somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অপ্রকাশিত চিঠি ৩..............

২০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অপ্রকাশিত চিঠি১ Click This Link
অপ্রকাশিত চিঠি২ Click This Link

রাজর্ষি

সময়গুলো তোমার থেকে বেশ আলাদা হতে শুরু করেছে।
তোমার সন্ধ্যার অন্ধকার বেশ গাঢ় হবার কথা।
রাতের আকাশটাকে খুব কাছ থেকে কেমন দেখছো?
আমার এখন সকাল গড়িয়ে দুপুর।
ই-মেইল করে জানিয়ে দিয়েছি আজ কাজে যাবো না!
কাল সারারাত ঘুম আসেনি।
সারা ঘুরে ঘুরলাম। কমপিউটার এর সামনে বসলাম।
ছবিগুলো দেখলাম।কত অজস্র ছবি।আমার এত ছবি অনেকদিন তোলা হয়নি। আসলে মনটা ভালো না থাকলে কত কিছুই করা হয় না!

তুমিময় কটাদিন কেমন উড়ে উড়ে চলে গেলো।
আকাশের উড়ে চলা মেঘেদের মতন।
তুমি কি মেঘ রাজর্ষি?
কেমন হুট করে কোথা থেকে এলে।
এখন মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে কোন কি দীর্ঘ ঘুমে আমি তলিয়ে গেছিলাম।
যেখানে শুধু স্বপ্নময় সময়?
জাগতিক কোন কোলাহল নেই।
তুমি এলে।
আনন্দ হয়ে।
আমরা প্রজাপতি হয়ে ঘুরে ঘুরে বেড়ালাম।
এইতো সেদিন এক সকালে আমি তোমার অপেক্ষায় বসে আছি।
তুমি এলে।
বললে আমাকে দেখতে সাদা বলাকার মত লাগছে।
এত সপ্রতিভ তুমি। অন্য কেউ হলে হয়তও চুপচাপ দেখতো। এমনকি আমার কালো টপস আর সাদা স্কার্ট এর প্রশংসা করলে তুমি।
আমরা সেদিন গেলাম ডাউন টাউন দেখতে।
পার্লামেন্ট এবং তার চারপাশ।
রক লিফ নামে একটা সুন্দর জায়গায় নিয়ে গেলাম প্রথম।
পাহাড় ঘেরা জায়গা।
একপাশে সুন্দর সুন্দর বাড়ি।
এক একটা বাড়ির দাম মিলিয়ন ডলারের ও বেশি। হাতের ডানে একটা নদী।
যেখানে থামলাম।
একটা ছাদ তোলা ঘর।
চারিদিকে খোলা।
সেখানকার একটা গল্প আছে।
ওখানে দাঁড়ালে নদীর ওপারের শহর দেখা যায়। দুরে পাহাড় দেখা যায়।
এই জায়গাটাকে বলে সুইসাইড স্পট বা তেমন কিছু।
অনেক অনেক বছর আগে একটা একটা ছেলে আর একটা মেয়ে এখান থেকে নদীতে লাফ দিয়ে সুইসাইড করেছিলো।
কারন তাদের ভালোবাসায় তাদের পরিবার বাঁধা দিয়েছিলো।
কেউ বলে একজন ছিলো কালো অন্যজন সাদা।
নানান রকম গল্প।
এখানে এলে আমার মন কেমন যেনো হয়ে যায়।
মনে হয় তাদের আত্মারা হয়তোবা ঘুরে বেড়াচ্ছে ।
কথাটা বলতেই তুমি বললে ,খুব সম্ভব ।তা হতেই পারে। শুনে কেমন ছমছম লাগলো।
সকালবেলার শান্ত নদী।
আমরা দুজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছি।
পিছনের রাস্তা নিয়ে মাঝে মাঝে গাড়ি ছুটে যাচ্ছে।
আমরা অনেকক্ষন চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলাম। তুমি বললে চলো নীচের ওই ভাসমান রেষ্টুরেন্ট এ যাই।
ওখানে যেয়ে দেখি ওটা তখনো খোলেনি।
তুমি বললে দিনশেষে যখন সন্ধ্যা নামবে আমরা আবার এখানে আসবো।
সূর্যাস্ত দেখবো এখানে বসে।
বললাম ঠিকাছে তাই হবে।
এইসব জায়গায় আমি মাঝে মাঝে একা এসে ঘুরে যাই।
ভাবতে খুব অবাক লাগছিলো আমার পাশে এমন একজন তুমি যাকে আমি কয়েকঘন্টা ধরে চিনি। অথচ তোমার সাবলীল কথাবলা। হৈ চৈ আনন্দ দেখে মনে হচ্ছিল আমরা কতকাল পথ হাঁটছি।
মাটির পথটা দিয়ে উঠতে উঠতে এই ফুলগুলোর নাম জানো ? দেখলাম থরে থরে নানান রং এর একই ফুল।
কয়েকটা সাদা ক্রিসেনথিমাম ছিড়ে আনলে । আমি বললাম লাল আমার পছন্দ।
বললে ঠিকাছে তাই হবে।
এবার এলো লাল।
বললে ভাগ্যিস হলুদ চাওনি....
জানোতো
A red chrysanthemum conveys love
A white chrysanthemum symbolizes truth and loyal love
A yellow chrysanthemum symbolizes slighted love

