
না বিবেচনা করে দেখলাম নির্বাচন ভালো মন্দ যেমনি হোক সরকার দলের সবাই কম বেশি বিজয় উপলক্ষে যেহেটু পিঠা উৎসব
পালন করছে;সেহেটু আমরা দেশের সাধারন মানুষেরা এমন একটা উৎসব থেকে বাদ যাই কি ভাবে ।
তাছাড়াও নির্বাচনের পর থেকে গত কয়েকদিন ব্লগটাও তেমন একটা জমে উঠছেনা । ব্লগের মালিকদেরও তেমন যাতায়েত নাই।
তারাও হয়ত নির্বাচনের বিজয় উপলক্ষে পিঠা উৎসব নিয়ে ব্যাস্ত আছেন
কাজটা ছেড়ে ফেলি । যেহেটু ব্লগে জনসংখ্যা কম সেহেটু সকলে আগে আগে আইসা নিজ দায়িত্বে পিঠা খাইয়া যান । পরে না হলে
ভাগে না পাইলে আসপোস করলেও কোন কাম হইব না।
যদিও কম পরার কথা না। নিন শুরু করে দিন পিঠা ভোজন।


এখানে দেশি বিদেশী নানা ধরনের পিঠা আছে যার যেটা যত মন চায় খেয়ে নিতে পারেন দাম দেয়া লাগবো না।

এই পিঠার নাম পাকন পিঠা।
আর পাকন পিঠা বানানোর উপকরণ হলো, চালের গুঁড়া আধা কেজি,মুগডাল ১ কাপ, ডিম ১টি, ১ চা চামচ ঘি, চিনি ২ কাপ এবং তেল পরিমাণ মতো।
প্রস্তুত প্রণালী;
১ কাপ পানিতে চিনি ঢেলে বেশি ঘন বা পাতলা না করে মাঝামাঝি অবস্থায় সিরা করে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। মুগডাল সেদ্ধ করে শুকনা করে বেটে নিতে হবে। ২ কাপ পানি ফুটিয়ে চালের গুঁড়া খামির করে নিয়ে ডাল মিশিয়ে ভালোভাবে মাখতে হবে। লেই একটু ঠাণ্ডা হলে তাতে ডিম ভেঙে ও অল্প তেল দিয়ে নরম একটা কাই তৈরি করুন। গরম কাইয়ের সঙ্গে ডিম দেবেন না। ডিম এবং ঘি দিয়ে খামির বানিয়ে রুটি বানিয়ে কেটে নকশা করে নিতে হবে এবং ডুবো তেলে ভাজতে হবে। এবার আপনার ইচ্ছা মতো আকার ও নকশা দিয়ে পিঠা বানিয়ে নিন। যত পাতলা হবে তত মচমচে হবে। ডুবো তেলে ভেজে গুঁড়ের সিরায় ডুবিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ রেখে তুলে পরিবেশন করুন পাকন পিঠা। পিঠা ভেজে সঙ্গে সঙ্গে সিরায় দিতে হবে। ঠাণ্ডা অথবা গরম অবস্থায় খেতে ভালো লাগবে।

আরো বানাতে পারেন ডিম পিঠা,ঝাল পিঠা,ঝিনুক পিঠা,সুজি পিঠা।


হাজার বছরের সমৃদ্ধশালী সংস্কৃতির উত্তরাধিকারী আমরা। খাদ্যরসিক বাঙালি প্রাচীনকাল থেকে প্রধান খাদ্যের পরিপূরক মুখরোচক অনেক খাবার তৈরি করে আসছে। তবে পিঠা সর্বাধিক গুরুত্বের দাবিদার। লোকজ এই শিল্প আবহমান বাংলার অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও এ যুগে সামাজিকতার ক্ষেত্রে পিঠার প্রচলন কমে এসেছে। শুধু খাবার হিসেবে নয় বরং লোকজ ঐতিহ্য এবং নারীসমাজের শিল্প নৈপুণ্যের স্মারক রূপেও পিঠা বিবেচিত হয়। বাংলার নারীসমাজ অতীতে শিক্ষাদীক্ষায় অনগ্রসর ছিল সত্য, কিন্তু স্বীকার করতে হবে এদেশের নারী সমাজ লোকজ শিল্পকর্মে অত্যন্ত নিপুণ ছিলেন তবে এখন মনে হয় নারীরা দিনে দিনে অলস হয়ে যাচ্ছেন ।

এগুলো হলো চাঁদপুরের পিঠা ।
আরো আছে আমাদের ব্লগের শায়মা আপুর পিঠা শালায় টোনাটুনি পিঠাঘর,একবার ঘুরে আসতে পারেন । !! - বাংলাদেশের ১০১ পিঠাপুলির নাম ও গড়ন বা রচনা সমগ্র!!
সকল ছবির উৎস গুগল।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



