমাকে নিয়মিত চিঠি লিখত এই ফ্যাক্সের যুগেও, তারা দুজনই মারা গেছেন।
একজন আমার বাবা
অন্যজন আমার অগ্রজ চাচাতো ভাই
এখন আগেকার জমানো চিঠি খুলে স্মৃতিতাড়িত হই...হাজার হাজার চিঠি!! খুব কষ্ট লাগে। খুবই কষ্ট।
লেখক বলেছেন:
আমি ভাবি শুধু আমারি এমন হয়!
তারমানে অনেকরই হয়..............আমি অপেক্ষা করি আমার মায়ের চিঠির।
মা আগে নিয়মিত লিখতেন।
চোখের অসুবিধার জন্য এখন লিখতে পারেন না.............কিযে মিস করি।
আমার ভাইজান খুব ভালো চিঠি লিখে...........এখনো ইমেইল পাই মাঝে মাঝে........মন ভরে যায়।
চিঠির ভাষা মনের কথা..........এমন তো জেনেছি।
মন খারাপ করবেন না মনজুরুল ভাই।
দেখেন না ব্লগে সব কথা অকপটে বলছি সবাই..........সবাই আমরা সবার সাথেই আছি।
শুভেচ্ছা রইলো।
চিঠি নিয়ে আমার আরো কিছু লেখালেখির ইচ্ছা আছে সামনে..........।
রুবেল শাহ বলেছেন:
এবার কবি কে কবিতায় নয়
কাব্যময় উপন্যাসে দেখতে চাই...........
( মাথা ব্যথা আছে, আর এমনিতে পায়ে সেলাইয়ের জন্য পায়ে খুব ব্যথা হচ্ছে, তোমাদের সকলের দোয়া আছে বলেই হয়তে বেঁচে গেছি। )
ভাল থেকে
লেখক বলেছেন:
তোর জন্য কত কিযে হতে হবেরে রুবেল.......
একশো বছর পরমায়ু হোক তোর.........অনেক ভাবনায় ছিলাম তোর জন্য।
দেখলি তো মন খারাপ করে কোথাও থেকে চলে যেতে নেই।
ব্লগ থেকে যাসনা।
লেখালেখি ছাড়িস না......।
অনেক দোয়া থাকলো।
তোর ভাইয়া বলেছে তোর সাথে নাকি অনেক প্লান আছে।
লেখক বলেছেন:
রাজর্ষিকে ধন্যবাদ জানাই পড়বার জন্য.....................
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন:
ভালো থাকার চেষ্টা করি ইমন.......
সবাই ভালো আছে...........
দোয়া কোর।
অনেক ভালো থেকো।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন:
তেমন জীবন আমার ও ছিলো।
মার সাথে ফোনে কথা বলতে ইচ্ছা করলে আজিমপুর কয়েনবক্স এ যেয়ে কল বুক করে কথা বলতাম..........
চিঠিই ছিলো সব................
সেই যে আমার নানা রং এর দিনগুলি/
ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
শ্যাষের কথাগুলাই তো মুড বদলায়ে দিল।
লেখক বলেছেন:
কেনো মুড বদলাইলোরে মুক্ত?
পরীক্ষা শেষতো............কেমন চলছে দিনকাল?
ভালো থাকো।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এরকমই এক বৃদ্ধাশ্রমের একজন বাংলাদেশী ডাক্তার সাপ্তাহিক যায়যায়দিনে নিয়মিত তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা লিখতো । দারুণ হৃদয়ছোঁয়া, হৃদয়কে আদ্র করে দেয়া সব কাহিনী ছিল । এ চিঠি পড়ে সেই লেখাগুলোর কথা মনে পড়লো ।
সাজি'পু, আপনার এই চিঠি কবিতা..আপনার অন্য কবিতার চে' আমার কাছে বেশী ভালো লেগেছে, বেশী সহজ ভাষায়, বেশী আবেগে ভাসায় !
