জানালার ঝিলিমিলি তুলে দাও প্রিয়
হৃদয় আমার আলোয় ভিজতে চায়,
চায় জোৎস্নার রঙ মেখে দীপালীর উত্তরণ।
কত অযতনে অজানার জং ধরা মন
লৌকিকতার মাংস-বাঁধনে পিঞ্জরিত অন্তর;
আজ রাতের খিড়কী দুয়ার বন্ধ করো না প্রিয়।
সূচনার যাতনা ভুলে জ্ঞানাংক শিখেছিলাম একদিন
ধরনী তলার পাঠশালায়...
আধ-ঘুমো ওস্তাদের পাঠ দানের মতই
ধরিয়ে, পড়িয়ে, জড়িয়ে যেত পৃথিবীর প্রাথমিক অর্জিত দিন।
সকাল বেলার সাধকের ধ্যান ভাঙ্গাতেই তোমাদের যত আয়োজন
হরিণীর কাজলীয় উঁকি-ঝুঁকি বেয়ে উঠে আসে দিকভোল,
দূরের দেখানো দুরাচরণে দ্বিধা-দ্বন্ধিত দূর্লয়
রূপালী রমনীরা রবিতে-রজনীতে রূপংকরের রাহে
আমায় নিয়ে যেতে চায় নির্বস্ত্র কোন অন্ধকার যুগে।
সাঁঝের কলসে জল ভরে আনি পবিত্র মানসে,
সারা দেহে লেগে আছে ভূ-উপগ্রাহিক আবর্জনা
পূণ্য বাসরে সাজানো আমাদের শংকিত সংসার।
সকলেই বেঁচে থাকার সাধনায় অন্তবিহীন সাধক
আমি, আমরা এবং তুমি, তোমরা এবং সে, তারাও
আজকাল আকাশকে বড় বেশী ভাল লাগে
ঝিঙে ফুল তারাদের মাঝে আপনাকে প্রজাপতি ভাবতে।
দু'চোখ বুঁঝে অনুভবি নিঃসীম
শূন্যতার মহারূপ পেরিয়ে অনন্তোপারে হারাই
আমি আকাশের রঙ নিতে চাই
আমি উল্কার ছোঁয়া পেতে চাই
ধূমকেতুর আগমনী দিনে কপাট খুলিও প্রিয়
আজ শুধু পর্দাখানি সরাও দিগন্তের
আমায় জ্ঞানের বৃষ্টি দাও।
13.09.2006
রাবওয়া, রিয়াদ, সৌদি আরব।
ছবির জন্য [link|http://jhearst.typepad.com/photos/junk_cars/bluecar_1.jpg|K
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