হাসতে হাসতে শেষ আমি।
কত কিছু যে জানো তুমি!

গাড়ী ডাউনটাউনে একটা পার্কিং এ রেখে আমরা হাঁটতে শুরু করি।
একটা কফি শপ দেখে বসলাম। তুমি ফ্রেঞ্চ ভ্যানিলা আর আমি একটা গ্রীন টি।
টুকটাক কথার ফাঁকে হঠাৎ তুমি উঠে গেলে।
সামনের টেবিলে একজন বয়স্ক মহিলা বসে আছে।তার সাথে কি যেন কথা বলে ফিরে আসলে । আমি তোমার দিকে তাকিয়ে আছি চোখে প্রশ্ন নিয়ে।
বললে, মহিলাকে দেখে মায়ের কথামনে পড়লো।
মাকে পিছন থেকে দেখতে ঠিক এমনি দেখাতো।
বেশ লম্বা চুল এর একজন মহিলা। এই বয়সে এত লম্বা চুল এই দেশীয় সাদারা রাখেনা।

তুমি বললে, তোমার মা রাশিয়ান ছিলেন।
তোমার বাবাকে বিয়ে করে বাংলাদেশে চলে যান। বাংলা শিখেছেন। পুরোপুরি একজন বাংলাদেশী হয়েছিলেন উনি। এবার আমি বুঝতে পারলাম তোমার সবুজ চোখের কারণ।
তোমার গায়ের রং মায়ের মত না হলেও বাংলাদেশী ছেলেদের গায়ের তুলনায় অনেক উজ্জ্বল কেনো তাও বুঝলাম।তুমি আরো বললে, তুমি মাকে সারাক্ষন অনুভব করো নিজের মধ্যে।
তোমার মায়ের ত্যাগ,মানুষের প্রতি ভালোবাসা তোমাকে সবসময়ই প্রভাবিত করেছে। যদিও এ লেভেল করেই দেশের বাইরে পড়তে গেছিলে তুমি।
গ্রাজুয়েশন শেষ করে মাস্টার্স করবে ভাবছো এমন সময় তোমার বাবা চলে গেলেন।
একলা মাকে সংগ দেবার জন্য ফিরে গেলে তুমি।
মা ও চলে গেলেন এক বছরের মধ্যেই।
পড়ে রইলো বাবা মায়ের গড়া হাসপাতাল।
একটা বৃদ্ধাশ্রম।
এইসব ফেলে আর ফেরা হয়নি।
আমি অবাক হয়ে শুনছিলাম।
বলছিলে প্রতিবছর বেড়িয়ে পড়ো একমাসের জন্য।
কত দেশ।
কত মানুষ।
সব খানেই তুমি সেখানকার ওল্ড হোমগুলোতে ঘোরার চেষ্টা করো।