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি শিপন........সেই ধারাবাহিক আমার পড়া হয়নি।
আমার লেখা চিঠিগুলো ভালোলেগেছে যেনে অনুপ্রাণিত হলাম।
শুভেচ্ছা রইলো অনেক।
যেনো লিখে যেতে পারি।
জুল ভার্ন বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর সিরিজটার শেষ পর্বটা অনেক দেরী করে লিখায় লেখার ধারাবাহিকতা ফিরে পেতে মনকে রিওয়াইন্ড করতে হয়ছে! তাই বলে আমরা হতাশ হইনি! যার শুরুটাই ছিল অসম্ভব রকমের সুন্দর-সমাপ্তিটা হয়েছে আরো বেশী সুন্দর!!খুব, খুব বেশী ভাললেগেছে লেখার পাদটিকা(মুল লেখার পরের আনুসংগীতা)! এই আনুসংগীতা যেনো প্রতিটি বাংগালী হৃদয়ের কথা, অন্তরের কথা!! আমার মনে হয়-শুধু পাদটিকাটাই চমতকার একটা পোস্ট হতে পারতো!
পুনশ্চঃ আমি আমার মন্তব্যের প্রতিটা লাইনে আর্শ্চয্যবোধক(!) চিনহ ব্যবহার করেছি বাংলা ব্যকরণ রীতি উপেক্ষা করে। কারন, লেখার(পোস্টের) প্রতিটা লাইন পড়েই আমি অমন চিনহের অনুভুতি উপলব্ধি করেছি। অন্তরের অনুভুতির চাইতে আমার কাছে ব্যকরণ বড় নয়।
লেখক ইদানীং ব্লগে খুব বেশী অনিয়মিত-যা আমরা নিয়মিত পাঠকেরা প্রত্যাশা করিনা। লেখকের কাছে এমন সুন্দর লেখা নিয়মিত আশা করি।
লেখক বলেছেন:
ভাইয়া মনটা ভালো রাখা কিযে কঠিন.......আর লেখালেখি তো হয় না চাইলেই।
ব্লগে বসাটাই হতো না যদি ও সারাক্ষন না বলতো.......
আমি আমার কাছের মানুষটার কাছে অনেক ঋণী এই লেখালেখির ব্যাপারে.........ওই আমাকে লেখায়....
শেষ চিঠিটা আসলে লিখতে ইচ্ছা করেনি.........
জানিনা কেনো.........মনে হচ্ছিল খামখেয়ালীপনায় কেটে যাক সময়.....
লেখার সময় যা ঘটে,লেখার পিছনে যা থাকে সব কিছু নিয়ে ম্যুভিতে যেমন ক্লিপ থাকে তেমনি প্রয়াস আমার এই পাদটিকা.......
ভালোলেগেছে জেনে খুব ভালো লেগেছে আমারও.......
আপনারা সবাই আছেন বলেই লিখি.........মন টন যখন খুব খারাপ থাকে, এই জানালায় চোখ রাখি........
মনে হয় জাগতিক চাওয়া পাওয়ার বাইরে সম্পর্কিত মানুষগুলো পৃথিবীর নানাখানে কেমন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি........
লেখার সুবাদে সবাই পাশে বসে থাকি।
একই সুরে কথা বলি।
গান গাই.............
এমন আনন্দ শুধু নিজের ভাষাতেই প্রকাশ করা সম্ভব..........
অনেকদিন মনেহয় দম আটকে ছিলাম..............এখানে আসলে নিঃশ্বাস ফেলা যায়।
ভুল বুঝাবুঝি, মতানৈক্যর পর ও আমরা সবাই সামহোয়ার এর একই ঘরের মানুষ.........
এর চেয়ে বড় সত্য আর নেই।
ভালো থাকবেন ভাইয়া।
আমি আমার লেখার শেষে.........(ডট)........ব্যবহার করি।এটার কারন হলো আমি যেমন করে কথাবলি ঠিক তেমন করেই লিখি.......এই ডটগুলো সেই থামাটুকুকেই বোঝায়।
আপনার আশ্চর্য্যবোধক চিহ্ন নিয়ে আমি ভাবিত না............আপনার অনূভবকে বুঝতে পারি।
আমার লেখালেখি হয়না তা না.......পুরাতন নিয়মে ।খাতায়।
টাইপে বসাতে যত আলসেমী.......।
আশাকরি বেড়ানোর গল্প লিখবো খুব সহসাই।
দোয়া রাখবেন।
আমরা যেনো ভালো থাকি।
শুভকামনা ভাইয়া।
সবসময় দোয়া ।
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন:
এত সুন্দর মন্তব্য............
লাইনগুলো দিয়ে কবিতা হতে পারে.........
শুভেচ্ছা মিলটন।
অনেক ভালো থাকবেন।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
এই তো সারাদিন বাইরে বাইরে!! আগে তো তাও হলেই থাকতাম। এখন ঘুরাঘুরি!!!এমনিই কালা, ইদানীং ডেকচির তলা হইয়া যাইতাছি.. ফেয়ার এন হ্যান্ডসাম লাগাইতে হইবে!!!!
বাসায় যাব, মা আগেই চিল্লাইতো, ইদানীং বাবাও জোট বাঁধছেন, "ঢাকা ছাড়!!"
কি আর করা, কয়েকদিনের মধ্যেই বাসায় যাইতে হবে।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
ঢাকাছাড় রে মুক্ত........![]()
কোথায় এত ঘুরাঘুরি?
ফেয়ার এ্যান্ড হ্যান্ডসাম ...........![]()
ভালো বলছো।
বাসায় যাও। বাবামায়ের কাছে। অনেক ভালো থাকো।
শুভেচ্ছা।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
সব ক'টা পর্ব মিলে বিচ্ছিরী...
লেখক বলেছেন:
বৃ্ত্তের বিচ্ছিরি?.................ঠিকাছে।![]()
পড়বার জন্য অনেক থ্যাংকস।
শুভেচ্ছা রইলো।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আজ নিজের জন্য আরেক বন্ধুকে নিয়ে নিউমার্কেট, কাল সেই বন্ধু আবার আমাকে আজিজ, পরশু বঙ্গ, তারপরদিন সায়েন্সল্যাব!!!এই আর্কি!!! পূজা, ঈদ মিলিয়ে কেনাকাটা!! কেনাকাটার চাইতে ঘুরাঘুরি'ই বেশি!!!
লেখক বলেছেন:
কি যে মজা..........আছো ভালোই......
ভীষন মিস করি সেইসব ঘোরাঘুরি........
বসুন্ধরা,গাওছিয়া,আজিজ.........আমার বন্ধুর দোকান আজিজে......
একটার নাম ফেরিওয়ালা....কলি আমার বন্ধুর নাম।
আর একটার নাম স্বদেশী.......বন্ধুর নাম অমিত।
ঢু মেরো এরপর।
সময় কাটুক আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে...........
লেখক বলেছেন:
চিন্তার ব্যাপার।
শুভকামনা।
জেরী বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
জেরী ব্যস্ত ম্যালা? ছুটাছুটিতে।
ভালো থেকো।
শুভকামনা.........
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
আপনি নচিকেতার বৃদ্ধাশ্রম গানটির কথা মনে করিয়ে দিলেন। কদিন আগে গানটি লাইভ শুনেছি নচিকেতার সামনে বসে ঢাকার এক অনুষ্ঠানে। চোখে পানি এসে যায়। চিঠির শেষটাও বরাবরের মতো ভালো লেগেছে।অফটপিক: আপনার মাকে আমি দেখিনি। কিন্তু শেষ বয়সেও ডাক্তার ওমর কী সুন্দর ছিলেন ! এদেশের কোন মানুষের গায়ের এমন সুন্দর রং হতে পারে এটা তাঁকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। জাকি ভাই তাহলে আপনার মায়ের রঙের কিছুটা পেয়েছে।
কেমন আছেন ?
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
বৃদ্ধাশ্রম গানটা আমার ও দারুণ লাগে.........
চিঠিটা পুরা পড়বার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনা্কে।
আমার আব্বাকে আপনি দেখেছিলেন ভাবতেই কেমন যে খুশী লাগলো।
আমি আব্বাকে পাঁচ বছর দেখিনি......যেবার দেশে গেলাম,তার আগেই আব্বা চলে গেলেন......।
আব্বা ঘুমালে পা ধরে দেখতাম আর মাকে বলতাম আব্বার পায়ের মত যদি রং হতো।
এত মানুষ পৃথিবীতে......কোথায় যে চলে গেলেন.....মনটা খুব খারাপ লাগছে আজ.....