আমরা প্লান করলাম পরদিন আমরা এই শহরেই একটা ওল্ড হোমে যাবো।
কথার ফাঁকেই ফোনে এক জায়গায় একটা এ্যাপোয়েনমেন্ট নিয়ে রাখলাম।
আমি যে ফ্রেঞ্চ বলতে পারি একথা এখুনি জানলে আর মুগ্ধচোখে তাকালে।আমি হাসলাম।
তুমি তো জানোনা এমন কত ভালোলাগা জড়িয়ে আছে তোমাতেও!

সারাটা দিন কি ভালো যে গেলো আমার।
ডাউন টাউনের ব্যস্ত রাস্তাটায় হাঁটতে হাঁটতে কত মজা যে করলে।
কোন নাক বোঁচা মানুষ দেখলেই বললে বলোতো ঐ ছেলেটা বা মেয়েটা কোন দেশের?
আমি বললাম চায়না। তুমি বললে কোরিয়া।
দৌঁড়ে গিয়ে জানতে চাইলে তার দেশ কোথায়!
আমি কখনো এমন কাউকে দেখিনি।
ফুল অফ হিউমার যাকে বলে।
মানুষের জীবনে হাসি আনন্দ না থাকলে সেই জীবনটা কেমন রংহীন মনে হয়।
আমি নিজে অত আনন্দ করতে জানিনা।
তবে আনন্দে ভাসতে জানি।
হাসতে হাসতে আমি হেলে পড়তে জানি।

একসময় বন্ধুরা আমাকে ডাকতো হাসি।
আমি এত জোরে জোরে হাসতাম। আমার হাসি শুনে অন্যরাও হাসতো।
গত একটা বছর অনেক কষ্ট করেও হাসতে পারতাম না।
আমার জীবন যাপন আমার বেঁচে থাকা একটা অভ্যাস এ গড়িয়ে গেছিলো।

তুমি কোথা থেকে এলে রাজর্ষি?
এমন একজন মানুষের জন্যই কি আমার এত পথহাঁটা?
এমন একজনের জন্যই কি আমার যত সুরাসুর?

তুমি ঘুমাও রাজর্ষি।
আবার ও কথা হবে ।
সেই যে সূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে যেমন কথা হয়েছিলো।
তোমার দুচোখে ঘুম আসুক।
ঘুমাও ছেলে।
আমি তোমার শিয়রে রেখে গেলাম স্বপ্নলোকের চাবি।
তটিনী

_________________________________

তটিনী
কেনো যেনো খুব দম বন্ধ করা একটা অনুভূতি হচ্ছে আমার।
তোমার দেয়া একটা বই পড়ছিলাম। "নিঃসঙ্গতার একশ বছর"
গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কোস এর। অনুবাদ :জি এইচ হাবিব।

তুমি লিখে দিয়েছো,""এটা তো শুধু লেখকের নোবেল বিজয়ের কাহিনী নয়।
একটা কাহিনীর মধ্যে দিয়ে কত কিছু জানা।
একটা পরিবারের ছ'টি প্রজন্মকে জানা।
গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কোস এর জীবন আমাকে সবসময় ভাবিয়েছে"
বেশীদুর এগোতে পারিনি।
তোমার ভাবনায় বুঁদ হয়েছিলাম।