ভাইজান আমার মায়ের মত কিছুটা.....
ভালো থাকার চেষ্টা করি।
আপনারা অনেক ভালো থাকবেন......শুভকামনা।
পারভীন রহমান বলেছেন:
অনেক ভাল লাগলো সাজি..... সবাই কেমন আছিস??
লেখক বলেছেন:
চলছে পারভীন.......
তোর খবর কি?
অনেকদিন কথা হয়না........আশাকরি তোরা ভালো আছিস।
ভালোবাসা।
তাজা কলম বলেছেন:
বৃদ্ধাশ্রমে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বাস্তব চিত্রে মনটা দু:খ ছুয়েঁ গেল। আমাদের প্রাচ্যদেশীয় সমাজ তো ক্রমশ: যাচ্ছে সেদিকেই।ভাল লাগলো।+++++++++++
লেখক বলেছেন:
আসলেই......আমাদের দেশে এমনটা হবে ভাবিনি।
ভালো থাকবেন ......শুভকামনা রইলো অনেক।
রুবেল শাহ বলেছেন:
শুধু কবিতায় নয়....
সাহিত্যের সব ক্ষেত্রে দেখতে চাই।
=====
কই ভাইয়া তো আমায় কিছুই বললো না যে....... ?
ভাইয়া যেই সব প্লান করে, ঐ সব প্লান মাথা থেকে বের করে নীল নদে পালামু বলে দিও...........
======
আজ একটু ভাল লাগছে তাই ব্লগে আসলাম, তোমাদের দোয়ায় এখন অনেকটা ভাল আছি।
লেখক বলেছেন:
দেখে খুব ভালো লাগলো........
মন ভালো থাক......এবং শরীর সুস্হ হোক তাড়াতাড়ি....।
অনেক দোয়া থাকলো।
ঠিকাছে বলে দিবো.......
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
সব কয়টা পর্বই পড়েছি। শেষ পর্বের সাথে পুর্বের ২ পর্বের কিছুটা যোগসুত্রিতার অভাব মনে হয়েছে। সেই অভাবটুকু পুষিয়ে দিয়েছে আপনার লেখার পুর্বাপর আলোচনা! অসম্ভব সুন্দর গুছিয়ে লিখেছেন-যা একবার নয় বারবার পড়তে মন উতসাহ যোগায়।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ........
চিঠিগুলোকে আরো গুছিয়ে লেখার ইচ্ছা সময় করে.......
ভালো থাকবেন....শুভকামনা ।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
বুড়া হওয়ার আগেই মইরা যামু..!!!
লেখক বলেছেন:
বুড়া হওয়ার দরকার নাই......১০০ বছর বাঁচলেই হলো।
শুভকামনা।
ভাঙ্গন বলেছেন:
পরিশেষে: চিঠি লেখার চল চলে যাচ্ছে।
এখন একটা লাইন লিখে সেটাকে কপি পেস্ট করে অনুভবের বিশালতা বোঝায় কেউ কেউ।
এস এম এস ,টেলিফোন আর ম্যাসেন্জারের অফলাইনে সেরে নেয় যত কথা........দীর্ঘ একটা মেইল কেউ কাউকে লেখার সময় নাই।
আসলে কি সময় নাই?
ইমেইলের ইনবক্সে প্রিয়জনদের কারো চিঠি এসে বসে থাকলে কার না ভালো লাগে তা পড়তে?চিঠি তো শুধু প্রেমের হতে হবে এমন কথা নেই.......যে কোন সম্পর্কে সম্পর্কিত মানুষ চিঠির আদান প্রদান করতে পারে.......
এখনো মাঝে মাঝে ড্রয়ার খুলে বসে মায়ের লেখা ,ভাই এর লেখা,বন্ধুদের লেখা চিঠি পড়ি।
অনেক বছর হয়ে গেলো কেউ আর চিঠি লেখেনা......মেইলবক্স খুললে মাঝে মাঝে খুব লোভ হয়.........
যদি আসতো কোন চিঠি!
..........................
আপু, চিঠির ঠিকানা পেলে ভাঙ্গন অবশ্যই আপনাকে চিঠি পাঠাবে।
হাতে লেখা চিঠি।
আর চিঠি পোস্টটা অবশ্যই আমি প্রিয়তে নিয়ে যাচ্ছি!
লেখক বলেছেন:
ঠিকাছে আশায় রইলাম......
শুভেচ্ছা ভাঙ্গন.........
লেখক বলেছেন:
![]()
খুঁজে দেখো।
ব্লগেই আছে।
অদৃশ্য বলেছেন:
সাজি আপু.................. আপনার চিঠি পর্বের সবকটায় পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার.............প্রতিটা পর্বেই খুব আকর্ষন ছিলো........কি কথা হয়........কি হয় কি হয় ! ...........শেষ পর্ব এবং শেষ পর্ব পড়ার পর আমি সত্যই মুগ্ধ হলাম এবং বুঝলাম আপনার লিখা আমাকে আকর্ষন করে অনেকটায়...........
আপাতত শুধুবলি........... চমৎকার........সত্যই চমৎকার
শুভকামনা সবসময়......
লেখক বলেছেন:
আজ সকালথেকে মনটা খুব ভালো লাগছে......
সকালবেলা একজন ব্লগ পড়ুয়ার মেইল পেয়েছি।
ও লেখেনা শুধু পড়ে।ওর বলেছে শেষটা এমন না হলে ওর কষ্ট হতো।
আমি ওর কথা ভেবেই কোন দুঃখ আনিনি......
মানুষের জীবনে কত রকম প্রাপ্তি থাকে......চাওয়া থাকে।
লেখালেখির এই মাধ্যমটা না থাকলে কত প্রাপ্তি থেকে দুরে থাকতাম.....
আসলেই এর কোন সমার্থক নেই।
তোমাদের ভালোলাগা ,তোমাদের উৎসাহে লিখি।
লিখবার তাগিদ পাই.......
আর এত ভালোভালো লেখা যে পড়ি ব্লগে বসে......সেটার কথা বাদ দেই কি করে.......
ভালো থেকো অদৃশ্য...........
লেখায় দৃশ্যমান থেকো।
সবসময় আনন্দে থেকো।
শুভকামনা।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
+
+
+
+
++
+++
++++
+++++
++++++
+++++++
++++++++
+++++++++
++++++++++
+++++++++++
++++++++++++
+++++++++++++
++++++++++++++
+++++++++++++++
++++++++++++++++
+++++++++++++++++
++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++
মুগ্ধ আমি!
শুধুই তোমার অসাধারণ কথামালায়।
কেমন আছো তুমি?
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাস্কর পড়বার জন্য।
আশাকরি ব্যস্ততায় ভালো আছো।
আমরা আছি ভালো।
অনেক শুভকামনা সবসময়।
শেষ হয়ে গেল ????
"মলিন মুখে ফুটুক হাসি, জুড়াক দু-নয়ন।
মলিন বসন ছাড়ো সখী, পরো আভরণ"
লেখক বলেছেন:
হুমম এখানে শেষ.......
তবে কিছু লেখা চলবে।
আবার কখনো না হয় দেখা যাবে ,যদি কিছু হয়।
কেমন আছো ?