তটিনী তোমার জন্য এক ঝাঁক বলাকাদের উচ্ছল আনন্দ পাঠালাম।
দেখোনা নীল সাদা আকাশে বলাকারা কেমন পাখা মেলে উড়ে বেড়ায়,
জ্যামিতিক উড়েচলায় কি শৃংখলা।
কখনো ত্রিভূজের মত। কখনো বৃ্ত্তের মত ঘুরপাক খায়।
আমি জানি কখনো যদি তেমন কোন সময় আসে,
আকাশে বলাকাদের উড়োউড়ি দেখবার জন্য তুমি হয়তো থেমে যাবে। আমার কথা মনে হবে তোমার?
তোমার সেই তন্ময় মুখটা ভাবলে ভিতরে কেমন দুর্বল হয়ে যাচ্ছি আমি।
মনে হচ্ছে কতকাল জ্বরে পোড়া শরীর আমার।
মুখে স্বাদ নেই।
চোখে আগুন এর ঝাঁঝ।
হাত পা জ্বলে যাচ্ছে।
বুক জ্বলে যাচ্ছে।
একা লাগছে ভীষন।
একা শব্দটা এত বিষণ্ন মনে হয়নি কখনো ।
এখন হচ্ছে।

Akon এর গাওয়া Lonely গানটা শুনেছো?(http://www.youtube.com/watch?v=rZVlVgpghA4)

গানটা শুনছি। আর একা হচ্ছি ভীষন তোমাকে নিয়েই।
দুজনে মিলে এযে কেমন একা হওয়া!
তুমি কি জানো মেয়ে?
আমার দু'চোখ ভেসে যাচ্ছে কেনো?
তোমার কাছে যখন হাত দুটো রেখে এলাম তখন ও তো এমন মনে হয়নি।
তোমাকে শুধু তোমাকেই ভাবছি ধ্রুবতারা।
আমার এই ত্রিশোত্তোর জীবনে তোমার সাথে দেখা হওয়া এ যেনো মরুভূমিতে মরিচিকাকে পাওয়া।
তোমার সাথে দেখা হওয়া মোটে কয়টা দিন,,
না দেখা যে সব দিন গেছে পরিমাপ কোরনা।
দেখা হওয়াই কি সব?
জীবনে সবখানেই কত ম্যাজিক ঘটে জানো?
কিছু মানুষ ঠিকই বুঝতে পারে সেই ম্যাজিক।
কাছে থাকুক বা না থাকুক এক একটা মানুষের মধ্যে সবার চোখের অগোচরে কত কিছু ঘটে যায়।
কেউ কেউ তা বোঝে।
আমি সবসময়ই বিশ্বাস করেছি একটা মানুষকে বুঝতে হলে জানতে হলে তাকে দেখতে হয়না। দেখোনা কত মানুষ কাছাকাছি আছে,থাকে।
আসলে কি তারা সবাই কাছাকাছি?
হৃদয়ের অমোঘ যে টান সেটাই আসল।একটা মানুষের জন্য অনুভব কেমন হুট করেই আসে।যার কথা মনে হলো বুকের মধ্যে আলোড়ন হয়। আমি সেই আলোড়ন টের পাচ্ছি।
তুমি কি পাচ্ছো তটিনী?
তোমার পরম উষ্ণতা আমি টের পাচ্ছি ।
তুমি ক্রমশঃ আগুন হয়ো উঠছো।
সঞ্জীবনী সুরার মত আকন্ঠ পান করতে চাইছো আমাকে।
আমি সংখ্যা গুনে গুনে তোমার নির্মলতা উপভোগ করি।
তোমার প্রচন্ড অনুভব আমাকে তোমার দিকে টানতে শুরু করে।
তুমিই সেই আগ্নেয়গীরি।
তোমার উত্তপ্ততায় জ্বলে পুড়ে খাঁক হতে থাকি।

তটিনী
চোখ বুঁজে আছি যেনো অনন্তকাল।
তুমি কি আমার চোখে একটু বৃষ্টি ছুঁয়ে দেবে?
শিয়রে রেখে দেয়া তোমার স্বপ্নলোকের চাবি নিয়ে একটু ঘুমপুরিতে যাই।
যদি তোমার সাথে সেই স্বপ্নলোকে দেখা হয়!

ঘুমাই তাহলে?
রাজর্ষি

চলবেই ...

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৫
৪৪টি মন্তব্য ৪২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×