সুন্দর কাটুক জীবন।
ভালোবাসা নিও।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
পুরো সিরিজটাই উল্টে পাণ্টে বিভিন্নভাবে অনেকবারই পড়েছি আমি। এই পড়াটাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে আপাতত প্রিয়পোস্ট ঙখ্যা একটা বাড়ানো যাক।। এইবার কথা শুরু করা যতে পারে।।।আমি রাজর্ষি ও তটিনী নাম দুটিকে একটি সুদীর্ঘ টানেলের দুই প্রান্ত হিসেবে ভাবতে চাই। এর একপ্রান্ত দিয়ে টানেলে ঢোকামাত্র এর ভেতরে থরে থরে সাজানো জীবন, সুখ-দুঃখ, ইতিহাস, ভালবাসা, বিচ্ছেদ, ঐতিহ্য...সবকিছু ।।এতকিছু দেখতে দেখতে তটিনী নামক টানেলের অপরপ্রান্তটি দিয়ে বেরিয়ে আসা..... প্রান্ত দিয়েই ঢুকি.....টানেলের ভেতরকার চিহ্নবলীর কোন পরিবর্তন হবেনা...এই টানেল এবঙ টানেলের প্রান্তদ্বয় পরিচিত করাই এই লেখার স্বকীয়তা ও মাহাত্ম্য।।। 'সবিনয় নিবেদন' এর সঙ্গে স্টাইলে মিল থাকলেও, বক্তব্যের গভীরতায় এটা স্বাতন্ত্রিকতা চাইবেই, এবঙ নিঃসন্দেহে পেয়েও যাবে.............
আর কিছু লেখার প্রয়োজন বোধ করছিনা........
লেখক বলেছেন:
হিমু তোমার মন্তব্য পেলে পরীক্ষার রেজাল্টের মত অনুভূতি হয়।
আমি জানি তুমি ঘুরে ফিরে পড়ে যাও অনেকবার।
সময় নাও কিছু বলবার।
তুমি যেমন করে দেখেছো দুইটা চরিত্রকে ......তারা তেমনই।
"দুই ভূবনের দুই বাসিন্দা বন্ধু চিরকাল
র্র্যাললাইন বহে সমান্তরাল" .......
সমান্তরাল বয়ে গেলেও ,লাইনরা কখনো একসাথে না হলেও যে যোগসুত্র থাকে..........
হয়তোবা তেমনই চিঠির চরিত্র দু'টো......
আমি নিজস্বতায় চলি সেটা জীবনের প্রয়োজনে।তবে লেখালেখির ক্ষেত্রে কত গুনীজনদের যে চোখের সামনে রাখি......
অনুকরন বা অনুসরণ নয় শুধু তাদেরকে মনে রাখা......যা লিখি সেটাই একান্তই আমার ভাবনা থেকে আসা....আমার মত করে।
সারাদিনে কতবার যে রবীন্দ্রনাথ.......
"আমার কাজের মাঝে মাঝে
কান্নাহাসির দোলা তুমি থামতে দিলে নাযে।"
আমার জীবনের সবখানে তাঁর সুর .......আমি শুধু ভাবি কি করে সম্ভব হয়েছিলো এত ভাবা?এত লেখা?এত সুর?এত গান?
তোমার চাওয়ার মত তাই যেনো হয়.......
"বক্তব্যের গভীরতায় এটা স্বাতন্ত্রিকতা চাইবেই, এবঙ নিঃসন্দেহে পেয়েও যাবে".............
এইটুকুই অনেক পাওয়া হবে।
আজ ও হলো তোমার মন্তব্যেই......
ভালো থেকো।
লেখালেখি চলুক যেমন চাইছো তেমন করে।
আশীষ রইলো।
লেখক বলেছেন:
আমি ও তাই বলি....আজ কি সেই পূর্ণিমা?
আজ তাহলে ভূমিকম্প হলো কেনো?
চিঠি পেতে কার না ভালো লাগে?
শুভেচ্ছা দ্রোহি......
লেখালেখি কেমন চলছে?
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
সুন্দর।
লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা কবি.....।
ভালো থাকবেন।
যত আমি গান গাই
যত গান গেয়ে যাই
সব গানে সব সুরে
শিউলি ঝরা সকালে
উদাসি কোন বিকালে
একা একা কানে কানে
তোমাকে বলার ছিল
ভালোবাসি-----
লেখক বলেছেন:
খুব সুন্দর তো!
অনেক শুভকামনা রইলো ।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে +++
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা রইলো...।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
সাজি, মাঝে মাঝে নদীর স্রত কি আটকে যায়?আমার লিখা অনেক দিন ধরেই আটকে আছে।
আগে লিখতাম না, আমার বাংলা টাইপিং এর
বিবভ্রাটের কারনে.........
এখন কেন পারছিনা সাজি?
এ যে কি কষ্ট, বলে কি বুঝানো যায়?
ভাল থাকবেন, শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন:
মাঝে মাঝে লেখা থমকে যায়.....
সবারই এমন হয়।
মন খারাপ করবেন না.....আসবে লেখা।
অনেক শুভকামনা থাকলো.....
নাজনীন খলিল বলেছেন:
অনেক সুন্দর!অনেক বেশী স্পর্শ করে যাওয়া এই চিঠিগুলো।++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
ভাল থেকো।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ নাজনীন আপু।
অনেক অনেক ভালো থেকো।
শুভকামনা।
প্রাকৃত বলেছেন:
.........এবং আমারো ইচ্ছে হচ্ছে চিঠি লিখি।
লেখক বলেছেন:
লেখা শুরু করো।
অপেক্ষায় থাকলাম।শুভকামনা।
পাথুরে বলেছেন:
একে একে সবগুলো চিঠি পড়লাম। একটা কথাই মনে হলো-
"অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে
শেষ হইয়াও হইল না শেষ।"
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন:
শেষ নাহি যে শেষ কথা কে বলবে?
শেষ বলে কিছু নাই আসলে । সবটাই শুরু পাথুরে........
শুভেচ্ছা রইলো।
অদ্রোহ বলেছেন:
চিঠির খেরোখাতা কি ফুরিয়েই গেল ? কেমন যেন একটা অনুভূতি ,"শেষ হইয়া হইলনা শেষ " ধরনের।ভাল থাকবেন আপু ।
লেখক বলেছেন:
ফুরিয়ে কি যায়......
শুরু হবে অন্য কোন চিঠি।
কেমন আছো অদ্রোহ?
শুভকামনা রইলো।
লেখক বলেছেন:
মিলে যেতেই পারে....
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আশাবাদী মানুষ......
অনেক শুভকামনা।
লেখক বলেছেন:
ইহাকে বলে কাকতাল।পাথুরে বলেছে।![]()
একটাল না দুইতাল না তিনতাল ও না......বুঝলা অদ্রোহ?
লেখক বলেছেন:
ঠিক ঠিক।এখানে অনেকই আমরা সমচিন্তার মানুষ আছি।
অপ্সরা বলেছেন:
কেমন আছো আপুনি?চিঠি পর্ব শেষ হয়ে গেলো কেনো?
অনন্তকাল ধরে চললেও কারো এতটুকু অরুচি আসতোনা।
লেখক বলেছেন:
অপ্সরা
শেষ হয়নাই আসলে......ব্লগে শেষ করে দিলাম।
ধারাবাহিক লেখা চালানোর মত ধৈর্য্য কম......আমারই।
ভবিষ্যতে কি হয় দেখা যাক!
অনেক ভালো থেকো।
শুভকামনা।
পারভেজ বলেছেন:
আমাদের অনুভুতিগুলিও এসএমএস মতো সংক্ষিপ্ত, স্বল্পকালিন হয়ে যাচ্ছে হয়তো। তাই চিঠির এই চলাচল অতীতের দিকেই টানলো।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন:
ঠিক তাই।
কেমন আছেন পারভেজ?
বেশ কদিন দেখিনি।
শুভকামনা।
সহেলী বলেছেন:
ভাল লাগা রেখে গেলাম ।
লেখক বলেছেন:
তুমি এই কথাটুকু বলে চলে যাবে?
তুমি কি সত্যি সহেলী?
খুব মিস করেছি তোমাকে....কেমন আছো জানিও।
শুভকামনা।
নিয়ন আলোয় বাউল বলেছেন:
"কী' লেখা যায়
লেখক বলেছেন:
কিছুই না।![]()
শুভকামনা
লেখক বলেছেন:
সেটাই........শুধু আপনি না অনেকেরই তাই।
মন খারাপ করবেন না।
শুভকামনা।
অন্তিম বলেছেন:
অনেকদিন যাবত লিখিনি........তবে একটা সময় লিখেছি অনেক চিঠি........।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















অসম্ভব সুন্দর লেখা।
ভালো লাগলো...........।